রুষিপ্রণালী ৮:

পু

| 25258 *] ৬৭ _ চিপেষ্ট দম্দম্‌ নর্শরি হইতে শ্রীভূবনচন্দ্রীকর দ্বার! প্রণীত |

গোপীরুষ পালের লেন নং ২% : নূতন বাঙ্গালা বন্ধে শ্ীরাখালচন্্র বিতর কর্তৃক ভুজিতি।

চোর-১২৯৯ সাক্ষ।

বিজ্ঞাপন।

জগদীশ্বরের ক্রপাঁয় অনেক বিশ্ব বাধা অতিক্রম করিয়া, . কষিগ্রণালীর তৃতীয় খণ্ড প্রচার হইল। ইহাতে বাগান করিবার নপ্রণালী বৃক্ষাদি রোপণের সময়-নিনূপণ ইত্যাদি আবশ্যকীয় বিষয় বিস্তারিত ভাবে বর্ণন1! কর! হইয়াছে স্থানাভাব প্রযুক্ত বর্ধার উপযোগী রোপণ-প্রণালী ইহাতে সংযোজিত করিতে পারিলাম না। চতুর্থ খণ্ডে উত্ত বিষয় প্রকাশ করিবার বাসনা রহিল চতুর্থ খণ্ড মন্তস্থ ) গ্রাহক মহোদয়গ্রণ ইচ্ছা! করিয়| (তৃতীয় খণ্ড হইতে দ্বাদশ খণ্ডের ) অশ্রিম মূল্য ২%* আনা পাঠাইলে, আমাদিগকে বিশেষ উৎসাহিত করা হয়

উপসংহারে বক্তব্য এই যে, কৃষিপ্রণাঁলী প্রচারের বিলম্ব কাঁধণ অনেক গ্রাহক" যে ভাবে পত্র'লিখিয়াছেন, তাহ! অতিশয় ক্রুতিকটু হইলেও আমর! সাদরে গ্রহণ করিয়াছি ; কারণ, আমর! নান! কাঠ্যে ব্যাপৃত থাকায় এবং ভুতপুর্ক্‌ সুক্তাযন্ত্রের শিখিলুঃ তায় ক্ৃবিগ্রণালী শীষ প্রচার হয় নাই ; যাহা, হউক অবিলম্বেইঃ প্রচার 'হইবে তাহার আর সির সন্দেহ নাই।

২৭ চৈত্র। শ্রভৃবনচন্দ্র কর। ২৯৯ | 1 ০১৬

বিষয় উদ্যাঁন সম্বন্ধীয় প্রস্তাবন! জমীর অনুসন্ধান বনাবস্ত *** পুক্ষরিণী খনরের ব্যবস্থা! বেড়া দিবার প্রণালী দফাঁদারের সহিত হিসাব নিকাস গৃহ নিন্দাণের স্থান নিয় * বৃক্ষাদি রোপণের ব্যবস্থা! রাস্তা করিবার প্রণালী ০, বৃক্ষাদি রোপণের সময় নিরূপণ বুক্ষাদি খরিদের পক্ষে সতর্কতা *** নর্শরি হইতে বৃক্ষাদি খরিদ আত্মর্ক্ষ রোপণের প্রণালী ***

পৃষ্ঠা

১১ ২৩ ৩৬ ৪৩ ৪৬ ৫৯ ৬৪ ৬৮, ৭৯

৭৮

॥* ৮৩

তৃতীয় খণ্ড।

বহুদিনের পর শিষ্োন "ধাচীতে গুরুদেব আসিয়। উপস্থিত হইলেন। শিষা গুরুদেলের শ্ীচব্ণ দর্শন পাইর। অতি নম্রভাবে ভূমিষ্ট হইয়! প্রণাম পুর্নক কহিশেন,_প্রভো ! দাসের ঝাটীতে পদার্পণ "করিতে এত বিলম্ব কেন--ল্রীগাটের কুশল চসংবাদ না! পাইর। আমরা অতিশয় -ভাবিত: ছিলাম, ঃএগদণে ঈশ্বর ইচ্ছার শুভসংবাদ শ্রবণ করিয়া ভুঙাবন! সমস্তই দূরীভূত হইল” শিষা গুরাদেবকে এইরূপে বথোচিত অভ্যর্থনা" করিরা, 'পদ ধোতের জল আনয়ন পূর্বক উপবেশনের জন্য 'মলোরচায '“আদন প্রদান করিলেন | গুফদেব বলিলেন, দেখ, সংসারে আপদ বিপদ বিদ্ধ ইত্যাদি নান! কারণ :অবশ্তই আছে, ভাহ বর্ণন। করা, সিঞযী- জন; 'তবে বতক্ষণ সুস্থ থাকিতে পারা ষায় ততন্ঈশই শীল, 'আতএব, আমি যে, কারণ বশতঃ. সত্বর উপস্থিত হইতে পাকি, লাই, 'ক্তাহা তুমি অবস্তাই বুঝিতে পারিক্াছ। * খাহা; হউক, তৌধরা যে নুখস্বচ্ছন্দ কাল যাপন করিতেছ, তাহাতেই আর্মি বিশেষ: 'ক্মানন্দিত হুইলায | | এইবপে সয়ক্ষপতবাক্যালাপ করিয়া, দিষ্য, সুকেদেবেরাধীযা,' রর সুজা পাকষাদিংফকারযযেরণঞ্গায়োজন করাইখার অন্ত অন্দবরীটাকণ.

কষি-গ্রণালী

ভিতরে প্রবেশ করিলেন। বেল! ছই প্রহরের মধ্যে সমস্ত কাধ্য শেষ হওয়ায়, ক্ষণেক বিশ্রায়ের পর বেলা অপরাহ,

এমন সময় উভয়ে বৈঠকখানায় বসিয়া কথোপকথন করিতে লাগিলেন।

প্রথম অধ্যায়।

উদ্যান সন্বন্ধীয় প্রস্তাবনা

গুরুদেব শিষ্যকে বলিলেন, কেমন বাপু! তুমি যে কৃষি- বিষয়ে ব্রতী হইয়াছ, তাহাতে কিছু লাভ দেখিতে পাইতেছ কি?

শিষা। মহাশয়! চাষ আবাদের বিষয় আপনার আশী- কর্বাদে একরকম ভালই হইতেছে, শাস্ত্রে যাহা লিখিত "হইয়াছে, ভাহা কখনই মিথ্য। হইবার নহে; বিশেষ আপনি পরম পৃজবীস় গুরুদেব, আপনার শ্রীমুখের বাক্য অলঙজ্ঘনীয়; তবে সেরূপ "আমার সৌভাগ্য নহে যে, যে বিষয়েই হউক জা তাহার সম্পূর্ণরূপে ফলভোগী হইব) তবে যৎকিঞ্ঃৎ /াহ| লাভ করি- ছি, তাহাও আপনার অনুগ্রহে ; ফল কথা, লোক্সান্‌ না হইয়। বরং লাঁভই হইয়াছে; বিশেষ, সংসারের পক্ষে বড়ই উপকার পাইয়াছি। _. খুরু। ভাল, ভাল, লোক্সান না হইলেই মঙ্গলের বিষয় ! একে অনেকে পরম্পরর বলাবলি... করিতেছে যে, “এক খামূুন লাকি এক উকীলকে উকীলগ্রিরী ছাড়াইয়া কৃষিকাধ্য

কৃষি-প্রণালী।

পিখ|ইতেছেন” তাহার উপর যদি আবার লোঁক্পান্‌ হয়, তাহ! হইলে সাধারণতঃ বড়ই লজ্জিত হইতে হইবে।

শিষ্য ই! প্রভো, ত্ররূপ কথ! আমিও কিছু কিছু গুনিয়াছি বটে, যাহা হউক, জগদীশ্বর মুখ রক্ষা করিয়াছেন

গুক। এক্ষণে আর কোন রকম কৃষিপ্রণালী জ্ঞাত হইন্ডে ইচ্ছা আছে কি?

শিষ্য। আপনি যখন অনুগ্রহ পূর্বক দাসের বাঁটীতে পদার্পণ করিয়াছেন, তখন মাঙ্গলিক বিষয় পুনর্বার যে আলোচনা হইবে, তাহার আর অণুমাত্র সন্দেহ নাই, তবে আশাহ্যায়ী বিষয় আলোচনাই প্রার্থনীয়। যেযাহ! ভালবাসে তাহাই দেখিতে শুনিতে ইচ্ছা করে, স্থৃতরাং শ্রোতার অভি-. প্রায়ানূসারে বক্তার ব্যক্তব্য বিষয় অবশ্ঠই আলোচনা কর! দিদ্ধাত্ত। ্‌

গুরু বটে, বটে, তোমার মনের ভাব আমি বুঝিতে পারি- য়াছি, কিন্তু বিশেষ করিয়া না বলিলে, উপদেশ দিতে পারি- তেছি ন। যদি অন্ত বিষয় শুনিতে ইচ্ছা! হইয়া থাকে, প্রকাশ করিলে অবশ্তই বলিতে পারি।

শিষ্য। এক্ষণে আমার নিবেদন এই যে, অনেকেই নান', বিধ মনোরম্য ফল পুশ্পের বাগান প্রস্তুত করিয়া বহল অর্থ বক্স করেন, কিন্তু বাগান প্রস্ততের কার্য্যকাঁলে তাহার হুগ্রাণালী অবগত ন1 থাকায়, ভবিষ্যতে মনস্তাপে দর্থীভূত হয়েন। কারণ, যাহার মুল ভিত্তিতেই দোষ জদ্পিয়! যায়, ভাহাতে আশাহুযায়ী ফল কিরূপে গাওয়া বাইবে ? এবং কি ধনী, কি. সামান্ত ভদ্র গৃহস্থ, কি চীষী ইত্যাদি অনেক প্রকার লোকের

