শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা

মসুররাহমানে

& ০০ শ্রেষ্ঠ কবিতা

তা ম্ রি ৬১ ০৮ ধা ্ঘ টির 8

০০০৭৩ তা

| লিশিং কলকা

পাব

দে?

এরম প্রকাশ : মার্চ ১৯৫৫

ও্রচ্ছদশ্িক্পী : প্রণেন্দু পত্রী

দম 2 ২৫ টীকা

প্রকাশক 2 ওহধা২শুশেখর ০দ. দে'জ পাবলিশিং ১২০ বক্ষিম চ্যাটাজি শ্ীট, কলকাতা? ৭০০ ০৭৩

মুদ্রাকর শ্ীঅন্িজিৎ কুমার, টেক নোত্ত্রিন্ট স্কভিখির দত জেন, কলবকাতি * ০৩৬

জীবনানন্দ দাঁশ চ২০]

বুদ্ধদেব বস্তুর

স্মৃতির উদ্দেশে

ভূমিকা

শুধু দরবেশরাই পারেন পুরোপুরি নির্মোহ হ'তে তাই নিজের কবিতা বাছাইয়ের কাজ এত কঠিন একটা সীমিত জায়গায় কাঁদের ঠাই দেবে? আর কাদেরই ব৷ খারিজ করবো, এই দ্বিধ। সারাক্ষণ নির্বাচককে দখল ক'রে রাখে ভালো-মন্দের বিচার করতে গিয়ে বিড়ঘিত হ'তে হয় বারংবার | ভুর্বলতার ফাঁক ফোকর দিয়ে ঢুকে পড়ে কিছু নিকৃষ্ট রচনা! আর কোনো কোনো উৎকৃষ্ট লেখা বাঁদ পড়ে যায়। কারণেই এই বইয়ের কবিতা! নির্বাচনে নিজের মতামতকে সম্পূর্ণ আমল না দিয়ে কোনো কোনে বিদগ্ধ কাব্যরসিকের পরামর্শ নিতে প্রলুৰ্ধ হয়েছি আমার বন্ধু এবং নন্দিত কথাশিলী রশীদ করীম, যিনি সহযোগিতার ক্ষেত্রে বরাবরই উদার, কবিতা শা: কবতে আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছেন

আমার কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা একটু বেশি এর ফলে যথাসম্ভব নির্দয়তা করার পরও পাগুলিপি স্থলকায় হয়ে ওঠে বরাদ্দ পৃষ্ঠাসংখ্যার দিকে নজর রেখে পাও লিপির কাশ্যতার প্রতি মনোযোগী হতে হয়েছে এই মুশকিল আসাঁন করবার উদ্দেশ্তে আমার প্রিয় অগ্রজ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শরণাপন্ন হই কবিতা- বলীর চূড়ান্ত বাছাইয়ের কাজ তার হাতে সম্পাদিত হয়েছে ব'লে ব্যাপারটি আমার পক্ষে খুবই তৃপ্তিকর বল দরকার, জনপ্রিয় ওপন্তাসিক শংকর ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ না নিলে এই বই হয়তো৷ কলকাতা থেকে এত তাড়াতাড়ি প্রকাশিত হতো না। বইয়ের পাগুলিপি তৈরি প্রুফ সংশোধনের কাজ করেছেশ তরুণ কবি গবেষক মাস্থছজ্জীমান এদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ

আরেকটি কথা এই সংকলন গ্রন্থটিকে “শ্রেষ্ঠ কবিতার তিলক পরাতে আমার রুচিতে "বাধে কিন্তু প্রতিষ্ঠিত সিরিজের মর্যাদার খাতিরে শেষ পর্যন্ত তরুণ প্রকাশক শ্রীহ্ধাংশুশেখর দে'র সিদ্ধাত্তকেই মেনে নিয়েছি

শামসুর রাহমান

স্ুচীপত্র প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে রুপালি ন্নান | শুধু ছু টুকরে। শুকনে। রুটির নিরিবিলি ভোজ আত্মজীবনীর খসড়া | গলায় রক্ত তুলেও তোমার মুক্তি নেই নির্জন দুর্গের গাঁথা ' মানিনি জীবন সমুদ্র সন্ধানে কোনে পরিচিতাকে জানতাম একদা তোমার চোঁখে জারুলের বন ্পাঁডক্তেয় যেহেতু লৌকিকতাঁর দড়িদড়া ছি'ড়ে বেপরোয়া কবর-খোঁড়ার গান ' মদের নেশ! খাঁটি সারা জাহাঁনে ১১ পিতা | প্রাণে গেঁথে সুর্যমুখী-উশ্ুখতা খুঁজি আজো তাঁকে ১৩

বৌদ্র কল্টিু, ছুঃখ আমাদের বাঁরান্দীর ঘরের চৌকাঠে ১৭ একজন লোক লোকটার নেই কোনো নামডাঁক ১৯ আত্মপ্রতিকৃতি আমি তো বিদেশী নই, নই ছদ্ববেশী বাঁসভূমে ২০ একটি মৃত্যুবাষিকী . হয়নি খুঁজতে বেশি, সেই অতদিনের অভ্যাস ২১ স্গ্রিহতার আগে শয্যাত্যাগ, প্রাতরাঁশ, বাঁস, ছ'ঘণ্টার কাঁজ, আড্ডা ২৩ পুরাকালে পুরাঁকালে কে এক বণিক তার সবচেয়ে দামী ২৫ ব্রবীন্দনাথের প্রতি | লোকে বলে বাংলাদেশে কবিতার আকাল এখন ২৬ পিতার প্রতিকৃতি কখনে। নদীর শ্ৌতে মৃত গাধা ২৭ দুপুরে মাউথ অর্গান উন্মত্ত বালক তাঁর মাউথ অগানে ছুপুরকে ২৯

বিধ্বস্ত নীলিমা এষ'আমার সহচর | আমি এক কংকালকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটি, প্রাণ খুলে ৩৩ শৈশবের বাঁতি-অলা আমাকে ! সর্বাঙ্গে আধার মেখে কী করছো! এখানে খোকন ৩৪ জনৈক সহিসের ছেলে বলছে ! ঘোড়ার নালের মতো চাদ ৩৫ কেমন ক'রে শেখাই তাকে ! কেমন ক'রে শেখাই তাঁকে ৩৭ | নিজের বাঁড়িতে আঁমি ভয়ে ভয়ে হীটি, পাছে কারো ৩৮

প্রভুকে | প্রভু, শোনে৷, এই অধমকে যদি ধরাধামে পাঠালেই ৩৯ তিনটি ঘোড়া | তিনটি শাদা! ঘোড়া বাতাসে দেয় লাফ ৩৯ কখনো আমার মাকে | কখনো আমার মাকে কোনে গান গাইতে শুনিনি ৪০

টির

কটি চাদর ! দেখছি ক'দিন ধ'রে গৃহিণীর হাঁতে তৈরি হচ্ছে অনুপম ৪৫ মাছ মাছ তুমি প্রতিপলে করতলে হচ্ছো ম্লান যতদূর জানি ৪৬ বংশধর | যেদিন আমার পিতামহের কাঁফন-মোড়া শরীরের ওপর ৪৭ টেলেমেকাঁস | তূমি কি এখনো৷ আসবে না? স্বদেশের পৃণিমায় ৪৯

নিজ বাস

চি আমার দুঃখিনী বর্ণমালা | নক্ষত্রপুপ্রের মতো জলজলে পতাকা ৫৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ | এখানে এসেছি কেন? এখানে কী কাজ আমাদের ৫৭ হর্বতাল ! প্রতিটি দরজা কাউন্টার কন্ুইবিহীন আজ। প] মাড়ানো ৬০ আসাদের শার্ট | গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিন্বা সুর্যান্তের ৬৩

সন্ধ্যা / কোনো কোনো সন্ধ্যা] যুবতীর জলার্ত চোখের মতো ৬৪ রাজকাহিনী | ধন্য রাজ্য ধন্য ৬৫

একপাল জেব্রা ! এই ঘরের শব্দ আর নৈঃশব্যকে সাক্ষী রেখে ৬৬ প্লে একদিন ! চাল পাচ্ছি, ডাল পাচ্ছি, তেল নুন লকড়ি পাচ্ছি ৬৭'