কৃষি-প্রণাঁলী |

উদীন'দিতে স্পৃহ। থাকতেও কাঁর্ধো পরিণত করিতে পারেন ন!। অন্যের" করা দুরে থাকুক, আমি নিজেই বিশেধরূপ টিস্তা করিব হতাশ্বা হইয়া পল়িয়াছি; তবে, আমার ভরমা একমাত্র আপনি, আপনার করি নশ্বন্ধীর সকল বিষয়ই জনা আছে, তজ্জগ্ভই বাসনা করিগ্রাছি বে, উদ্দ্যান সন্বন্বীর ুপ্রাণালী বিস্তারিতরপে বর্ণনা করিরা

গুঁর। তাহার আর চিন্তা ফি বাপু! একথা মগলের বিষম | চাষ বাস বাগান, পুষ্করিণী খনন করা ইত্যাদি সতকগ্ধইত গৃহন্থের ধর্ম তন্মধ্যে পারা অগারক বুঝিয়! কাঁধ্য করিলে ভাল হত্। যে যেমন ক্ষমতাঁপন্নব্যক্তি, সে তদ্দপ কারে হস্তক্ষেপ করিলে পরিপাঁমে কোন কথাস্তরে পড়িতে হয় না। সামর্থ্য বুঝিয়া বিবেচন। পুর্ধক সকল কার্য্েই ব্রতী হওয়া যাইতে পাঁরে। অবশস্থাঞ্ছসরে কার্ধ্য যে, সর্বন্মত তাহার আর. সন্দেহ নাই।

শিষ্য প্রো! এক্ণে আমার: যেরপ' অবস্থা, তাহা আপনি সমস্তই জ্ঞাত আছেন ১) আরা যে ভাবেই কাঁলযাপন করি না কোন, সতহতই আপনি অনুধাবন করিছেল অন্ত এক আগর' অবস্থীনযারী আদেশই এক্ষণে প্রীর্থনা )

গুরু তুমি যে ভাবেন কথা উত্থাপন করিয়াছ, তছুপযুক্ত অর্দেশই ব্যক্ত করিতেছি” তোমারি একখানি বাগান করি- বাঁ ইল হইয়াছে, তাহা অতীব আনলো বির্ধয়! কিন্তু আঁগার্ভত জাশীকুষায়ী' খানিক জী নির্দিষ্ট করিতে হইবৈ। কাঁপন করিবার প্রণালী নাল প্রকার। আছে, গৎ সমশ্য'বর্ণন

কৃষি-প্রণালী।

না করিয়া, তোমার বাঞ্ছনীয় বিষয়ই বর্ণনা করিতে প্রবৃত্ধ 'হইতে পারি।

শিব্য। আমার প্রার্থনা এই যে, ধনী লোকের। যেরূপ মনোরম্য ফল পুষ্পের বাগান প্রস্তত করিয়া! থাকেন, তন্রপ করিতে ইচ্ছা করি না) কারণ, আমরা সামান্য গৃহস্থ ব্যক্তি, আমাদের সততই উপাঁজ্জনের উপর লক্ষ্য, রাখা কর্তব্য। যেরূপ বাগান প্রস্তুত করিলে ভবিষ্যতে বেশ দশ টাক1 লা হইতে পারে, তদ্বিষয়েরই উপদেশ দ্রিউন।

গুরু। "শুভস্য শীপ্বং” শুভকর্ম্ে আর বিলম্ব করিও না, মনোমত খানিক জমী ঠিক করিবার চেষ্টা কর।

শিষ্া। জমী জমার বিষয় আপনি বিশেষরূপ অবগত আছেন, যেরূপ জমী ঠিক করিতে বলিবেন, তাহাই ঠিক করিব।

গুরু। আর একটী কথ। জিজ্ঞাস! করি, বাগাঁনখানিতে কলমের চার! বসাইবে ? না, (বীজাদি) অটীর চার! বসাঁইবে ?

শিষ্য তাহা আমি এক্ষণে স্থির করিতে পারিতেছি না।

গুরু নাবাপু! তাহ। অগ্রে স্থির না করিলে, জমীর কাধ্যের বন্দবন্ত করা হইবে না।

শিষ্য কলমের চারার বাগান (বীজাদি) অর্থাৎ অশাটীর চারার বাগান উভয়ে কোন প্রভেদ আছে কি?

গুরু কলমের চারা'র বাগানে এবং অণটার চারার বাগানে অনেক রকমে প্রভেদ হইয়া! থাকে, এবং খরচা সম্বন্ধেও অনেক প্রকারে কম বেশী ্‌

শিষ্য। উভয়ের মধ্যে সহজ উপায়ে এবং কম ব্যয়ে কোন্টী ভাল হইতে পারে?

শিপ

কৃষি-গ্রণালী

গুরু আমার বিবেচনায় কলমের চারার বাগান করাই ভাল; যদ্দিচ ইহাঁতে পুর্বাহ্ন কিছু অর্থ ব্যয় হয় বটে, কিস্তু পরিণাঁমে তাহ! পুরণ হুইয়! যায়, এবং আশু ফলগ্রদ

শিষ্য। উভয়বিধ বাগানের আয়, ভবিষ্যতে কাঁহাতে কিরূপ হয় গুভে!?

গুরু তাহ নির্দিষ্ট করিয়া এক্ষণে বলিতে পারি না, তবে বোধ হয় যে, যাহাতে বেশী ব্যয় হয়, তাহারই পরিণাম ভাল।

শিষ্য যে আজ্ঞা, আাটিন চারার বাগান কি কলমের কারার ধাঁগাণ হইবে, তাভা পরে স্থির করা যাইবে, এক্ষণে পূর্বকাঁর কার্ধ্য কিরূপ করিতে হইবে, তাহা বলুন

গুরু এখনও বুঝিতে পারিলে না বাপু!

শিষ্য? আজ্ঞাঁ,-_-না।

শুরু আনার কথার মর্ম এই নে, কলম আটীর চারার বাগান করিতে হইলে, শুক হইতেই পুথবক্‌ ধন্দবস্ত ক'পতে হয়। অশাঁটীর চাঁদার বাগানে গ্রগ্মতঃ স্বল্প ব্যয় কির ক্রগশঃ ব্যয় করিলে চলতে পারে, কিন্তু কলমের চারার বাগান করিতে হইলে, তদ্রুপ বার হয় না; প্রথম সুত্রপাত হইন্ডেই বেশী গ্তার্থ ব্যর করিতে হয়।

শিষ্য তাভার কারণ কি? গ্রাভো !

শিষ্য তাহার কারণ এই ঘে, 'আশটীর চারার বাগান ক'রতে হইলে, প্রথমে পুক্ষরিণী খনন না করিলেও চলিতে পারে; এবং ১1১ পথ্সর পরে করিলে বরহ ভাল হয়। কিস্তি কলমে চারার শাঁগান করিতে হইলে, সেই বাগানে পূর্ব হইভে , এব টা পুফ.ণী খনন করা লিতাত্ত আবশ্যক

কষি-প্রণালী। নদ

রি

শিষ্য পুক্ষরিণী খনন না করিরা ষর্দি কলমের বাগান করা যায়, তাহতে কিছু হানি আছে কি?

গুরু। এমন কিছু দোৌষ হয় না বটে, তবে পুঙ্ষবিণী খনন করিয়া রীতিমত বাগান করিতে পারিলে বাঁগান সম্বন্ধীয় কোন দোষ থাকে না, এবং জলস্থলযুক্ত বাগাঁনে ভবিষ্যতে প্রচুর অর্থ আয় হইতে পারে, এবং মান বৃদ্ধির আর বলিলেও অত্যুন্ধি হয় না; বিশেষ বাগান একটী আরামের স্থান, আরাম শবের অর্থ সুখ, সেই সুখভোগ্য জিনিষগুলি বাগানে ন। থাকিলে আরাম বোধ হয় না। ফল কথা, অগ্রে পুক্ষরিণী থনন করিলে সহজে শীঘ্বই বাঁগান প্রস্তৃত হইয়! যায়, যদিও প্রথমে বছ অর্থ বায় করিতে হয় বটে, কিন্তু ভবিষ্যতে তাহাতে বিশেষ উপকার আরাম পাঁওয়া যায় আর এক কথা, বাগান করাই হউক, . কিবা চাঁষ আবাদ করাই হউক, জলের সাভাঁষ্য ব্যতীত কোন কার্যেই বিশেষ ন্ুবিধ! করিতে পারা যাঁষ না? অগ্রে পৃক্রিণী খনন না করিয়া! আশটীর চারার বাগান করা খায় বটে, তাহাঁর কারণ এই যে, অশাটীর চানা বৌপণ করিয়া ২১ বৎসন্র পরে পুক্ষরিণী কাটাইরা প্র মাটী বাগানে ছড়াইয়! বাগান সমতল করিলে গাছের পক্ষে বিশেষ উপকার হয়, কিন্তু কলমের চারার পক্ষে তাদৃুশ উপকার হয় না, বরং অপকার হইবার অন্ভাবনা

শিষ্য তাহার কারণ কি দেব ?

গুরু | তাহার কারণ এই যে, কলমের চার! রোপণ করিয়। তত্পরে চারার মুলদেশে অধিক মাটী ব্যবহৃত হইলে, গাছ কিছু অতিরিজ্ঞ তেজক্কর, হওয়ায়-ফল ফুল ধরিতে বিলম্ব হই!

কৃষি-প্রণালী।

পড়ে ; এবং শ্রী মাটী- পাইয়া সমস্ত গাছ তেজ পুর্র্বক ফল ফুল উৎপন্ন ন! করিয়া স'াড়িয় যাঁয়।

শিষ্য সাড়িয়া যাওয়া কিন্পপ? এবং কলমের চারার বাগাঁন করিতে হইলে, পূর্ব হইতে যে সকল কার্য আরস্ত করা উচিত তথ্িষয় বর্ণনা করুন

গুরু সাড়িয়া যাওয়া কথাটি সংক্ষেপ কথা মাত্র, বিশেষ কথা এই ষে, যে সকল গাছ তেজপুর্বক ফলফুল উৎপন্ন করিতে না পারে, তাহাদিগকে সড়িয়া যাওয়া বলে। আর, প্রথমতঃ গ্রামের নিকটবর্তী আশপার্থে একটু জমী স্থির করিতে হইবে।

শিষ্য গ্রামের মধ্যস্থলে যদি জমী স্থির কর! যায়, তাহ! হইলে কি হয়?