বন্দী শিবির থেকে

তোমাকে পাওয়ার জন্ে, হে স্বাধীনতা তোমাকে পাওয়ার জন্তে ৭১ ্ধীনতা তুমি | স্বাধীনতা তুমি ৭২

কাক ! গ্রাম্য পথে পদচিহ্ন নেই গোঠে গরু ৭৪

এখানে দরজা ছিল ! এখানে দরজা! ছিল, দরজার ওপর মাধবী ৭৪

তুমি বলেছিলে | দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নয়াবাজার ৭৫

গেরিলা দেখতে কেমন তুমি? কী রকম পোশাক-আশাক ৭৬

সান্ধ্য আইন | শহরে কি আজ কেউ নেই ? কেউ নেই? ৭৭

ছুঃসময়ের মুখোমুখি | ক্ষষ্নতামাতাল জঙ্গী হে প্রভুরা ভেবেছে তোমরা ৮১ পাঞ্জাবি শিল্পী কবি, দেশী কি বিদেশী সাংবাদিক ৮২

ছুঃদময়ে মুখোমুখি | বাচ্চ, তুমি, বাচ্চ, তুই, চলে যাঁও, চলে যা সেখানে ৮৪

ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাট। ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা ! ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা, এবার আমি ৯১ মীংস্যন্তায় | জলজ ছুপুরে কিংবা টইটুম্ুর রাত্তিরে নদী ৯৩

আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি শান্তি পাই | যখন তুমি অনেক দূর থেকে ৯৭ দের্শ একিট | আমাকে যেতেই হবে যদি, তবে আমি ৯৮ একটি“কবিতাঁর জন্তে ! বৃক্ষের নিকটে গিয়ে বলি ১০০

এক ধরনের অহংকার

ঈর্ক ধরনের অহংকার | এখনো দীড়িয়ে আছি, আমার এক ধরনের অহংকার ১০৫

বুদ্ধদেব বস্থর প্রতি | বারবার স্বেচ্ছাচারী জ্যোৎন্না কেটে গিয়েছেন হেটে ১০%

এখন আমি ' এখন আমি কাঁরুর কোথাও যাবার কথা ১০৮

ছে'লবেলা থেকে 1 ছেলেবেলা থেকেই কিছু না কিছু সহসা হারিয়ে ফেলে আমি ১০৯

তোমার স্বৃতি | বুকের ভেতর সীঁকে। ভাঙে, ঘর পু'ড়ে যাঁয় ইতস্তত ১১১

আমি অনাহারী কর্বিকে দিও ন1 ছুঃখ | কবিকে দিও না দুঃখ, দুঃখ দিলে সে-ও জলে স্বলে ১১৫ আমি অনাহীরী | আমাকে তোমরা দেখলে না? আমার বুকের পাশে ১১৬ একটি বিনষ্ট নগরের দিকে অচেন] জ্যোৎসায় বুঝি এসে গেছি ১১৭

শূন্যতায় তুমি শোকসভা আমিও তোমারই মতো! | আমিও তোমারই মতো রাত্রি জাগি, করি পায়চারি ১২১ পারিপাশ্িকের আড়ালে | শামস্থর রাহমান ব'লে আছে একজন, যার ১২২ প্রশ্নোত্তর ! যখন আড়ালে পথ চলি ১২৪

বাংলাদেশ সম্বপ্প গ্ভাথে বাংলাদেশ স্বপ্ন গ্যাখে | বাংলাদেশ স্বপ্ন গ্ভাখে একটি ত্রোঞ্জের যৃতি, নিথর বিশীল ১২৭ আমার বয়স আমি | আমার বয়স আমি পান ক'রে চলেছি সর্বদা ১২৯ ভোট দেবো | তোমার ভোটাধিকার আছে ব'লে ক'জন নিঝুম প্রজাপতি ১৩১

প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে তোরু-র্কাছ থেকে দূরে | তোর কাছ থেকে দূরে, সে কোন নিশ্চিন্তপুরে ১৩৫ কি এখন 1 কেউ কি এখন এই অবেলায় ১৩৬ রেনেসীস ! চকচকে তেজী এক ঘোড়ার মতন রেনেসীস ১৩৭ অভিমানী বাংলাভাষা মানুষের অবয়ব থেকে, নিসর্গেব চোখ থেকে ১৩৭ দুর্গা গাঁজর |! এখন আমার সত্বাময় এক ভীষণ আচড় ১৩৮ মতের মুখের কাছে ' মুতের মুখের কাছে মুখ নিয়ে গেলে ভাবনার ১৩৯ ইকারুদের আকাশ | ইকাঁরুসের আকাশ ' গোঁডাতেই নিষেধের তর্জনী উগ্ভত ছিলো, ছিলো ১৪৩ নিজের কবিতা বিষয়ে কবিতা আমার কবিতা নিয়ে রটনাকারীরা আশেপাশে ১৪৫ বিপর্যস্ত গোলাপ বাগাঁন ' গোলাপ আমাকে দিয়েছে গোলাপ ১৪৬ আরাগ তোমার কাছে !আরাগ তোমার কাঁছে কোনোদিন পরিণামহীন ১৪৮ ভের্ডেলাস ' না, আমি বিলাপ করবে! না তার জন্যে, যে আমার ১৫১ মাাল খত্বিক যে-তুমি আমার স্বপ্ন ' পুনরায় জাগরণ, গুল্সটাকা আমার গুহার ১৫৭ তোমাকে রি আংটি তোমাকে দিইনি আংট, বাগদত্বা ছিলে না ১৫৭ রী য় টা তোমার যোগ্য কি আমি? এখন আমীর দিকে চোখ ১৫৮ ন্গুলী কাঁক | কখন মিটিও ভেঙে গ্যাছে, মিটে গ্যাছে বেচাকেনা ১৫৮ পড়ের দ্বীপে ' নৈশ ভোজনের পর মাঁকিন টাইম ম্যাগাজিন ১৭৯ বাজপাখি | ক্রুর ঝড় থেমে গ্যাছে, এখন আকাশ বডো নীল ১৬০ সেই স্থুর ! এখনো আমার মন আদিম ভোরের কুয়াশীয় ১৬০ উদ্ভট উঠের পিঠে চলেছে স্বদেশ উদ্ভট উঠের পিঠে চলেছে স্বদেশ শেষ হ'য়ে আসা অক্টোবরে ১৬৫ প্ররুত প্রস্তাবে ভালোই আছি আজ, জরের নেই তাঁপ ১৬৭ রঞ্জিতাকে মনে রেহুখ ! রঞ্জিতা তোমার নাঁম, এতকাল পরেও কেমন ১৬৮ কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি টানেলে একাকী একটি স্টানেলে ১৭৩ কেউ কি পালিয়ে যায় ' কেউ কি পালিয়ে যায় অকস্মাৎ নিজের বাড়ির ১৭৫

কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি | যখন আমি সাঁত-আট ধছরের বালক ১৭৬ নিজস্ব উঠোনে ! টেবিলে ছিলেন ঝুকে কিছুক্ষণ আগে, এখন চেয়ার ছেডে ১৮০

নায়কের ছায়া ম্যানিলা শোনো। ম্যানিলা, শোনো, কোনোরকম ভণিতা বিনাই বলি ১৮৩ বেড়ালের জন্য কিছু পঙক্তি. একটি বেড়াল ছিল ক'বছর আমার বাসায় ১৮৪ সায়োনারা | দূর ওসাকায় সন্ধ্যাবেলীয় ১৮৫