গুরু গ্রামের মধ্যস্থলের জমী হইলে, বড়ই ভাল হয়, যদি বেশ পরিক্ষার পাওয়া যাঁয়।

শিষ্য প্রভো! কত পরিমাণ জমী হইলে বাগান হইতে পারে ?

গুরু তাঁহার কিছু নিশ্চয় নাই, তবে বাগান করিতে হইলে একটু প্রশস্ত জমী অর্থাৎ পাঁচ বিঘা হইতে কুড়ি ৰিঘ! পর্যান্ত হইলে ভাল হয়।

শিষ্য। তাহাও পাওয়া যাইতে পারে, মুখুষ্যে মহাঁশর- দিগের ষ্রেটতৃক্ত এই গ্রামের মধ্যস্থলে খানিক বীশবাগান আছে, প্র বাশবাগানের মধ্যস্থালের ফাক1 জমী সমস্ত জমা ধরাইয়! দিতেছেন, তাহার চেষ্টা করিব ? রর

গুরু। না বাপু! তাহা সুবিধা হইৰে না, কারণ, চতুর্দিকে বাঁশগাঁছ যে জমীতে থাঁকে, তাহাতে ফল ফমল বা গাছপাল! নিরাপদে জন্মাইতে পারে না।

বষি-গ্রণীলী | ন্‌

শিষ্য তাহার কারণ কি?

গুরু তাহার কারণ এই যে, বাঁশগাছের ছাঁয়া যে. জমীতে সমভাবে পতিত হয়, তাহাতে ফল ফসল ভাঁলরূপ উত্পন্ন ভগ্ন না।' বাঁশের পাতা বাগানে পতিত হইলে, জমী লবণাক্ত গুণ প্রাপ্ত হর, এবং বাঁশের গিকড় বড়ই টান; এমনকি যতদূর পর্য্যন্ত পিকড়- বিস্তারিত হইয়! যার, ততদূর মাটীর সত্ব এত' শোষণ 'করে যে, তাহাতে অন্ত কোন উত্ভিজ্জীদ্দি জন্মে না।' আর একটা কথ! এই যে, যে স্থানে বাগান করিতে হইবে, তাহার চতুষ্পার্শখে কোনরূপ বড় বাঁ. পুরাতন গাছপালা না থাফিলে বড় ভাঁল হয়।

শিষ্য। তকে, গ্রামের পশ্চিম মাঠে চৌধুরী মহাঁশয়দিগের ্টেটের অনেক জমী আছে, তাহার চেষ্টা দেখা যাউক। বোধ হয় তাহাদিগের নিকট কোনরূপ বন্দবস্ত করিয়া লইলে হইতে পারে

গুরু তাহারই চেষ্টা কর। তাহারা পাকা বন্দবস্ত করিয়। দিবেন কি?

শিষ্য তাহা বলিতে পারি না।

গুরু তবেই ত!--কেননা-_বাঁগান, ভদ্রাসন বাটা, এবং পুষ্ষরিণী যে জমীতে কর! যায়, তাহ! দস্তরমত চিরস্থায়ী বন্দ- বন্ত করিয়া লগয়াই যুক্তি সঙ্গত

শিষ্য দস্তরমত বন্দবন্ত অনেক প্রকার আছে, তন্মধ্যে কোন্‌ প্রকার করিতে হইবে, তাহ! বিশেষ করিয়া বলুন।

গুরু আমার কণার ভাবার্থ এই যে, কোন কালে সেই জমীর উপপত্ব ভোগে বঞ্চিত হুইতে ন। হয়। যথা, এক রকম

৯০ | কষি-প্রণালী |

মালেকান সত্ব খরিদ, ব! মৌরস লওয়া, বাঁ মৌরস শ্বত্ধ খরিদ করা বা মৌরসদারের নিকট দর মৌরসী করিয়া লওয়া ইত্যাদি পাক বন্দবন্ত করিয়। বাগান করিলে ভাল হয়। তন্মধো আর একটী কথ! আছে বাপু! নিকটবর্তী পুরাতন . পতিত পুফষরিণী সহিত খানিকটা জমী দেখিতে পার ?

শিষ্য তাহ! হইলে ভাল হয় কি?

গুরু। বাপু! পুরাতন পুক্ষরিণী সহিত যদি জমী পাওয়া যায়, তাহা হইলে অপর আচট জমীতে বাগান করিতে যেব্যয় পড়ে, তাহার অর্ধেক ব্যয়ে বাগান পুফরিণী তৈয়ারী হইতে পারে, কেননা, পুরাতন পুক্ষরিণীর পঙ্কোদ্বার সহজেই অল্প ব্যয়ে সম্পন্ন হয়, এবং আরও একটী বিশেষ উপকার পাওয়! মায় যে, পুষ্করিণীর পক্কোদ্ধার করিয়া সমুদায় জমীতে ছড়াইয়া দিলে, গাছ পালা এবং ফল ফসল আশার অতিরিক্ত হইয়া পড়ে

শিষ্য। যে আজ্ঞা, এক্ষণে টানি, পারিয়াছি। চেষ্টা করি, যদি পাওয়া যায়।

গুরু না বাপু! তুমি নিজে পারিবে না, যদিও পার কিন্তু শীত কৃতকার্ধয হইতে পারিবে না; তাহা ন। করিয়া একজন অপর লোককে চেষ্টা করিতে বলিলে ভাল হয়।

শিষ্য তবে দিরক্কে একজন দালালের চেষ্টা করিতে বলি গিয়ে।

গুরু যাঁও।

কষি-প্রণালী |. ১১

দ্বিতীয় অধ্যায়।

জমীর অনুসন্ধধন বন্দবস্ত |

শিষ্য, গুরুদেবের আজ্ঞানুপারে দিরূকে ভাকাইয়া বলি- লেন,-_দিরূ, তুমি একটা কর্ম করিতে পারবে কি?

দিরূ। হেমন কম্ম কি আছে মশা! ঝে মুই পারবে না!

বাবু। দিরূর কথায় বিশেষ সম্ভোষ হইয়া বলিলেন,-_- একজন দালালের মত লোক আমাকে ডাকিয়। দিতে পার ?

দির আজ্ঞ। ই, পারবে।--মদ্দের পাড়ায় উমে নেঞ্চে আছে, সে দ।লালের ছাওয়াল দালাল হয়েছে, সে সব কাষে দ।লালগিরী ভাল করতে পারে।

বাবু। তবে তাহাকেই ডাকিয়া আনো।

দির। ছেলাম! তাকে সাতে করে মুই কাল সকালে আমল বেো।

পরদিন প্রাতঃকালে, দির, উমো-দালালকে সঙ্গে করিয়! উপস্থিত হইল বাবু উভয়কে দেখিয়া বলিলেন, তোমার নাম উমাচরণ ?

উম। আজ্ঞা, হা।

বাবু। তুমি দালালী করিতে পার?

উম। কিসের দালালী মশাই ?

বাবু। এম কিছু নয়-_এই গ্রামের £মধ্যে কি কোন পারে একটি পুরাতন পুর্করিণী সহ আন্দাজী ১,।১২ বিঘা কি ততোধিক জমী খরিদ কিম্বা মৌরনী বন্দবন্তে ঠিক করিয়! দিতে পার £

উম। আজ্ঞা, ই!) আমাকে খুপী করবেন ত?

| ১২ : কষিএপ্রণালী

বাবু। আমি তোমায় ৯০২ টাকা দিব, আর অপর পক্ষে যাহ! পাইবে, তাহা! লইবে। উম। তবে আমি গুক্ষণে বিদায় হই; জমী ঠিক করিয়া 'শীপ্রই সংধাদ দিব। কএকদিন পরে হটাৎ এক জন*লোক আপগিয়! বাবুকে বিল, মহধশয়! আমি শুনিলাঁম, আপনি- না কি বাগান করিধার জন্য 'থানিক'জমী খরিদ করিবেন ? বাঁবু। হা, করিব, কিন্ত মনোমত চাই। সে বলিল,_-আমাঁর একবন্দে ১০১১. বিঘা জমী আছে স্ুবিধ। হইলে বিক্রি করিতে পারি শিষ্য এইরূপ কথা! শ্রত হইয়া গুরুদেবকে বলিলেন, গ্রাভো একজন লোক খাঁনিক জমী বিক্রয় করিবার জন্ত আগার নিকট উপস্থিত হইয়াছে গুরু আচ্ছা, তাহাকে সবিশেষ ভিজ্ঞানা কর, সুবিধ] হইলে লইতে ভানি নাই কিন্তু জমীখান গ্রামের মধাস্থ কি অন্ত দিকে তাহ! জানিতে পারলে ভাঁল হইত শিধ্য। অগ্রেই আমি ভাহার তদন্ত লইয়াছি--গ্রানের উত্তরাংশে মাঠের ধারে। গুরু বটে! তবে আন্য জঙ্গীর চেষ্টা করিবার আঁবশ্তক নাই, বোধ হয় ভাগ্যক্রমে ভাল জমীই পাওরা গিয়াছে, শীঘ্র বন্দবস্ত করিয়া লগ শিষ্য জশীর অবস্থা ভাল কি মন্দ, তাহা আপনি 'কিদ্ধুগে জানিতে পারিলেন ? ওরু। গ্রামের পূর্বাংশে ব।. (উত্তরাংশের জমী বড়ইণ্ডাল |

কৃষি-প্রণালী। ১৩

শিষ্য তাহার কারণ কি দেব!