এক ফোটা কেমন অনল

এই মাতোয়াল। রাইত " হালায় আজক। নেশা করছি বহুত। রাইতের ১৯১

পান্থজন , বহু পথ হেঁটে ওরা পাঁচজন গোধুলিতে ১৯২

মৌনত্রত | আমার উদাঁরচেতা৷ পিতামহ, ধাকে আমি কখনো দেখিনি ১৯৩ আমার কোনো তাড়া নেই

বাইবেলের কালো অক্ষরগুলো জে, তুমি আমাকে চিনবে ন। | আমি

তোমারই মতো ১৯৭

ুর্টিন তীকে চেনে না এমন কেউ নেই শহরে ১৯৭৯

শ্লোগন হৃদয়ে আমার সাগর দোলার হন্দ চাহ ২০০

কবিতার প্রতি ঢ্যাম্নণা এখন নখরাখাঁজি ছাড় লচ. খাওয়। হচুয় গেছে ২০০

যে অন্ধ শন্দরা কাদে চতুথ ভাষা আমরা দুজন ২০৫ ভাবী কথকের প্রতি তুমি তো এসেই গ্যাছো। তোমাকে দেখেছি শহরের ২০৬ শহীদ মিনারে কবিতা পাঠ আমরা ক'জন ২০৮ দশ টাকার নোট এবং শৈশব যাঁযায় তা আর ফিরে আপে না কখনো ২০৯ জন্মভূমিকেই . শহরে রোজ ট্রাফিক গজায় ২১১ চড়ুইভাতির পাখি | দপ্তরে বসে গুমোট দুপুরে ইঠাৎ পডল মনে ২১২ চকিতে স্থন্দর জাগে প্রস্ততি ছিল ন1 কিছু, অকস্মীৎ মগজের স্তরে ২১৩ ুগ্সের্শ এখন আমাকে রাঁশি রাঁশি ফুল, ফুলের বাহার) তোড়া দিচ্ছো ২১৪

শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা

প্রথম গান, দ্বিতায় ম্বত্যুর আগে

শামস্যর-১

পালি সান

শুধু ছর'টুকরে। শুকনে। রুটির নিরিবিলি ভোজ অথবা প্রথর ধু ধূ পিপাসার আজলা ভরানো পাঁনীয়ের খোজ, শান্ত সৌনালি আল্পনাময় অপরাহের কাছে এসে বোজ চাইনি তো আমি ।/ দৈনন্দিন পৃথিবীর পথে চাইনি শুধুই শুকনো রুটির টক স্বাদ আর তষ্তার জল | এখনে] যে শুই ভীরু-খরগোশ-ব্যবহৃত ঘাসে, বিকেলবেলার কাঠবিড়ালিকে দেখি/হীয়া নিয়ে শরীরে ছড়ায়, সন্ধ্যা নদীর আকাধাকা জলে মেঠো চাদ লিখে

রেখে যায় কানে গভীর পাঁচালি দেখি চোখ ভ'রে; ঝি'ঝি'র কোরাসে স্তব্ধ, বিগত রাত মনে ক'রে উন্মন-মনে হরিণের মতো? দ্রীতে ছিশড়ি ঘাস,

হাজার যুগের তারার উৎস এঁ যে আকাশ.) তাঁকে কে আনি হৃদয়ের কাছে, সোনালি অলস মৌমাছিদের পাঁখা-গুপ্রনে জলে ওঠে ঘন, হাঁজীর-হাজার বছবের ঢের পুরোনো প্রেমের কবিতার রোদে পিঠ দিয়ে বসি, প্রগাঢ় মদের চঞ্চল। সেই রূসে-টুপটুপ নর্তকী তার নাচের নূপুর

বাজায় হৃদয়ে মনির শব্দে, ভরে ওঠে সরে শুন্য ছপুর এখনে! যে এই আমার রাজ্যে__ এহটুকু ছিল গাট প্রার্থনা-_ ঈশ্বর ! যদি নেকডের পাল দরজার কোণে ভিড় ক'রে আসে,__ এইটুকু ছিল গা প্রার্থনা-_- তবুও কখনো ভুলবনা, ভুলবনা

ভাবিনি শুধুই পৃথিবীর বহু জলে রেখা একে

চোখের অতল হুদের আভায় ধৃপছায়া মেখে

গোধূলির রডে একদিন শেষে খুজে নিতে হবে ঘাসের শষ্য ছন্দে মিলে কথা বানানোর আরক্ত কতে। তীক্ষু লজ্জা দৃষ্টিতে পুষে হাটি মানুষের ধূসর মেলায় !

চোখ ঠেরে কেউ চ"লে যায় দুরে, কেউ স্থনিপুণ গভীর হেলায় মোমের মতন চকচকে সুখী মুখ তুলে বলে একে-ৰেকে, “ইশ,

১৬

দিনরাত্তির মধুভুক সেজে পছা বানায়, ওহো, কী রাবিশ 1, আকাশের নিচে তুড়ি দিয়ে ওর] মারে কতো! রাজা, অলীক উজির হেসে-খেলে রোজ তবু সাত্বনা : আকাশ পাঠায় ত্বর্গ-শিশির, জোনাকি-মেয়ের বিন্দু-বিন্দু আলোর নূপুরে ভ'রে দেয় মাঠ গাঁ রাত্তিরে বিষণ্ন স্থরে : তোমার রাজ্যে একা-একা হাঁটি,

আমি সম্রাট!

শিশিরের জলে নান ক'রে মন তুমি কি জানতে বিবর্ণ বহু দুপুরের রেখ! মুছে ফেলে দিয়ে চ'লে যাবে এই পৃথিবীর কোনো রুপালি প্রান্তে? নোনাধর। মৃত ফ্যাকাশে দেয়ালে প্রেতছায়৷ দেখে, আসন্ন ভোরে না-পাওয়ার ভয়ে শীতের রাতে এক-গা ঘুমেই বিবর্ণ হই, কোনো একদিন গাঢ় উল্লাসে ছি'ড়ে খাবে টু'টি হয়তো হিংস্র নেকড়ের পাঁল, তবু তুলে দিয়ে দরজায় খিল সন্তান্থর্যে যেসাসের ক্ষমা মেখে নিয়ে শুপু গড়ি উজ্জ্বল কথার মিছিল

হয়ত! কখনে। আমার ঠাঁওা মৃতদেহ ফের খুজে পাবে কেউ শহরের কোনো নর্দমীতেই ;-_সেখানে নোংরা পিছল জলের অগুনতি ঢেউ খাবে! কিছুকাল ! যদিও আমার দরজার কোণে অনেক বেনামি প্রেত ঠোঁট চাটে সন্ধ্যায়, তবু শান্ত রুপালি স্বর্গ-শিশিরে স্লান করি আমি

আত্মজীবনীর খসড়া

গলায় রক্ত তুলেও তোমার মুক্তি নেই হ₹ঠাৎআলোয় শিরায় যাদের আবির্ভাব, আসবেই ওর] ঝড়ের পরের পাখির ঢেউ তাদের হুদুরে ফিরিয়ে দেবার মন্ত্র যদি জানতে, তবে কি প্রতি মুহুর্তে ব্যর্থতার

কাদাবালি মেখে সত্তা তারায় আত্মজ্্যেতি কখনে। হাব্রা্, লোকনিন্দার তীক্ষ ভলে অচিরে বিদ্ধ অকালবৃদ্ধ সহজে বনে

হেটে যেত কাল আকাশকুকুম জল্নায় £ তার যাকে বলে সফলতা তার চিহ্ন তুম সার? পথ €ইটে এখনো কিছুই পাওনি খুজে £ সহজ তে নক্স স্বর্গসি ড়ির আশায় বাচা

যাঁর দেখা €পেয়ে চলতি পথের হুধোদকে

মুগ্ধ তরুণ অমরত্বের মন্ত্র পেলো,

অচেনা মাঠের বিহ্বল থামে দাড়িয়ে একা?

পেতে চ1ও এর নদীর নিবিড় শ্রাবণে যাকে, হচ্ছে ০জায়াপ্রে ভিসে-তেসে তুমি টনের পথে নেমে যাও কখে ভ্ঠাৎ €বঠিক হস্টিশনে

খেয়ালে আশাম্ সন্ধানে যার দিনের শেষে পগ্রামাস্তে কোনো, তাকেই তে! বলে। স্রন্দর, না £

গোলকধাাধায় তাকে খোজা ভার সত্য জনে, তার জন্যেই জপেছে। গানের কত-না কলি,

পথ ত5য়্ে আছে] সকল সময় প্রতাক্ষাস্্

কে জানে কখন আসবে সে তার শাম্ত পাস্ে__ আসবে €ষদিন কী দিস্বে বরণ করবে তাকে £

০তামাঁকে দীর্ণ ক,তে যারা আসে, প্রস্ফটিত পদ্মের মতো] সজনী আভায কামহ্তরভি ছড়ীয়্ হদয়ে, কোটি জ্যাতিকণা বিলা ক্স মনে, সমস্ত ব্লাঁত এক1-২একা ঘরে চার -€দক্ালে মাথা খুড়ে তুমি মরছে যাদের প্রতীক্ষায়, চিনেছে! তাদের বহুবার তবু কেন যে এই স্প্ে রক্তে কুমারীর ভীক্ক চঞ্চলতা,

আসবেই ওরা-_ পারবেন তুমি ফেরাতে আর (ভেবেছে! কখনে। হরের সভায় আসন পাওয। সম্ভব হবে ? এহ €ষ ছড়ানো কথার কালো হরাশায় আজে ০জোনাকি-জীবন, কখনো তার। দুরের শরতে স্বমতিগন্গীর পাবে কি আলো ? এক কথথনেো। জানবেনা তবু স্বৃত্যু হবে

শহর জেগেছে, দুরে ঘণ্টাক্স প্রানের পবনি, বোশীর শরাঁরে নামলে? নিদ্রা হাসপাতালে, যারা কোনোদিন ভুলেও তপেলোনা আপন জন, হেড়াছোড়া সেই ক'জন বাতেক্র জুযোশেষের ক্লান্তিতে ফের ভিডলেো ধোস্বাটে বেঝ্ডেোরী য় আম্ডাবলের সহিস ঘোড়ার পিঠ বুলোয়, শীতের শুকৃনেো ডালের মতোই ভিস্তি বুড়ো! কেপে-কেঁপে ভার জল-মহণ মশক বয়;

পথের কুকুর হাহ তুলে চায় ধুলোয়, কউ জানল না ভার ফুটলো তরুণ ফুলের মতো, খণ্ডিতা নার এখনে] আলোর আলিঙ্গনে | আজো আছে চিরকস্তরশট্রক লুকোনো মনে : সেই ০সৌরভে উন্মন তুমি, তন জান্ন €দক্সালে তোমার কাঠকক্সলার আচড় পড়ে

নির্জন হর্গের গাথা

মানিনি জীবন সমুদ্র সন্ধানে চোরবাবানিতেহই পরম শরণ নেবে ! আশার পণ্যে পুর্ণ জাহাজ ০স-ও

ভোঁবা পাহাড়ের হঠকান্িতাকস় ঠেকে

হবে অপহৃত-_ ভাবিনি কখনো আগে

দিশের সারি বন্সা গুটিক্সে নিলে, যখন ব্রাত্রি ক্ষত কবব্রী নেড়ে আনে একবাশ তাবা-ফুল থরথর, ছু”্হাাতে সলিয্ে শ্যাওলাার গাঢ় জাঞশ চমকে তাকাহ আমিও মজ্জমান

ভবিষ্যতের স্নাপির অন্ধকারে যা-কিছু ব্রস্েছে আমার জন্তে শেষে সবি নিতে হবে €দবের দষ্বা তেনে? ব্যঙ্গ দুটি আড়ালেই ঝলসায়

নির্জনতার কারাগারে সপে শ্রাণ আবাআদানেব্র মহত ছুর্গ গড়ি

যদি ০স শ্রাকাপ্র-বিবরোবী অশ্বখুলে অচিরাৎ তার দৃঢ় নির্ভব্র ০ভাঁতে,

যদি দর্সের দর্পণ হয় শু ডো,

ঝড্ডেব্সর সাম জাগো শাখা মলে কাকে পর ০ভিবে কাকে বা আপন জনে সাধের শ্রমেত্রে দিব হে জলাঞ্রন্ি

যদি হতে] তারাদের ততো €ছাখ তারার মতন ন্িনিবিড লম্ষ কোটি, তুদিনের ঘরে হস্গতো। €পেভাম ভবে বলা না ফুবরোোতে তাকে এই চরাচরে চোখের তৃষ্ণা মিটিয়ে দেখার হখ অবুঝ আমার আশা উদ্বাহ তবু

বিক্প লতভাব্র গুচ্ছে জড্ডিস্সে শিং

কালো বাতিত্লে তৃতীক্স ও.“ স্ক্র একা

কাদে শ্রতভ্যহু হত্রিশ-হৃদক্স যার

তাঁকে নেব চিনে : শ্রাণেত্ দেসব্ ০স-হে

আঃ

সম্মুখে কাপে অমোঘ সর্বনাশ দিনের ভত্ম পশ্চিমে হয্স জড়ে?, অনেক দূরের আকাশের গাঢ চোখে রাজ পরায় অতল কাজল তার এমন নিবিড় স্মতি-নিওর ক্ষণে

বনি কারে নাম, হৃদয়ের স্বরে বনি। জ্রন্পি অনিবার নিজেরই অন্ধকারে

এতকাল ধ'রে আমার আশজ্ভীবহ ঘাতক €রখেচছে তীক্ষ কুঠার খাড়া, ০€সই যুপকাঠে নিজেই বন্পির পশু

উচ্চ মিনারের নিজ্জনতা ক্স ম'জে তবেছি সহজ্জে বিশ্বের মহাগান আমার প্রভাতে সন্ধ্যায় আর ব্রাতে ঝনশা-ধাবাক্স আনতেই বক্লাভস্ব | ০সই বাসনার গপ্রভৃত জাবর কেটে শুন্যে ছুড়েছি ছুরাশার শত টিল

প্রতিপন্ষেত্র কৃুট5ক্রেত্র তান

পশেনি কর্ণে, ওদের বর্নবোবে, সান্ধ্য ভাষায় করিনিকো দৃকৃপাত কবন্ধ যার] নিত্য জন্মাবধি

অন্ধের মতো তাদের যি ধরে দ্বন্দের ঘোব্ে ছুহনি গতির বুড়ি।

কোনো পর্রিচিভাকে

আনতাম একদা মার চোখে জারুলের বন ফেলেছে সম্পন্ন ছায়া, রাজ্ির নদীর মতো শাড়ি শরীরের চরে অন্ধকারে জ্ঞাগিয়েছে অপকুপ

রৌদ্রের জোয়ার কতো! সবুজ পাতায় মেশ। টিকে তোমার ইচ্ছার ফল লাল ঠোঁটে বিধে নিয়ে দূরে চরাচরে আত্মলোপী অলীক নির্দেশে শ্বাশখত সে

বৃক্ষের গৌরবে তুমি দিয়েছে৷ স্বামীকে দীন্ত কামের মাধবী, শিশুকে স্থপুষ্ট শুন দাম্পত্য প্রণয়ে সোহাগিনী প্রেমিকার মতো হৃদয়ের অন্তহীন জলে, ঢেউয়ে

খর বাসশাকে পুয়ে দাত্ত সাধকের ধ্যানে তবু

গড়েছে সংসার প্রত্যহেব্র দীপে তুমি তুলে ধরো আত্মার গহন নিঃসঙ্গতা, নক্মী-র্কাথা-বোনা রাতে

স্বপ্রের প্রভায় জলো তোমার সস্তায় কী উজ্জ্বল নিঃশক্ক অপ্রতিরোধ্য ফল জলে, স্বর্গের সম্ভার

এবং এখন জানি করুণ কাঠিন্য ভরা হাতে

আত্মীয় নিয়েছে তৃলে নগরের ফেনিল মদিরা, আবর্তে আবর্তে মত্ত কাম, প্রাণে স্থির অন্ধ গলি হে বহুবলল ভা তুমি আজ কড়ায় ক্রান্তিতে শুধু

গুণে নাও নিক্ষাশিত যৌবনের অকুগ মচ্ছুরি | কূপের মলম মেখে শহ্চতুর মোমের উরুর

মদির আগুনে জেলে পুরুষের কবন্ধ খিশোদ কখনো জানিনি আগে এত ক্লান্ত, এত ক্লান্ত তুমি

“অপাডক্তেয়

যেহেতু লৌকিকতার দড়িদড়] ছিড়ে বেপরোয়া! উ“চিয়ে মাস্তল স্বন্দরের ভাশম্বর নীলিমাষ ভ্রমণবিলাসী তাই সম্মিলিত মুখব প্রস্তাবে দিয়েছে উন্মাদ আখ্যা, উপরস্তাচব্রশত্র ভেবে আমাকে করেছে বন্দী সন্দেহের অন্ধ ভর্ণাজালে