গুরু গ্রামের দক্ষিণ বা পশ্চিম মাঠ অপেক্ষ।কৃত কিছু উচ্চ হইয়া থাকো, কারণ উচ্চ জমীতে বাগান করিলে গাছ সকল তেজক্ষর হইতে কিছু বিলঘ হয়।

শিষ্য কেন প্রভো ?

গুরু। জমী উচ্চ হইলে তাঁহার উর্ধরাঁশক্কতি হাঁস হয় বলিষ্া, গাছ সকল শীত্র ভেজক্কর হইতে পাঁরে না| উচ্চ জমীতে ঘাস, খড়, নানা প্রকাঁর লত৷ পাতা, বিষ্ঠা গোময় পচিষ ষে সকল সার ুন্মে, তাহা! বর্ষধর জলে ধৌত হইয়! নিয় ভূমিতে চলিয়া যায়। ন্গতরাং সার বিহীন জম্ীতে উদ্ভিজ্জাদি কিরূপে শীঘ্ব তেজফর হইবে ? এতাবভা! গ্রামের দক্ষিণ বা পশ্চিম প্রান্তে বাগান করিলে, ভবিষ্যতে আরও ২১টি দোষ উদ্ভাবন হইতে পারে। যথা, দৈব ছুর্বিপাকে পশ্চিমে ঝড় বাতাস আরম্ভ হইলে, দক্ষিণ পশ্চিমদিকে সমভাবে অত্যন্ত তেজের সহিত ল্াগিতে পারে, সুতরাং ছোট ছোট কোমল নিস্তেজী বড় বড় গাছ সকল, এর মহাষারীর ঘাতপ্রতিঘাতে একেবারে ছিন্নভিন্ন হইয়া যান) এমন কি সমূলে বিন হইতে দেখা গিয়াছে। হামেস। ঝড় বাতাম, এবং উভয়দিকের গ্রথর ন্র্ষ্যোত্তাপ জনিত ফল ফুলের পক্ষে বিশেষ ব্যাধাৎ জন্মে। আরও প্রমাণ পাওয়া যায় যে, প্র উভয়দিকের গাছ সকল শীঘ্র ফলবান্‌ হয় বটে, কিন্তু রীতিমত পুক্রুষ্ট হইতে ন1 হুইতে পাকিয়া যাঁখ, সুতরাং অঙ্কাপপক্কত। জনত তানৃখ সু-আন্বাদন হয় না) আত এক কথা, উভয়দিকে বাগানের গাছে ফলের ভাগ সংখ্যায় বেশী জন্মে বটে, কিন্ত অপেক্ষাকৃত কিছু ছোট হয়। তজ্জন্তই

(২)

১৪ কষি-প্রণালী

বলিতেছি যে, যদি গ্রামের পূর্ব কি উত্তরদিকে ভাল জমী পাও! যাঁয়, তাহা হইলে বড়ই ভাঁল হয়।

শিষ্য। তবে গ্রামের পুর্ব বা উত্তরদিকে জমী যাহাতে পাঁওয়] যাঁয়, তাহাঁরই বিশেষ চেষ্টা করা যাঁউক। কিন্ত তন্মধ্যে একটী কথা আছে এই যে, আপনি পূর্বে বলিয়াছিলেন, পুরাতন পুষ্ষরিণী সহিত জমী হইলে ভাল হয়; কিন্তু পশ্চিম বা দক্ষিণদিকের জমী যদি পুরাতন পুষ্করিণী সহিত পাওয়া যায়, তাহা হইলে কি করা যাইবে ?

গুরু তাহাঁও লইতে পারা যায়, ফেননা, পুরাতন পুষ্ষরিণীর মাঁটা অনেকাংশে সারবান্‌ এবং প্রথমতঃ খরচ সন্বন্ধেও কম হয়।

এইরূপে গুরুশিষ্যে কথোপকথন হইতেছে, এমন সময় সেই জমী-বিক্রয়কর্তী। পুনর্ব্বার উপস্থিত হইয়া বলিল, মহাশয় ! আপনি যে জমী খরিদ করিবেন বলিয়াছিলেন, তাহার কি হইল?

শিষ্য। হা, আমীর লইবার ইচ্ছা আছে বটে, তবে বিষয় সন্বন্ধীয় কথ! একটু বিবেচন! পূর্বক কহিতে হইবে যাহা হউক, অদ্য বড় ব্যস্ত আছি, এক্ষণে তোঁমার সহিত বেশী কথ! কহিতে পারিতেছি না, যদিও আমার শীঘ্রই আবশ্তাক বটে, কিন্তু কার্ধ্যগতিকে বিলম্ব হইয়া যাইতেছে তুমি ছুইচার দিনের মধ্যে আর একবার আসিবে আর তোমার জম্গীর ঠিকাঁন! বলিয়া যাও, আমরা কল্যই বোধ হয় দেখিতে যাইব

জমী-বিক্রুতন্নকর্তা বলিল, আমি৪ বড় বাস্ত হুইয়াছি, যত শীঘ্র পারি বিক্রয় করিব। এক্ষণে আমার জ্বমীর ধিকাঁনা

কষি-প্রণালী ১৫

চৌহদ্দি বলিয়া! দিতেছি, আপনার! অনুগ্রহ পূর্বক দেখিয়া আসিবেন। যথা,-_এই গ্রামের উত্তরাংশে নিমু রায়ের জোল নামক স্থানে-_পুর্রে উমানাথ রায়ের জমী, দক্ষিণে সরকারী রাস্তা, পশ্চিমে দিগন্ধর ঘোষের জমী, উত্তরে কেদারনাথ মুখো- পাধ্যায়ের জমী তন্মধ্যে আমার ১১ বিঘা! জমী আছে, তাহ! যদি আপনাদের মনোমত হয়, তবে কাল বিলম্ব না করিয়া শী লইবেন

বাবু বলিলেন, আমরা কল্যই যাইব, তাহার কোন অন্তথ! হইবে না।

জমী-বিক্রয়কর্তী বলিল, নমস্কার, তবে আজ আমি আসি।

বাবু বলিলেন, এস।

অনন্তর শিষ্য, গুকদেবকে বলিলেন, প্রভো! আপনি একবার জমীখানি দেখিয়া আসিবেন কি ?

গুরু হ1, দেখিতে হইবে বই কি!

শিষ্য। তবে আর বিলম্ব করা উচিত নহে, কল্যই দেখিয়া! আসা যাউক।

গুরু | সুবিধা যদি হয়, তাহাতে আমার বিশেষ মত আছে।

পরদিন প্রাতঃকাঁলে গুরুশিষ্য উভয়ে জমী দেখিতে চলিয়া: গেলেন বথাস্থানে উপস্থিত হইয়া! জমীর অনুসন্ধান করিলেন। পূর্ব্ব উল্লেখিত মত জমীর চৌহদ্দি মিলাইয়া, শিষ্য বলিলেন, কেমন প্রভো, জমীথানি কি ভাল ?

গুরু | হা বাপু! বেশ জমী, উত্তর দক্ষিণে লম্বা আছে, এবং সরকারী রাস্তার ধারে। তোমার ভাগো ভালই জুটিয়াছে, মূল্য ঠিক করিয়া শীঘ্রই লও, কাল বিলম্ব করিও ন1।

১৬ - কষি-প্রণালী |

এইরূপে জমী দেখিঘ্া উভয়ে প্রত্যাগমন করিলেন। বাটীতে উপস্থিত হইয়া, শিষা, গুরুদেবের সেবাশুশ্রুধার জন্য বিধিমতে আয়োজন করাইয়া, বিশ্রামান্তে যথাস্থানে চলিয়। গেলন।

পরদিন প্রাতঃকাঁলে শিষ্য বলিলেন, গুভেো। ! বাগানখানি প্রস্তুত করিতে আপাতত কত টাক! ব্যয় হইবে ?

গুরু এক্ষণে তাহা কির্ূপে বলিব বাপু! তবে রীশ্তিমত বাগান করিতে হইলে, পুর্ব হইতে কার্য্ের বন্দবস্তানুসারে যত টাক ব্যয় হয়, তাহ! অনর্থক নষ্ট হয় না।

শিষ্য তবু আন্দাজী কত টাকা?

গুরু। জমীর মূল্য বাদে আপাতত তিনশত টাকা হইলেই যথেষ্ট হইবে।

শিষ্য। তিনশত টাকা কি এককালীন আঁবশ্তক হইৰে গুভে। ?

গুরু। না বাপু! ক্রমশঃ তিন মাসে খরচ করিলেই চলিতে পারে।

শিষ্য। কি কি কার্য্যোপলক্ষে খরচ করিতে হইবে ?

গুরু প্রথমতঃ-পুক্ষরিণী থননে খরচ করিতে হইবে

শিষ্য পুফরিনী খননের স্ুত্রপাত কি এখনই করিতে হইবে ?

গুরু হাবাপু!

শিষ্য তিনশত টাক পুফরিণী খননে খরচ না করিয়া, কিছু কম ব্যয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট রকমের পুফরিণী কৰিলে 'কি চলিতে পারে না? |

কষি-প্রণালী। ১৭

গুরু। নাবাপু! বাগানের পুঙ্ষরিণী বিশেষ আবশ্যকীয়, পরিমাণে গভীরতাঁয় ছোট হইলে, বারমাস জল থাকিবে নাঃ এবং তাহাতে মৎ্গ্ত সকল বড় ন। হইয়া জলাভাবে নষ্ট হইয়া যাইবে। এতদ্যতীত অপর অপর কার্য্যেরও ক্ষতি হইতে পারে।

শিষ্য আপনি যাহা বলিতেছেন তাহ! সত্য, কিন্তু মৎস্য বড় না হইলে, তাহাতে বিশেষ ক্ষতি বোধ করিব না, ফল ফুল গাছের গোড়ায় জল পাইলেই বথেষ্ট হইবে

গুরু কেবল ফলফুল গাছের গোড়ায় জল দিবার জগ্ঠ জলের আবশ্তক হইবে, এমত নহে--তুমি নিজে গৃহস্থ লোক গৃহস্থ লোকের বাগান ম্বতন্ত্র। ধনী লোকের মতন বাগান করা! গৃহস্থ লোকের পোধার় না। লাউ, কুষড়া, শাক শবজী, কফি প্রভৃতি নান! প্রকার আশু ফলপ্রদায়ক দ্রব্যের চাষ করিতে হইলে, তাহাতে অধিক পরিমাণে জলের আবশ্তক হইবে ফলতঃ প্র সকল ফসল রীতিমত উৎপন্ন হইলে, তাহা বিক্রয় করিয়! যাহ। আয় হইবে, তাহাতে পুক্ষরিণী খননের ব্যয়টাও উঠিয়া] বাইতে পারিবে আর, পুফষরিণীতে রীতিমত মৎস্য বড় হইলে, ভবিষ্যতে জলকর বৃদ্ধি এবং আয়ের প্রধান কারণ বলিলেও অতুযুক্তি হয় না) এবং পুষ্করিণীর জল জীবজস্ততে বারমান পান করিলে, তাহাতে পুণ্যপুঞ্জ লা হইয়া, ইহ জগতে অক্ষয় কীর্তি রহিয়া যায়।

শিষ্য। পুষ্করিণী খনন করা বড়ই ীভাগ্যের কথা !

গুরু সৌভাগ্য বইকি! 'তাহ! না হইলে, বলিৰইবা কেন ?

শিষ্য। পুক্ষবিণী খননের ব্যয়ট!। কত দিনে উঠিতে পারে ?.

গুরু বীতিমত বাগান করিতে পারিলে, সমন্ত কার্ষেে

১৮ 'কৃষি-পগ্রণালী |

যত টাকা ব্যয় হয়, তিন ধৎসরের মধ্যে মায় হুদ সমেত তত টাকা উঠিতে পারে।

শিষ্য) তবে পুফরিণী খনন করিতে হইলে যাহ! যাহ আবশ্ঠক, তাহা বিস্তারিত রূপে বলয়! দিউন।

গুরু। তাহার জন্ত তোমার কিছু চিত্ত নাই বাপু! আমি ক্রমশঃ সমস্তই বলিয়া দিব, জঙীটণ অগ্রেস্থির হইয়া! যাউক।

শিষ্য যে আক্তা, তবে তাহাই ভাল।

এমন সময় পুনর্ধধার সেই জমী বিক্রয়কর্তা উপস্থিত হইয় বলিল, নমস্কার বাবু!

বাবু বলিলেন, সেদিন তোমার জমী দেখিয়া আমরা আসিয়াছি, কিন্ত তত ভাল বোধ হইল না, যাহা হউক, এক্ষণে কত টাক? হইলে বিক্রয় করিতে পার ?

বিক্রয়কর্তা বলিল, ছয়শত টাক1।

বাবু বলিলেন, সকল স্থানের ১১/ বিঘা জমীর উচিত

মূল্য কি ছয়শত টাকা হইয়া থাঁকে কর্তা ! ঠিক কথ! বল, তাহা ,

হইলে কল্যই আমরা লেখাপড়। করিব।

বিক্রয়কর্তী বলিল, আমি বড়ই নাঁচারে পড়িয়াছি, তাহ! নাহইলে জমীর দর আটশ টাক হইত) বিশেষ টাকার আবশ্তক হওয়ায় আটপর স্থানে ছ-শ বলিতেছি, তাহাতে যদি আপনাদের মত ন। হয়, তবে লইয়া কাঁজ নাই।

বাঁবু বলিলেন, তবে এক্ষণে মামি মূল্য অবধারিত করিতে পারিতেছি না, তুমি কাল একবার এস।

বি। আচ্ছা, বলেন আদি।

বাবু। এস, এস।

কষি-প্রণালী। ১৯

তংপরে শিষা মহ! আনন্দিত হইয়া! গুকদেবকে বলিলেন, প্রভোৌ! সেই জমী-বিক্রয়কর্তী আঁসিয়াছিল। দরের কথা জিজ্ঞাস! করায়, সে ছয়শত টাকা বলিল, আপনি কি বলেন ?

গুরু ছয়শত টাক অধিক দর হচ্ছে না? টানাটানি করিয়া আর একশত কমাতে পারিলে ভাল হয়।

শিষ্য কাল তাহাকে আপিতে বলিয়াছি, দেখি যদি

কিছু কমাতে পারি।

তংপরদিন বিক্রয়কর্তী আসিল, অনেক রকম চেষ্টা করিয়া পাচশত টাক] জমীর মূল্য অবধারিত হওয়ার, বিক্রয়-কর্তা নিয় লিখিত বিক্রয়-কবাঁল। লিখিয়। রেজেষ্টারী করিয়া দিল

শ্রাশ্রীহরি শরণং। শি র্‌ বিজ্রয়কবল!। চি ষ্ঠ

ক্রেতা মান্তবর শ্রীযুক্ত বাবু নিবারণ চন্দ্র ঘোষ, পিতা ঠাকুর চরণ ঘোষ, জাতি কায়স্থ, পেষা ক্লষিকাধ্য, সাঁং বলা- গড়, পুলিশ ষ্টেশন কলারাঁও, ভিষ্রী্ট আলিপুর, সবডিট্রীক্ট বারাঁসৎ, জেলা ২৪ পরগণা, পং আঁমিরাবাদ, সবরেজেষ্টরী দম্দম]। মহাশয় বরাবরে

বিক্রেতা-- লিখিতং শ্রীরাঁজচন্ত্র দাস, পিতা! হরিহর দাঁস, জাত্তি কৈবর্ত, পেষা কৃষিকার্ধয, সাং লওদা, পুলিশ ষ্টেশন গাইঘাউজ্জ জেল! ২৪ পরগণ। সব ডিষ্রীক্ট বসীর হাটি, পর- গণে উথুড়া সব রেজেঞ্টরী দম্দম]।

কন্ত লাখেরাজ নিষ্র ভূমির মৌরসন্বত্ব বিক্রুপ্প কবল! পত্র- মিদং সন ১২৯৯ সালাব্ে লিখিতং কার্যযনধাগে, জেল! ২৪ পর-

২০ _ক্কুষি-প্রণালী

গণা, গরগণে কলিকাতা, পুলিশষ্রেনন দমদমা, ঈবরেজেষ্টরি রাণা- ঘাটের এলাকাঁধীন মৌজে আলমপুরের জমীদার শ্রুল শ্রীযুক্ত বাবু নীলকমল রায়চৌধুরী মহাশয়দিগের অধিকারে আমার পৈত্রিক ম্বোপার্জিত যে সমস্ত জমী জমা আছে, তন্মধ্যে গ্রামের উত্তরাংশে নিমুরায়ের জোল নামক, নিমের চৌহদ্দিস্থিত একবন্দ সালি জমি ১৯/ বিঘা, আমি মোকাম খড়দহর শ্রীউমা- নাথ বিদ্যাবাচম্পতি মহাশয়ের নিকট বার্ষিক (৩) তিন টাক] হারে খাজনা অবধারিতে মৌরনী কায়েমীপাস্টরা লইয়া ঠিক! প্রজা বিলির দ্বারা নাগায়েত নির্বিবাদে ভোগ দখল করিয়া আসি- তেছি। এইক্ষণ আমার কিছু টাকার আবশ্ঠক হওয়ায়, উপ- রোক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করণের ইচ্ছুক হইয়! মহাশয়ের নিকট প্রস্তাব করায়, মহাশয় খরিদ করিয়া লইতে প্রস্তত হওয়ায় নিম্নের চৌহদ্দিস্থিত কমবেশী ১১/ বিঘা! জমী তদোপরিস্থিত আকর আওলাৎ সহ দরবন্তো হকুক এইক্ষণকার সময়োচিত মুল্য কোং (৫০০) পাঁচশত টাক! অবধারিতে মহাশয়ের নিকট বিক্রয় করিয়। নিঃস্ব হইলাম। মহাশয় অদ্য তারিথ হইতে প্রাগুক্ত সম্পত্তিতে আমার শ্বত্বে শ্বত্ববান্‌ দান বিক্রয়ের স্বত্বাধিকারী হুইয়! উল্লিখিত বাচস্পতি মহাশয়দিগের সরকারে আমার নাঁম খারিজে, নিজ নাধ্রঁ জম! জমী লেখাইয়া সন সন দেয় খাজনা আদায় পূর্বক, পুত্রপৌত্রাদি (স্থলাভিসিক্তগণ) ক্রমে, ভোগ দখল করিতে রছেন। কম্মিনকালে আমি কি আমার গুয়ারিসন্‌ বা স্থলাভি পিক্তগণ আপনি কিম্বা আপনার ওয়ারিসন্‌ ঘ! স্থলাভিনিক্তগণের নিকট কোন দাবি দাওয়। করিতে পাঁরিব না পারিবে ন!। ষদ্দি ক্ষরি কিম্বা করে, সে সর্ধতোভাবে বাতিল ঝুট! ন!

, ফ্ৃষি-প্রণালী। ২১

মঞ্ুর। এতদর্ধে আপন খুসিতে, বিন! অনুরোধে) সুস্থ শরীরে, বহাল তবিয়তে, হু'ষ মেজাজে, বিলক্ষণ বুজসমজে, উপরের লিখিত পপবাহার, মবলগ মজকুর দস্তবদস্ত বুঝিয়! লইয়া এবং জনীর দলিলাৎ যাহ! কিছু আমার নিকট ছিল, মহাশয়কে অর্পণ করিয়া, অত্র সাঁফ বিক্রয-কবল! লিখিয়! দিলাম ইতি সন সদর- তারিখ ২০শে কার্তিক।

চৌহদ্ি।

আসামী জমী পূর্ব দক্ষিণ পশ্চিম উত্তর মোট ১১/বিঘ! |উমানাথ রায়ের | সরকারী | দিগন্বর গোষের | কেদারনাথ

জমী রাস্তা জমী মুখোপাধ্যা- ফের জমী ইসাঁদি। শ্রীনিমাইচীদ মগ্ুল। শ্রীদিননাণ রাক। সাং জঙ্গল। সাং বলাগড় নবিসিন্দ1। শ্ীকালীকষ্ণ দান। সাং বলাগড়

শিষ্য প্রভে1! আপনার আশীর্বাদে জমীর বন্দবস্ত হইয়া গেল, এক্ষণে পুফরিপী খনন করিতে কি কি আবশ্তাক হইবে, তাহ বর্ণনা করুন।

২২ কৃষি-প্রণালী।

গুরু। জমীখানি যেমন ঠিক হইল, তাহার মত একটী তবন্দবন্ত কর! আবশ্তক হইতেছে।

শিষ্য কি বপবন্ধবস্ত প্রভো। ?