অথচ শারীর গর্ভে তমসায় নক্ষত্র-খচিত

আম্ুুর অবোধ স্বপ্নে জন্মেছি আমিও, দত্তহীীন বাসনায় শিয়েছি অধীর মুখে শুনাগ্র কোমল, আর জুয়্াড়ির মতে! আপনাকে করেছি উজাড় তীব্রতায় ধাতুর উজ্জ্বল মদে, ধুতুরার ভ্রাশে

মিখ্যাকে কখনো ভুলে ক্মন্দর ফুলের রমলীস্স স্তবকের মতে। আমি পাত্রিনি সাজাতে বঞ্চনা য়, বরং করিনি দ্বিধ। কে তুলে নিতে আজীবন সত্যের গব্ল 1 ফলত €স উন্ম্িদ তৃতীসয্ চোখ অন্ধের বিষুঢ় রাজ্যে বাধ সাধে ব'লে ক্রোধ জলে

বারবার আত্মতগ্ত এই অন্ধ কৃপেব গভীরে €নকেড়ে মতো সব মানুষের দঙ্গল এডি,

২সের মৃঢতা ছড়ে নৈঃসঙ্গ্যে সম্পন্্র হ'ক্সে চলি : উত্তপ্ত মার মতো! শরীরের পৌত্তলিক হযন অপিত, শ্রথিত শ্রাণ ভীষণের আপ্েয় মালাম্ব

জীবনকে সহজ নিস্সরমে নেয়া যেতো প্রথামতেো।, কিন্ত তবু জ্যামিতির নেপথ্যে মায়াবী শুঞজরণে মজ্জেছি স্বতহ হুঃখে অর্থ থেকে অর্থহীনভাস্ | কুৎ্সার ধারিনি ধার, বরং নিজেরই আবরণে বিপশ্র হায়েণ শুপু সারাশ্মণ অসভ্ডিত্বের ধার

ব্রেখেছি শ্রখর তীল্ম আর ব্যালে নতকের মতে চেয়েছি গভ্ভিধ ধ্যানে অনন্তের একটি মাধবী উন্মোচিত আশবন্তিত হৃদয়ের হলুদ আকাশে অথচ িনশ্চিত জানি জীবনের হকাত্ত আপেল অলম্ষিভে রক্তিম ৮দের মতো ঝরে স্নিপুণ

কাটের স্খাছ্য হবে যথারীতি মাকে-মাঁঝে তবু নিজের ঘরের ছিদ্রে চোখ রেখে দেখি পৃথিবীকে, যেমন বিকারী দেখে যুগলের মদির নগ্রতা।, কাঁমকল, অবসাদ, নিদ্রায় মপুর শিউরনো | তোমরা সচ্হন সহ্ৃদয, বলি হৃদয়ের স্বরে

আমাকে গ্রহণ করো তোমাদের নিকানো উঠোনে নারী আর শিশুর ছাস্বাম্ম আকা, রক্তকরবীতে আমার জীবনে নেই তৃপ্তির গৌরব, আর আশমি অর্থ খুজি চক্কে চক্রে, সমপিত মহাশুন্য তায়

কী অর্থ নিহিত তবে নিপতিত গাছের পাতায় ?

কবর-খোডার গান

মদের নেশা 3াটি সারা আজাহানে, বাকি ঘা থাকে তার €ববাক ঝুট ! বাঘিনী তেন সই মেয়েমান্সষ, যাঁর আধারে কাল কেটেছে বাত :

যাব আধারে কাল কেটেছে রাত নেশার মতো তার স্মথ্তির আলা আলিঙ্গনে তার ছুণনয়ীদারি

নিমেষে ভুলে যাহ অতল মোহে

নিমেঘে ভুলি সাধ অতল মোহে মোহিনী ও-সুখের মিথ্যা বুলি সত্য সার ভাবি এবং শীমি ধারি না ধার কোনে মহোদয়ের

১১

তারি না ধাত্র কোনো অঙ্োদযের, আমতলা তিনজন খুকি গোর নিক্পুপ বিজ্জর্পে অভ্তহীীশন

দরেন আসমানে জন্লে দিনার

দুরের আসমানে জন্েে ছিনার ০কাাদাীলে আবহেক্শে উপপড্ডে আনি মাটির তিল আশার ডান খুনি সত্িরিফি ৫কউত্কেটা কী কবরে চিনি £

শরিফ ০কউকেকেট। কস কর চিনি £ মাটির নিকছ্ে পচে আন্ধ ০পোতে হক্সত্ো। হন্দব্রী বুবদপা! €কেভ ০-কাাবোনা বেক্ষদবি বান্দা তুমি

০-কারোশা ০বস্বাদবি বান্দা তুমি বাদশা €শহ হক, €গপালাাম সব, বগম চাস্স €পতে বাদির ক্ব্খ

আউজ্ডে €গছে কতো সত্যসীর

আউল্ভ গাছে কতো সত্যশ্লীক্র 2 সমরকন্দ., 'আার বাশার ভাস্বর বুপস্ী আশুনকেল তষাগায নক্স ০স-সব হতো কথ, মত্ত খলাকি |

০সল-দব হছেতেোো কথা, মনত ফাকি বিবেক বিবভ্লকুভল ক্ম্্রী ছাড়া, আঅনেব পশ্ঞটনশ চশমতখোোর আমলা তিনজন খুক্তছি গার

৭৯ সম

আমর তিনজন খুড়ছি গোর হস্রতে। রুটি আর €গালাপ-সুঁড়ি যুগ্মতায় জলে চাওয্া-পাওয়ায়, নেশার মতো খাঁটি নেই কিছুই।

নেশার মতে খাঁটি নেই কিছুই, সাচ্চা শুধু এই দেহের দাবি মানতে নয় রাজি বেয়াড়া মন দীন ছুনিক্সার ধাপ্পাবাজি

পিতা!

প্রাণে গেঁথে কর্ষন্খী-উন্মখতা খুজি আহ্জ্' তাকে সর্বত্র অক্লান্ত শ্রমে স্বপ্রের মুণালে মুখ তাব জ্যোতির্সয় কলাাাণের মন্তো ফুটে? আভ্র-শু ভরত বর অতল সমুদ্রে ভোবে-_খুজি আহুজা বিদেহী পিতাকে অজ্ভাত. বিরূপ এই কক্ষ দেশে মৌন বাসনাঁনে নক্ষতের মতো জেলে চাই তাকে ছুনিবার

আতঙ্কের মুখোমুখি, যেমন সে সবগতফিকার

নিঃসঙ্গ পথিক চাকস পান্থপীদপের মমতাকে

তিনি নন জন্মদাতা, অথচ তাকেই পিতা ব'লে জেনেছি আজন্ম তাই মুমুক্ষ কালের অকস্জরাগে সমপিত তারই কাছে জীবনের সব মপুরিমা করেছি নিঃশেষ অপু অশেষ সন্ধানে জলে জলে তিনি নন বিধাতা অথচ ব্যান্ত সত্তার পরংশনে--- তবে কি উপমা তার ঠ5তন্তের ভাস্বর নীলিমা ?

রৌদ্র করো টিতে

ছ্ঃখ

আমাদের বারান্দার ঘরের চৌকাঠে

কড়িকাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটে

দুঃখ তার লেখে নাম। ছাদের কানিশ, খড়খড়ি ফ্রেমের বাদিশ আর মেঝের ধুলোয়

দুঃখ তার আকে চকখড়ি

এবং বুলোশয়

তুলি ঝাশি-বাজ। আমাদের এই নাটে।

আমাদের একরব্তি উঠোনের কোণে উড়ে-আস চৈত্রের পাতায় “+ুলিপি বই ছেড়া মলিন খাতায় গ্রীপ্মেব দুপুরে ঢকৃঢকৃ জল-খা ওয়া কৃজায় গেলাসে, শীত-ঠকৃঠকৃ ব্রাত্রির নরম লেপে ছুহখ তার বোনে নাম অবিরাম

বাপ পিরিচ চামচ আর চায়েব বাটিতে রোদ্দ,রের উক্ষি-আকা উঠৌনেব আপন মাটিতে ছুঃখ তার লেখে নাম

চৌকি, পিঁড়ি শতরঞ্জি চাদর মশীরি

পাঞ্জাবি তোয়ালে লাল কম্তীপেড়ে শাড়ি প্রথর কম্বল আর কাথায় বালিশে

ঝাপসা তেলের শিশি টুথব্রাশ বাতের মালিশে হুঃখ তার লেখে নাম

থুকির পুতুলরানী এবং খোকার পোষমান। পাঁখিটার ডানা

শামন্র-২ ১৭

মুখ-বুজে-থাক।!