গুরু। কথাট। এই,__যেস্থানে পুফরিণী খনন করিতে হইবে, সেই স্থানটী বাদ রাখিয়! বক্রী সমস্ত জমীতে একবার কি ছইবার লাঙ্গল দ্বারা চাষ দেওয়া! আবশ্তক।

শিষ্য কেন প্রভো! যেস্কানে মাটা চাপা পড়িবে, সেই স্থানে অগ্রে চাষ দিয়! বুথ! খরচ বাঁড়াইবার আবশ্তক কি?

গুরু তাহার কারণ এই যে,__পুঙ্করিণী হইতে যে মাটা তুলিয়া বাগানে ছড়াঁন হইবে, তাহা বোধ হয় বা ১॥ দেড় হস্ত উচ্চ হইবে, যদি ছুই হস্ত পরিমাণে উচ্চ হয়, তাহ! হইলে চাঁষ ন। দিলেও চলিতে পারে।

শিষ্য নেকি প্রভো ! এতবড় পুঙ্ষরিণীর মাটাতে জমীখানি ছুই হস্ত উচ্চ হইবে না?

গুরু। তাহা কি হইয়া থাকে বাপু! তুমি লেখ! পড়া জান, কালি করিয়া! দেখ না কেন কত হাজার ফিট মাটী উঠিবে সমস্ত জমীতেই বা কত লাগিবে।

শিষ্য তাহা সময়ানুলারে দেখা যাইবে এক্ষণে মোটের উপর কথ। এই যে, পুর্বে জমীতে চাষ না দিয়া তিন ফিটের কম মাটী ফেলিয়া! যদি ঘাস ইত্যাদি চাপা দেওয়া যায়, তাহ! হইলে বিশেব কোন হানি হয় কি?

গুরু বিশেষ হানি হয় বইকি ! আচট জমীতে যে সমস্ত ঘাস চাঁপা পড়িবে, তাহা বৎসরাবধি মরিবে না» এবং যাঁদ উলু কিন্বা কেশেঘধাস থাকে, ভবিষ্যতে তাহ! নিশ্চয় ফুটিয়! উপরে ভাসিয়

কষি-প্রণাণী | ২৩

উঠে। এবং অ।চটজমীতে ফেল। মাটীতে ২৩ বৎসরেও সংলগ্ন হয় না। কারণ, পতিতঙ্গমী লোকজন পশু প্রভৃতির পায়ের চাপে মাটী রীতিমত জমাট বাঁধিয়া থাকে।

শিষ্য প্রভো ! লাঙ্গল দ্বারা চাষ ন! দিয়! কোদাল বারা চাষ দিলে কি চলিতে পারে না?

গুরু হাঁ, হইতে পারে, বরং ভাল হয়।

শিষ্য। তবে দিরকে এই লময় লাগাইয়। দি।

গুরু | কিন্ত দিরূকে একটা কথ। বলিয়। দিও--কোদাল হারা কোপাইবার সময় জংলি গাছের গোড়াগুলি যেন রীতিমত বাছিয়া ফেলে

শিষ্য যে আক্তঞ1, এক্ষণে পুক্করিণী খননের বিষয় বিস্তারিত- রূপে উল্লেখ করুন।

তৃতীয় অধ্যায়।

টি খননের ব্যবস্থা |

গুরু পুক্কারণী খনন করিবার জন্ত, প্রথমতঃ একশত ঝুড়ি 9 পচশখানি কোদাল খরিদ করিয়। আনিতে হইবে তৎ- প্রে কোন লোক দ্বারা কোড়ার দফাদার অর্থাৎ মাঁটা কাটার স্দীরকে ডাকা ইয় সাহার সহিত রীতিমত চুক্তি করিয়! পুষক্ষ- প্রিণী খননে নিযুক্ত করিতে হইবে।

শিষ্য মাটী কাটার সর্দার কোথায় থাকে তাহা আমি জানিনা, কাঁহাকেই ব। ডাকিতে বলি, কেইবা তাহাকে চিনে তাহাও বলিতে পারি ন1। জুতরাং এক ধর্য কিরূপে সমাধা হুইবে ?

২৪ কৃষি-প্রণালী।

গুরু। কেন, দিরে জানে, সে চাষার ছেলে, মাটা কাট। সর্দারের খবর বেশ রাখে, তাহাকেই ডাকিয়া! দিতে বল।

শিষ্য। যে আজ্ঞা, তবে দিক্ধকে ডাকাইয়। আনাই

গুরু কাহাকে পাঠাইবে ?

শিষ্য। রাখালকে 1

গুরু। ভাল, ভাল, রাখালকে পাঠাইলেই ঠিক্‌ হইবে।

যথ! সময় দির, বাবুর সন্নিধানে উপস্থিত হইয়া বলিল, ছেলাম গো বাবু! আমাকে খবর করেছেন কেন?

বাবু। তোমাকে আর একটা কর্ম করিতে হইনে। শীঘ্ব একজন মাটী কাটার সর্দার (যাহাকে দফাদার বল! যায়) তাহাকে ডাকিয়া আন।

দির। মুই না করিলে কাজকে কর্বে বাবু! তাকে কিসের লেগে খবর করছেন ?

বাবু। আমি একটী পুফকরিণী কাটাইব।

দির রেশ, বেশ, তবে আমি একজন দ্ফাদারকে ডেকে আন্ছি।

বাবু। তবে আর বিলম্ব করিও না শীপ্ত যাও

দির। ছেলাম বাবু ! তবে মুই চল্লাম।

তংপরে পুক্ষরিণী সন্বন্বীয আর আর আবশ্তকীয় বিষয় [লোচন। হওয়ার, গুরুদেব বলিলেন, পুস্করিণী খনন করিবার জন্ত একটা শুভদিন আবশ্যক হইতেছে

শিষ্য আপনি গুরুদেব, শুভ অস্ুভ আপনিই স্থির করি- বেন, আজ্ঞ! করুন, যে দিন শুভ. হইবে, পেই দিনেই কার্ধয আরম করিব।

কৃষি-প্রণালী। ২৫.

গুরু ভবে পঞ্জিকাখান! আনিয়া! ঘ[ও, দিন্ট! স্থির করিয়া! ফেল! ধাউক।

শিষ্য পঞ্জিকা আনয়ন পূর্বক গুরুদেবের হস্তে প্রদান করিলেন। গুরুদেব পঞ্জিক। পাঠ করিয়া বলিলেন, উপস্থিত পুফরিণী খনন করিবার শুতদিন পাঁওয়! যাইতেছে না। অগ্র- হায়ণ মাহার ৪ঠ1 তারিখে যে শুভদ্িন আছে, তাহ! খুব ভাঁল। আমার মতে দিনে পুক্ষরিণী খননের কার্য আরম্ভ করিলে ভাল হয়।

শিষ্য যেআজ্ঞ আপনি যাহা স্থির করিবেন, তাহাই আমার শিরোধার্য্য

এমন সময় দির, একজন দফাঁদারকে সঙ্গে লইয়া! উপস্থিত হইল এবং বলিল, ছেল।ম গো বাবু! এই দফাদার আপি- য়াছে।

বাবু। বেশ, বেশ, তুমি কি পুকুর কাটার কাজ করিয়! থাক ?

দফাদাঁর। আঁঙ্ঞ! হা! মশাই !

শিষা। দফাঁদারের সহিত আর কোন কথা না কহিয়া, গুরুদেবকে সংবাদ দিলেন

তৎপরে গুরুদেব বাহিরে আসিয়া বলিলেন, কোই ফাদার? এই দিকে এন।

দকাদার নিকটবর্তী হইরা, প্রণাম পুর্বক কহিল, মশাই কি 'আজ্ঞ। হয় বলুন।

গুরুদেব বলিলেন, তুমি কি মাঁটীকাটার সর্দারী কাজ করিয়। থাক ? তোমার নাম কি ?

(৩)

২৬ কৃষি-প্রণালী

দফাদার বলিল, আজ্ঞা ই! মশাই, আমার নাম ছিষ্টিধর চৌং।

গুরুদেব বলিলেন, তুমি কি জাত বাপু ?

স্প্টিধর। আমি দক্ষিণআঁড়ি কৈবর্ত।

গুরু। ভাল, ভাল, বস, আশীর্বাদ করি সুখে থাক। তামাঁক খাঁও। আচ্ছা স্থগ্িধর ! তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, তুমি পারিয়া উঠিবে কি?

হৃষ্টিধর। কি কথ! মশাই ?

গুরু কথা এই--আমাঁর শিষ্য একটা পুক্করিণী কাটাঁ- ইবে, সেই কার্য্যের ভার তোমাকে লইতে হইবে

স্থষ্টিধর। তাহার জন্ত আপনাদের ভাবনা কি ! আমাকে যেমন পুকুর কাটাইয়া দ্রিতে বলিবেন, ঠিক সেইরূপ কাটা- ইয়া দ্িব। আমি কত বড়' বড় লোকের ঝিল, পুকুব কাটাইয়া দিয়া আপিয়াছি, আপনাদের বোধ করি, ছোট পুকুর হইবে, ভাহার জন্ত চিন্তাকি? এখন দরদামে বনাবনি হলেই হয়।

খরু কি হিসাবে দর লইবে বল।

স্ষ্টি। আপনি বিজ্ঞলোক, আপনার কাছে আমি আর কি দর দিব মশাই !

গুরু তাহীকি হুইয়। থাকে বাপু! তোমার যাহাতে পৌধাঁইবে, তাহাই বলিবে। আমি ব্রাহ্গণ, আমার কাছে মিথ কথা কহিওন, পাঁচ জায়গায় উচিত দর যাহ! পাইতেছ তাহাই বল, আমর! দিতে প্রস্তত আছি।

ৃপ্টিধর | আমি মিথা। কথার লোক নগ্ন মশাই ! একাজ করি আর নাই করি, ঠিক কথ! বলিব। কেননা, আজকাল চালের

কষি-প্রণাণী। ২৭

বাজায় বড়ই আক্রা, কুলি মজুর অল্প দরে পাওয়া যাঁয় না, লাভ করিতে এসে, শেষে কি লোক্‌সান্‌ দিয়ে যাঁব মশাই !

গুরু সেকি কথা! লোক্সান দেবে কেন, বাপু ! তুমি একজন পাকা লোক, তোমার কি কোন কার্যে লোক্মান হইয়া থাকে, কীচা লোকেরই লোক্সান হয়।

স্বট্িধর। আপনার আশীর্ধাদে তাহা ন! হইলেই ভাল। কিন্ত আর একটী কথা আপনাকে নিবেদন করি, যে স্থানে পুফরিণী হইবে, সেই পুক্প্পিণীর চতুর্দিক পাড়ের উপর কেবল মাটী কাড়ি করিয়া রাখিতে হইবে, না বাগানে সমস্ত ছড়াইয়! দস্তরমত সমান করিয়া দিতে হইবে ?

গুরু। হাঁ, হা, তাইত বলি কার্যের লোক না হইলে কি কার্যের কথা বুঝিতে পারে !

স্থছিধর আপনারা যাহা বলিবেন, তাহাই করিয়! দিব, কিন্তু ঠাকুর ! তাহার মধ্যে আর একটী কথা" আছে।

গুরু কিকথাবাপু?

সৃষ্টিধর। কথাটা এই, পুকুর হইতে মাটা তুলিয়া, সমস্ত বাগানে ছড়াইয়! সমান করিয়া দিতে হইলে, তাহার মজুরী স্বতন্ত্র। মাটীর দৌড় না বুঝিয়াদর ঠিক করিতে পারিতেছি না।

গুরু ই, ই, বটে, বটে! আচ্ছা, তবে কল্য বৃহস্পতি বার, বার বেলাও পড়িতে পারে, শুক্রবার দিন প্রাতঃকালে এখানে উপস্থিত হইও, আমি সঙ্গে করিয়! তোমাকে বাগানে লইয়া যাইব মাঁটী কিরূপে বাগানে ছড়াইয়। ফেলিতে হইবে, তাহাও দেখাইস্ব। দ্রিব। তুমি মাটার দৌড় বুঝিয়া আপনার মন্কুরীগণ্ড ধার্য করিয়! লইবে।

২৮ কষি-প্রণালী

স্থষ্টিধর। যে আজ্ঞা, তবে আজ আমার আর কোন কথ 'নাই, আপনার কথামত শুক্রবারে আপিয়া দর ঠিক করিয়া .লইব ; আজ বেল নাই, অনেক দূরে যাইতে হইবে, গণাম হুই, আশীর্বাদ করুন।

গুরু কল্যাণ হউক

ততপরে শিষ্য গুকদেবকে বলিলেন, প্রভেো ! আপনি ষে, দফাঁদারের সহিত কথা বার্তী করিলেন, উহাঁর দ্বারা এই গুরুতর কার্ধয সমাধা হইবে কি?

গুরু হা বাপু! দফাঁদারটী একজন পাকা লোক, কাজের কাজী বটে, এক্ষণে তোমার ভাগ্য

শিষ্য। কিরূপ নিয়মে দর লইবে তাহার কিছু কত হইল কি ?

গুরু। নাবাপু! চুক্তি না হইবার কারণ এই যে, সে এই কথ! বলিল, পমাটার দৌড় বিবেচনায় চুক্তি হইবে” একথাটা৷ অনঙ্গত নহে, মাটী কাটার দরচুক্তির নিয়ম শী রূপই হইয়া থাকে বটে। স্থানান্তরে থাকিয়া পাক চুক্তি হইতে পারে না, সারে জমীত্তে উপস্থিত হইড় মাঁটার বৌনি বিবেচনায় দর চুক্তি হইলে ভবিষ্যতে আর কোন গোলযোগ করিতে হইবে না। তজ্জন্যই তাঁহাকে শুক্রবারে প্রাতঃকালে আসিতে বলিয়াছি, সেই দিনে সকলে বাগানে উপস্থিত হইয়া, সকল কাধ্যের মীমাংসা করিয়া ফেলিব। তুমি কিছু টাকা, আট আনা দামের ্ট্যাম্প এক খান সংগ্রহ করিয়া! রাখ

শিষ্যা টাকার, যোগাড় একরকম করা ইহয়াছে, তবে ষ্ট্যাম্প খানা আনাইতে হইবে। আর অন্য যাহা।

কষি-প্রণালী ২৯

আবগ্তক, তাহা এই মময় বলুন, তাহাঁও আনাইয়া রাখিব

গুরু ভাঁল কথা মনে পড়েছে বাপু! কিছু বেটের দড়ি আনাইতে হইবে।

শিষ্য বেটের দড়ি কেন প্রভো ?

গুরু হায় আমার অদৃষ্ঠ ! বেটের দড়ি কি হইবে তাঁহাঁও জান না। দড়ি ফেলিয়া! জমীর অংশ করিয়া, পুক্ষরিণীর স্থান নির্ণয় করিতে হইবে এবং পুঙ্করিণীর স্ত্রপাত করিতেও কিছু দড়ির আবশ্তক হুইয়! থাকে

শিষ্য তাহার অভাব কি প্রভে। ! চিন্তের মা দিবারাত্র বেটে কাটে, প্রাতঃকালে রাখালকে খাঠাইলেই আনিয়া! দিবে। তবে ্ট্যাম্প খানার জন্তই বড় গোলষোগ দেখিতেছি। ভেগার নিকটে নাই, যে শীঘ্র আনাইয়! দিব,এখ্খান হইতে প্রায় এক ক্রোশ যাইতে হইবে, ষ্ট্যাম্প না হইলে কি চলিতে পারে ন।?

গুরু নাবাপু! ষ্র্যাম্পখানি বিশেষ আঁবশ্তক হইতেছে, কেন না, দফাদারকে অগ্রিম কিছু টাকা দিতে হইবে, আজ কাল যেরূপ সময় পড়িয়াছে হটাৎ কাহাকেও বিশ্বাম কক্ষ যায় না, পাকা বন্দবস্ত না করিয়া] কোন কার্ধ্ে ব্রতী হইলে ভবিষ্যতে গোলযোগে পড়িতে হয়, তজ্জন্ত বলিতেছি যে, একথানি আট আন! মূল্যের ্ট্যাম্প আনাইয়া দফাদারকে যে অগ্রিম টাক! দেওয়! হইবে, তাহার রসিদ এগ্রিমেন্ট পত্র লিথিয়া লইন্ডে হইবে।

শিষ্য। তবে তষ্ট্যাম্প থানার বিশেষ আবশ্তক দেখিতে ছি, স্থতরাং কল্য প্রাভঃকশ্রে আমি নিক্ষে গিয়। খরিদ ফরিয়া

চে

৩৩ কৃষি-প্র ণাঁলী।

আনিব। আর আপাততঃ কল্য কত টাকার আবহক হইষে, তাহা বলিয়! দিন, আমি মজুত করিয়া রাখিব

গুরু পঞ্চাশ টাকা।

তৎপরে শুক্রবার দিন স্ষ্টিধির আসিয়া গুরুদেবকে প্রণাম পুর্ব্বক কহিল, ঠাকুর মহাঁশয় ! আশীর্বাদ করুন।

গুরু এস বাপু! স্থখে থাক।

স্ষ্টিধর। তবে আজ মাটীকাটার দরটা চুক্তি করিয়! দিবেন কি?

গুরু | তার আর ছুই কথ! আছে কি! চল তবে বাগানে যাই। আর এই দড়ি কাটারীখানি লইয়া অপর একজন লোক ডাকিয়া সঙ্গে করিয়াঁলও।

হ্টিধর | আচ্ছা, আপনারা অগ্রসর হউন, আমি সমস্ত যোগাড় করিম পশ্চাতে পশ্চাতে যাইতেছি।

গুরু তবে শীত এস, বিলম্ব করিও না।

শ্য। যে আজ্ঞা, চলুন।

ক্ষণেক পরে সকলে বাগানে উপস্থিত হইয়া, জমী শীর্ঘে প্রস্থ মাপ করতঃ, পুঙফ্করিণীর স্থান চিত্রিত করিলেন, এবং যথা রীতিতে পুক্করিণীর স্ুত্রপাত “করিয়া, গুরুদেব বলিলেন, 'এই বাপু! পুকরিণীর সথত্রপাত হইয়া গেল, এক্ষণে সৃষ্টি- ধরের সহিত মজজুরীর চুক্তি হইলেই কার্য আরম্ভ হইতে পারে।

স্থ। দরের বিষয় চুক্তি হইবেই, কিন্তু অগ্রে কিছু টাকা দিতে হইবে ঠাকুর !