সহধমিলীর শাদা শাড়ির আচনে ছঃখ তার ওড়ায় পতাকা

পাস্সে-পাক্ে-ঘোর1 পুষি বেড়ালের মহ্যণ শরীরে ছাগলের খুটি আর স্বপ্রের জোনাকিদের ভিড়ে বুষি-ভেজ্জা নিবন্ত উচ্চনে আব পুরোনো বাড়ির রাভ্িমাখা গন্ধে আর ভপোসী হাড়ির

শুন্য তায় হু১ঠথ তার লেখে নাম।

হদস্স্ে-পতিয্ে-ওঠ একটি নিতভৃভতম গানে কখেতর নিদ্রায় কিবা জাগরপে, স্বপ্রের বাগানে, অধরের অধীর চুশ্বনে সাহ্িধ্যের মধ্যদিনে আমার নেংশব্য আর মুখর আলাপে স্বাস্থ্যের কৌলীন্যে ত্র যস্ত্রণাব অস্ষস্থ প্রপাঁপে, বিশ্বস্ত মাধূর্যে আর রুক্ষতার স্তীক্ষ সঙ্গীনে ছন্বিনীত ইচ্ছার ডানায় আসক্তির কানায় কানায় বৈরাগ্যের গৈর্িক কৌক্পীনে

হধ তাব্র নেখে নাম।

রোৌদ্রঝপক্িত ভাঙা ভ্ডিমিত আক্নায় নববর্ষে খুকির বাম্সনাক় আশার কোদ্দ,র আর আমার ছায়ায় ভুখ্খ তার লেখে শাম

অবেলাল্স পাতে-€দম্স। ঠাণ্ডা ভাতে বাশপ্যশিক্ষ1 ব্যাকরণ এবং আদর্শ ধারাপাতে ফুলদানি, বিরুত শ্রল্রেটেব্র শাম্ত মেঘলা পল্লাটে অআশর আদিরসাত্মক বইয়ের মলাটে

চুলের বুক্ষশে চিরুনির নম্র াতে

ছুুখ তার বেখে নাম

কপালের টিপে,

স্য্যার প্রবাল দ্বীপে,

জ্তোর গুহায় আর ছধের বাটির সব্রোবরে বাসনার মণিকঞগ পাখিভাক? চরে

হংখ তার লেখে নাম

বুকের পাঁজর ফুসফুস আমার পাকস্থলীতে প্লীহান্ন যকুতে আর অস্ত্রের গলিতে ভুঃখ তার লেবে নাম

আমাব হৎপিগ্ডে শুনি দ্দ্রিমিকি দ্রিমষিকি দ্রাকৃ দ্রাকৃ ছুহখ শুপু বাজায় নিপুণ তার ঢাক

ভীষমরতিভব্রা পিতামহ ঘড়ির কাটায় বার্ধক্য-ঠেকীনে। ছড়ি, পানের বাটাস্ব ০গোটানে! আ্তিনে দ্বমড়ানেো। পাৎলুনে কাঁগজেব নক আর রঙিন €বলুনে হু তাব লেখে নাম

কখনো না-€দখা নীল দূর আকাশের মৈহি বাতাসের

ক্ন্দর পাখির মতে। আমার আশায় হৃদয়ের নিভত ভাষাস়্

ছুঃখ তাব লেখে নাম

একজন লোক

লোকটার নেই কোনো নাসা 'ক। তবু তার কথা অষ্টপ্রহর ভেবে লোকজন অবাক বেবাক £

৯৩৯

লোকটার নেই কোননোখানে চীই জীবন লগ্ন পথের ধুলায়, হাতে ঘোরে তার অলীক লাটাই |

০লোঁকট। কারুর সাতে-প্পীচে নেই গায়ের মোড়ল, মিলের মালিক-_ তবু ঘুম নেই কাকর চোখেই ; ০লৌকটার কাঁধে অচিন শালিক

বশে দশজনে এবং আমিও রোদ্দুর খায় লোকটা চিবিয়ে, তজ্যাতসাও তার সাবের পানীয় হাজার প্রদীপ জ্বালায় আবর মনের খেয়ালে দেয় তা” নিবিয়ে

মেঘের কামিজ শবীবে চাপিয়ে হাটে, এসে বসে ভদ্দ্রপাদায় পাথুরে গহাস্র পডেনা হাপিয়ে €স-ও সাড়া €দয় কডার নাড়ায়।

তবু দশজ্রনে আনায় নালিশ : লোকট। ঘুমায় সারাদিনমান, কাছে টেনে নিস্ে লীদের বালিশ

আত্ম প্রতিকুন্তি

কেন তবে হরবোলা সেজে সারাক্ষণ হাঁটে মাঠে বাহবা কুড়ীবেো কিংবা স্টেজ খালি কণলো রুমালের গেরো খুলে দেখাবে! জীবন্ত খরগোশ দর্শকের সকৌতুক ভিডে ? কেন মুখে রঙ মেখে হবো সঙ ?

না, তাঁরা জানেনা কেউ আমাঁব একান্ত পরিচয় : আমি কে £ কী করি সারাক্ষণ সমাজের চৌহদ্দিতে ? কেন যাই চিত্রপ্রদর্শনী, বারে, বইয়ের দেকনে, তর্কের তুফান তুলি বুদ্ধিজীবী বন্ধুব ডেরায়?

না, তারা জানেনা কেউ

অথচ নিঃসঙ্গ বারান্দার সহ্ঃ)1, এভেম্থ্যর মধ্যরাত্রির স্তব্ধতা, সার্কীসের আহত ক্রাউন আর প্রাচীরের অতন্দ্র বিডাঁল, কলোনির জাবনমথিত একতান, অপ্নরীর তারাবেধা ক1ঠু£লে, গলির অন্ধ বেহালাব*দক ব্রাকের সস্থির মাছ, দেজাব জাসপেল জানে কতো সহজে আমাকে, জানে কবধতরর ছুধিনীত ফুল

একটি মুত্াবাষিকী

হয়নি খুজতে বেশি, সেই অতদিনের অভ্যাস,

কী কবে সহজে ভুল? এখনো গলির মোড়ে একা গাহ সাক্শী অনেক দিনের লঘু-গুক ঘটনার

আর এহ কামারশালার আশুনেব ফুলকি ওড়ে বাত্রিদিন হাপরের টানে ' কে জান্তা স্থত এতে। অন্তরঙ্গ চিরদিন? জানতাম তুমি নেই তব্‌

আঠারোর সাতে কড়। নেড়ে দাড়ালাম দরজার পাঁশে মনে হলো হয়তে আসবে তুমি,

সহ হেসে তাকাবে আমার চোখে, মত্ণ কপালে, ছোয়াবে আলতো হাত, বলবে “কী ভাগ্য আরে আপনি ? আহুন | কী আশ্চর্য ভেতরে আহুন |” দেখি

অন্ধকারে বন্ধ দারোজায় ছ"টি চোখ আজে! দেখি উঠলো জলে কতদিনকাণর সেই চেনা মহ স্বর আমার সম্ভাকে ছুয়ে বাতাসে ছড়ালে।

স্বতির আতর

শুন ঘরে সোফাটার নিস্রাণ হাতল

কী ক'রে জাগলো এইক্ষণে ? একটি হাতেব নড়া দেখলাম যেন, চা খেলাম যথারীতি

প্ুরানে। সোনালি কাপে, ধরালাম সিগারেট, তবু সবই ঘটলে যেন অলৌকিক

যুক্তি-অন্থসারে |

মেঝের কার্পেটে দেখি পশমের চণ'টি

চুপচাপ, তোমার পায়ের ছাঁপ খুজি সবখানে, কৌচে শুনি আলস্তের মপূর রাগিণী নিঃশব্দ সবরের ধ্যানে শিল্সিত তন্দ্রায়

জানালায় সিল্ক নড়ে, ভাবি কতো সহজেই তারা তোমাকে কীটের উপজীব্য করেছিলো, সারাক্ষণ তোমার সাম্বিধ্যে পেতে ষারা