গুরু তাহার জন্ চিন্তা নাই, পাবে--পাবে।

কষি-প্রণালী। ৩১

হ্থ। না তাই অগ্রে বলিয়া রাখিতেছি। তবে পুকুর কাটার সমস্ত মাটী কিন্ধপে ফেলিতে হইবে, তাহা বিস্তারিত রূপে বলিয়া দিউন।

গুরু। পুষ্চরিণী হইতে যে সমস্ত মাঁটী উঠিবে, তাহ! এমন ভাবে বাগানে ফেলিতে হইবে যে, যেন উচু নিচু সমস্ত জমী ভরাট হইয়! সমান হয়।

স্থ। তাহার জন্য আপনাদের কোন চিন্তা নাই, আমি সমস্তই ঠিক করিয়া দিব। কিন্তু আর একটী কথা নিবেদন করি এই যে, পুকুরের ঢাল কিরূপে মানাইতে হইবে ?

গুরু হা বাপু! ভাল কথা মনে করিয়াছ বটে,--পুষফষরিণীর চাল বেশী পরিমাণে খাড়। করা হইবে 'না, কারণ, বাগানের মধ্যস্থলের পুফরিণী, চারিদিকে গাছপালা, শাঁকূশবজী করিলে, তাহাতে যথা সময়ে জল দিতে হইবে, তজ্জন্যই একটু বেশী পরিমাণে গড়ানে ঢাল করা নিতান্ত আবশ্তক হইতেছে এক ফুটে মওয়া ছুই ফিট ঢাল রাখিয়া! কাধ্য করিতে হইবে।

শিষ্য। প্রভো ! একফুটে লওয়! ছুই ফিট ঢাল রাখিয়। কার্ধ্য করিতে হইবে, তাহ। আমি ভালরূপ বুঝিতে পারিতেছিনা

গুরু এক ফুট গভীর স্থানে সওয়! ছুই ফিট ঢাল থাকিলে তাহাকে এক ফুটে সওয়1 ছুই ফিট ঢাল কহে।

স্য। যেআজ্ঞ!, ওরূপ কার্ধ্য অনেক স্থানেই করিয়াছি।, এক্ষণে দেখিতেছি যে, মাটার বৌনি অনেক পড়িবে, চতুর্দিকের দূরত! স্থির করিয়া একটা! চুক্তি করিলে ভাল হয়।

গুরু। তুমি এককালে ঠিক করিয়া বল, পরে যেন দশ জনে অন্যায় না বলে।,

৬২ কষি-প্রণালী

স্থ। গভীর কত ফুট করিতে হইবে।

গুরু সকল স্থানের প্রথ! যেরূপ সেইরূপ করিতে হইবে।

স্থ। এসকল শ্থানে এক রকম নিয়মে পুক্ষরিণী খনন করা হয় না। যেপুফ্করিণী এক বিঘা কি দেড় বিঘা হইবে, ভাহাঁর গভীর ১৫১৬ ফিট পর্যযস্ত হইয়া থাকে। কিস্তু পুক্ষরিণীর গভীর ২০ ফিট না করিলে চলিবে না, যেহেতু মাঁপে ছুই বিঘা পুষ্করিণী হইতেছে আর এককথা, আমরা এক নিয়মে কার্ধ্য না করিয়া! ২৩ নিয়মে করিয়া থাকি যথা, উপর্র হইতে ফিট গভীর পর্য্যন্ত এক দর ফিটের নিচে ১০ ফিট পর্য্যস্ত উপরের দেঁড়া দর। ১* ফিটের নিচে হইতে ১৫ ফিট পর্য্যস্ত উহারও দেড়া দর। ১৫ ফিট হইতে ২০ ফিট পর্ধ্যস্ত তাহারও দেড় দর। আর এক রকম পৃথক নিয়ম, আগাগোড়া একদর।

গুরু। হাবাপু! তোমার পুষ্করিণী খনন প্রণালী আমি সমস্তই বুবিতে পারিয়াছি। তন্মধ্যে আগাগোড়া দরের কথা 'যাহা উল্লেখ করিলে, তাহাতেই আমাদের মত আছে, তুমি সেইরূপ দর ঠিক করিয়া পাঁক। বন্দবন্ত করিয়া লও

স্থ। তাই ভালঠাকুর! ঢাঁল ছাড়! প্রতি হাজার ফিট (যাহাকে একটী পাক চৌক] বল্লা যায়) তাহ! (তিন) টাকার “কমে করিতে পারিব না। আর ঢাল যাঁনান, ঘা বসান, '«প্রতি হানার ফিট ৪২ টাকার হিসাঁবে পড়িবে।

গুরু। আচ্ছা বাপু, তাহাই পাইবে, কিন্তু কা্যগুলি যেন বেশ পরিফ্াররপ্পে করা হয়। আর কত দিনের মধ্যে সমস্ত কার্ধ্য সম্পন্ন করিয়া দিতে পারিবে?

কৃষি-প্রণালী। ৩৩

স্থ। তাঁহার জন্য, আপনাদের কোন তিস্তা নাই, পরে দেখিলেই জানিতে পাবিবেন। আর ছুই মাসের মধ্যে সমস্ত কার্ধয শেষ করিয়। দিব

গুরু। তবে আর আমরা কোন কথ! বলিতে ইচ্ছা করি না, টাকার যদি কিছু আবশ্তক হয় অগ্রে লইতে পার।

স্থা। যেকআআজ্ঞ, টাকার বিশেষ আবশ্তক হইবে বইকি, আপাততঃ কোঁড়াদিগকে অন্ততঃ ২।১ টাকা করিয়! অগ্রিম দিতে হইবে।

গরু তবে বাটীতে, চল, আপাততঃ পঞ্চাশ টাকা দিব।

স্য। যে আজ্ঞা, তবে চলুন।

তংপরে গুরুদেব বাটী-আলিয়! স্থপ্টিধরকে কহিলেন, এই পঞ্চাশটা টাক! অগ্রিম লইয়া ছই মাঁস মেয়াদে একখানি এগ্রিমেন্ট পত্র লিখিয় দাও

স্য। তাহা উভয়েরই পক্ষে ভাল। কিন্তু দরদাম গুলি একটু পাঁকা করিয়া! লেখ! পড়া করিলেই ভাল হয়ূ। আর বাকী টাকাটা কয় ওয়াঁদার পাইব তাহার একটা ঠিক হওয়া চাই।

গুরু তাহ! সমস্তই ঠিক হইবে বইকি।

স্য। তবে আর আমার কোন আপত্য নাই।

গুরু তবে এশ্রিমেপ্ট পত্র লেখা হউক, তুমি সহী করিয়া দিও

স্থ। যে আজ্ঞা, লেখা হউক

৩৪ কৃষি-প্রণালী।

শ্রীপ্নী৬ঠকালী:মাতা- শ্রীচরণ ভরস।। 8 এগ্রিমেন্ট পত্র তক £29 পরী টি +2 (হা চ্

মহামহিম শ্রীযুক্ত বাবু নিবারণচন্্র ঘোঁষ, পিতা ঠাকুর- চরণ ঘোষ, জাতিকায়স্থ, পেস! কৃষিকার্ধ্য জমীজমার উপস্বত্ব- ভোগী, সাং বলাগড়, জেল! ২৪ পরগণা, পরগণে আমিরাঁবাদ, ভিন্রীক্ট আলিপুর, সব ডিঃ বারাঁসত, পুলিশষ্টেসন সব বেজেইরী দমদম! মহাশয় বরাবরেষু ।--- লিখিতং শ্রীস্থতিধর চৌং, পিতাঁর নাম গৌরগোবিন্দ চৌত জাতি কৈবর্ত, পেস! মাটার কার্ধ্য, সাং গৌরীপুর, জেল! ২৪ পং পরগণে আনরপুর, ডিগ্রী আলিপুর, সব ডিস্রীক্ট বারাসত, পুলিশ-ছ্েসন সব রেজেইরী দমদম! | কম্ত পুক্ষরিণী খননের এগ্রিমেন্ট চুক্তিপত্র মিদং সন ১২৯৯ সালাব্দে লিখিতং কার্য্যানঞ্চাগে আমি আপনার নূতন বাগানের মাটীর কার্ধ্য অর্থাৎ পুফরিণী খনন এবং প্রী সমস্ত মাঁটা, স্ামু- দায়িক বাঁগানক্ষেত্রে চৌরসকার্ধ্য করণাভিপ্রায়ে আপনার নিকট উপস্থিত হইয়!, মাটী কাটাই, ঢোলাই এবং ছড়াঁন প্রতি হাজার ফিট মজুরী ৩২ (তিন) টাক] ঢালমানান, ঘাস বসান ৪২ হিঃ অবধারিত করিয়া, অত্র এগ্রিমেন্টপত্র লিখিয়া, প্রতিজ্ঞা করিতেছি যে, দুইশত ফিট লম্বা এবং দ্েড়শত ফিট চৌড়া এবং কুড়ি ফিট গভীর এই পুক্ষরিণীর মাটী সমস্ত অদ্য হইতে ছুই মাসকাল মধ্যে

কষি-প্রণালী। ৩৫

জন মুর, কোঁড়। লাগাইয়া! কাটাইয়! লেবেল করিয়া দিব, মাটা কাটিতে এবং ঢোলাই করিতে, ঝুড়ি এবং কোদাল সিউনি তক্তা রূসী যাহা কিছু আবশ্তক হইবে, তাহা মহাশয়ের সর- কার হইতে পৃথক পাইব। ইহা ব্যতীত মহাশয়ের অন্ত কোন খরচ লাগিবেক না, তবে মাঁটী কাটার কোড়াদিগের জলখাবার তাঁমাঁক পৃথক্‌ সরকার হইতে নিত্য পাইব। না করুন, যদ্দি পুক্ষরিণী খনন করিতে করিতে আকাশের বৃষ্টিপাত হইয়া খাদে জল হয়, কিন্বা সরানি জল,.চৌক। হইতে নির্গত হয়, তাহ আমি নিজ খরচে সেচাই করির। কাঁধ্য সমাধ। করিয়া! দ্িব। ছুই মাস“ মেয়াদ মধ্যে প্রাগুক্ত মাপমত পুষ্ষরিণী সমস্ত কাটিয়া বাগানসমুহে গমন্ত মাটী ছড়াইয়1! ফিট করিণা না দিই, তবে মেরাদান্তে