অনন্তের স্বাদ

বারান্দায় এলাম কী ভেবে অন্যমনে, পারবোনা! বলতে আজ জানতাম তুমি নেই, তবু

- আবহ ত্যার আছো

শহ্যাত্যাগ, প্রাতরাশ, বাস, ছস্ঘণ্টার কাজ, আড্ডা, থচ্য, ০্রেম, ঘুম, জাগরণ , সোমবার এবং মঙ্গলবার বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি আর রবিবার একহ

বৃত্তে আবত্তিত আর আকাশ তো মস্তড একটা গর্ত-_ সেখানে ঢুকবে। নেংটি ইছুবর্ের মতে থরথর হৃদয়ে প্রতীক্ষা কবর, স্বপ্ন দেখি আগামী কালের সারাক্ষণ, অনেক আগামীকল্য উজিয্ে দেখেছি তবু থাকে আরেক আগামী কাল সহসা আয়নায় নিজেব ছাযাকে দেখি একদিন-_ উত্তীর্ণ তিরিশ

পুণিম। £1দের দিকে পিঠ দিযে, অস্ভিত্বকে মুড়ে খবরের কাগজে ছড়াই দৃষ্টি যত্রতত্র, নড়ি, মাঝে-মাঝে নশ্ড়ে বসি, সভার স্থাপত্যে অবির্রলল অলক্ষ্যে গডিন পড়ে মাছের কোলের মতে। তজ্যাৎক্সা আর আমি বিজ্ঞাপন পড়ি, হাত-পা ছড়িয়ে পড়ি :

এবার কলপ দিন, আপনি তো জানেশ অকাল- পক্ষ চুলে কলপ লাগালে অন্বায়াসে ফিরে আসে ফেরারী যৌবন---আর এই ফলপ্রদ টনিকটা খাবেন প্রত্যহ তিনবার ঠিকঠাক দাগ মেপে অর্থাৎ চায়ের চামচের ছু্চীমচ এবং খাবার আগে কিংব। পরে, তাহ'লে বাড়বে ক্ষিদে আর ্নাফুণ্ডলি নিশ্চিত সবন্প হবে, যর্দি খান স্থস্বাছ টনিক

ধর যাক ঘাকিছু লিখেছি সবি পড়ে "লাকে, পশ্ড়ে প্রচুর তারিফ কবে, ব্যাঙ্কের খাতাঁও স্ফীতকা য় ; উন্নতির সবগুলি গোল ধাপ পেয়েছে আমার

স্ককৃতী পায়ের ছাপ, হচ্ছাপুরণের যত গান

হৃদয়ের সাতটি মহলে পেলো খুক্জে সফলতা! 3 জীবনেব্র প্রতিটি স্মন্দর স্বপ্র পাপড়ি মেলে

চেয়েছে আমার দিকে : পত্বীর গাহস্থ্য প্রণয়ের পরিণাম পুত্র-কন্তা সহজে এ০সছে যথারীতি

এবং নিজের বাড়ি, সাজানো বাগান, ধরা যাক, গাজরের ক্ষেত, মুরগী ইত্যাদির স্বচ্ছন্দ বিস্ঠাঁসে মানবজশীবন ধন্ঠ ৫€শশবের সাধের কল্পনা

নক্সা অনুসারে, ধরা যাক, একে একে ঘটলো সবি!

অনেক সমুদ্র ঘুরে কতো বন্দরের গন্ধ মেখে একদিন সার্থবাহ বার্ধক্যের অবসম্র তটে

ফিরে আসে পণ্যবাহী সার্থক জাহাজ, পালতোলা, গলাফোলা নাবিকের গানে শুঞ্জব্রিত | যুর্খ যত চেচিস্বে মরুক তারা, পুর্ণ তার শুবে রাত্রিদিন জরপেছি ভীষণ মন্ত্র ক্ষয়ে ক্ষপ্নে---কিস্ত তাঁবপর £

আড় হ'য়ে বিকেলের রোদ পডে চায়ের আসরের কয়েকটি স্বেশ তরুণ-তরুণীর সংগত সংলাপে গোলাপ বাগান জ্বলে রক্তিম কুঁডির জাগরণশে মুহূর্তেব অতন্দ্র মালে ! টেবিলেব ফুলদ।নৈ জ্যোত্ল্ার বিস্মষ্বে ফোটে মহিলার আন্ধকাব ঘরে নিশ্রন আলোব মতো কাকুর হাসিব শত কণা জাগায় স্মতির শব, হাড়হিম দেহে লাগে তাপ আমি নই ইডিপাস, তাহ'লে কী ক'রে উচ্চরোলে সভাঁসদ মাঝে করি উচ্চারণ : “অবশেষে বলি ভালো সবকিছু ভালো ?,

লি

অসংগতি, না আমান মধ্যে নেই, রস্েছে সেখানে ০রেক্তোরীয়, অন্ধকার দেয়ালে, আমার চতুদিকে, বলত পারো বরং নিজেই আমি নিমভ্জিত, ওহে, এ-নসংগতির মধ্যে লিপস্টিক ঘ*ষে-মুছে-ফেল।

সই

ঠেঁখটেন্র মতন আত্ম! নিষ্ষে কী আশ্বাসে বাড যাক যন্ত্রণায্স অগ্ঠিকুণ্ডে, বিরক্তির মাছির জালায় ?

যেহেতু উপায় নেই ফেরবার, আমার সম্মুখে দু'টি পথ অবারিত, আমন্পুণ প্রকট চাটুল-_ গলায় বিশ্বস্ত ক্ষুর কিংবা অদুলাকিক বিশ্বাসের রাজ্যে শুপু অন্ধের স্বভাবে বিচরণ, সায় দেয়? কবন্ধের শাস্ত্রের শাসনে, পরহুল। খসে পড়া? ক্রমাগত অনর্থক যুক্তিহীন মাথা নেডে-নেডে |

ঈশ্বব কি শিউরে ওঠেন মলভ্ডাগ্ডে ? উনের কড়াহয়ের 'তীত্র জালে কুঁকড়ে যান কাগজের মহুতা ? যদি বাল প্রবঞ্চনা ম্্রেব অন্য নাম তবে

সত্তা থেকে স্টিক ক*গজ দূরে আমার সংশয় পদক্ষেপ ? তাহলে বিশ্বস্ত ক্ষুর গলায় হছোয্পীলে অথবা? কৌটা বিব বেয়ে নেখে গেলে এই জঠরেব পাকে পাকে, পার্থক্োর কনা ক্ঞটিল স্তর উন্মোচিত হবে পরিণামে ?

পবাকালুল

পৃত্খাকালে কে এক খণিন তার সবছেকে দামী মুক্সোটিকে বাগানের মাটির গভারে তেবেছিলো লু'কধে খানে

ক্থের তিমির-দশর্ণ আলো

পোছেনি কখনো,

€হমন্তী গাছের পাতা ঝরেনি হানে

তোমাকে পাওযাীব ইচ্ছ। সই সুক্তোর মতোই জ্বলে আমার ০ভতর রান্রাদিন

ম্২৫

আর আমি ভাবি এই সৌন্দর্যকে লালন করাব আশ্চর্য সাহস কে দিলো আমাকে ?

রবীন্দ্রনাথের প্রতি

লোকে বলে বাংলাদেশে কবিতার আকাল এখন, বিশেষতঃ ০তোমার মৃত্যুর পরে কাব্যের প্রতিমা লল্সিতলাবণ্যচ্ছট। হারিয়ে ফেলেছে-__ পরিবর্তে কক্ষতার কাঠিম্ লেগেছে শুধু, আর চারদিকে পোঁড়েোজমি, করোটিতে €জ্যাৎস্স দেখে ক্ষুধার্ত ইছর কী আশ্বাসে চমকে ওঠে কিছুতেবোঝেনা ফ£ণমনসার ফুল

স্ধীন্দ্র জীবনানন্দ নেই, বুদ্ধদেব অনুবাদে খোজেন হনেভূতি আর অতীতের মৃত পদধবনি সমর-ক্ভাষ আজ অন্কপক্ষে আর কটি নাম ঝড়জল বাচিয়ে আসীন নিব্রাপদ সিংহাসনে, এবং সম্প্রতি যারা ধরে হাল বহু নদীতে তাদের সাধের নৌকো অবেলায় হয় বানচাল হঠাৎ চড়ায় ঠেকে অথবা কুক্ষমপ্প্রিয় যারা তার পচা ফুলে বসে করে বসম্তের স্ব

যেমন নতুন চার] পেতে চায় বোদবুষটি তেস্সি আমাদের অমর্ত্যের ছিল প্রয়োজন আজীবন তোমার প্রশান্ত রূপ ঝরেছিলে তাই স্র্ষমুখী চেতনার ০সীরলোকে ব্াজলীতি প্রেমের সংলাপে

যেন তুমি রাজ£সক একাকীত্বে মধ্যদিনে যবে গান বন্ধ করে পাখি-__ কখনো ফেলোনি দীর্ঘশ্বাস, যেন খ্রীক্মে বোশপুরে হওনি কাতর কিংবা শুকনো!

২৬

গলায় চাওনি জল-_ অথবা শমীর তিরোধানে তোমার প্রোজ্জল বুক হয়নিকে1 দীর্ণ কিংবা যেন মোহন ছন্দের মায়াম্বগ করেনি ছলনা কোনো -_ এমন মৃত্িতে ছিলে অধিতি৩ সংখ্যাহীন প্রাণে গোলাপেব্র তীক্ষ কাট। রিক্ষের সম্ভাব্র নীলিমাকে ছিড়েছিলো, তবু তারও ছিল আানাহার, চিরুনীর স্পর্শ ছিলো চুলে, ছিল মহিলাকে নিবেদিত প্রাণ

আমার দিনকে তুমি দিস্সেছ কাব্যের বর্ণচ্ছটা রাত্রিকে রেখেছে ভরে গানের স্ষুদলঙ্গে* সন্তরঘী কুৎসিতের বুযুহ ভেদ করবার মস্ত্র আজীবন পেস্েছি তোমার কাছে স্বণার কব্রাতে জর্জরিত করেছি উন্সত্ত বর্বরের অট্রহাসি কী আশ্বাসে

প্রতীকের মুক্ত পথে হেঁটে চলে গেছি আনন্দের মাঠে আর ছড়িয়ে পড়েছি বিশ্বে তোমারহ সাহসে . অকপট নাম্তিকের হৃরক্ষিত হপয় চকিতে

নিয়েছে ভাসিয়ে কতো অমলিন গীতক্বারসে। ব্যাঙডভাকা (ডোবা নয়, বিশাল সমুদ্র হ'তে চাহ এখনো তোমারই মতে। উড়তে ০5যে কাদ,য় লুটিয়ে পড়ি বারবার, ভাবি অন্ততঃ পাকের তকে কিলেব ভূমিকায় সফলতা এলে কিছু সার্থক জনম

পিতার প্রতিকৃতি

“কখনো নদীর ক্োতে মৃত গাধা

তেসে যেতে দেখে,হ সন্ধায়, দেখেছি একদা যারা ৫হ-০5 করে যুদ্ধে

গেছে তাদের ক'জন

২৭

মহৎ স্বপ্নের শব কাধে নিয়ে হেটে-হেটে

ক্রান্ত হয়ে ফের স্বগৃহে এসেছে ফিরে গোবিন্দলালের পিস্তলের ধোক্সায় রোহিলী আব একটি যুগের অন্তরাগ মিশে যেতে দেখেছি আমর?”-__ব'লে

পিতা থামলেন কিছুক্ষণ

তিনি “ভাবে খাচ্ছিলেন রুটি আব স্ম্তির তিতির পুবানো ঢচয়াবে বসে রোদ্দ?বর অব্রেঞ্জ ক্ষোয়াশে ভিজিয়ে প্রবীণ বলেন জনক : “আমি তো বেছচেহি দেব খেয়ে-দেয়ে

ভালো থেকে অশেষ কপায় তার, কতো বছরের বোৌদ্রজলে ক্ষয়ে গেছে

আ্তত্বেব ধার আব কে না জ্ঞানে প্রকৃত দীর্ঘাযু যিনি অন্নেক বিচ্ছেদ মুত্যু তার মনে প্রেতের ছাঙ্গার মতো আলে থাকে আজীবন তশশলের অগ্শেষ সন্ধান তাকে টেনে মানে জনশৃন্যাতার নেউল-ধূসব তীর্ধে, ঘেখাকন কুঙ্জোর জলে

সতের (নেটোল মুখ দেখার আশায় যেতে হয়-__ যেখানে দর্ষোক্রা বন্ধ, বারান্দায়

প[থির কংকাল, গোল [পের ছাই পগডে নাছে একটি বাতিল কতো খিঃকলেব রোদের আদরে হেসে উঠে বলেব মশন নেছে নেচে নিরিবিলি ফুলের জগতে ছলে ধান এবং একটি ছোড়া চমার্কিত বালকের মাকাজ্কার হ্রাণে মত্ত হয়ে ছুটে যায় দলহাড়: মেঘেব তল্লাপলে, সহসা খি চয়ে মুখ ছিড়ে নেয় অক্তগামী

সুর্ষটির মাংস একতা

চক

“বেচে আছি বহুদিন তবু পৃথিবীকে

এখনে রহশ্যময় মনে হয়" আর শোনো ভাবতে পারি ন।

কোনোদিন থাকবো না এখানে, চেয়ারে ব'সে ঝিমাবেো না

ভোরের রেখদ্দুরে পিঠ দিয়ে কোনোদিন

“তখন থাকবে তৃমি আমার সন্তান _-দীর্ঘজীবী হও তুমি, তোমার কর্মঠ আঙলের উঞ্ বরক্তে ঘন ঘন

আমার অপূর্ণ ইচ্ছাগুল এক ঝ্শক হীসের মতোই জানি

নিপুপ সাতার €কটে তোমাকে ছোগাবে স্বপগ্র অনিদ্রার রাতে-" __বলে তিনি মুগ্ধ চোখে ফেরালেন মুখ অতীতের দিকে, তখন রাসেল রিক্কছে বুদ্ধ পিকাসোর নাম ভ্াানেন শা ভেবে পারিনি ককণা করতে বয়েসী পিতাকে

হুপ্গুরে মাউথ অর্গান

উন্মত্ত বালক তাঁর মাউথ অর্গানে দুপুরকে

চমকে দিয়ে সন্দেহপ্রবণ কিছু মানুষ বতীত দালান পুন্িলিশ গাড় চকিশ কুকুব আসফস্ট ব্রেস্তোর্বাকে বানালো দর্শক ট্রাফিক সিগন্যালের সবুজ বাট? ফেব নতুন আশার মতো! ঝল-

মল জলে, কয়েকটি সন্ত্রাস্ত মোটর পাশাপাশি

হঠাৎ হরিণ হতে চেয়ে থমকে দাড়িয়েছে বুঝি রোদচেরা করেব গমকে।

স্‌ ৫৯

এভেন্্যর ফুটপাতে উন্মত্ত বালক নেই, মাউথ অর্গান নাচে শুধু দুরে-কাছে বাতাসের ঝ্কত সঙ্গতে হপুরের রোৌদড্রের বর্ষায় লোকগুলো! দাড়িয়ে রয়েছে ঠাক : প্রত্যেকটি মান্ৰঘণকে মনে হলো স্বপ্লে-০ভসে-ওঠ1 দ্বীপের মতন, লুপ্ত স্বতির সন্ধানে চযকিত ; ককের হীরক ছ্যতি ঝলদিত বুকের শ্লেক্সাক়্ মগজের কোষে ফুটপাতে শয়ে-শুয়ে সিংহমুখে।

কুষ্ভরেোগী আকাশে হছোখ রাখে, স্বপ্র হাাখে, ভাবে রডিন পাখির কতো! নরম শরীর ভেসে যায়, বাতাসে ছডাক্ম রঙ | কখনো ভাবেনা তারা কবে ট্রেনের চাকার তলে ০ক রাখলো ছ-ংস্বপ্র-ম্থিত মাথা তাঁর, জানে শুধু অফ্ুুরস্ত ওড়ার আকাশ

বালকের অর্গানের সুর ঝরে ভ্রিতল দালানে, রঙমাখা ক্লান্ত ঠোটে, নিঃশেধিত ফলের ঝুড়িতে পথে বীট পুলিশের পোশাকের নিশ্রাণ শাদায় মোটরের মত্যপ শরীর আব ব্যাঙ্কের দেয়ালে ফুটপাতে পরিত্যক্ত বাদামের উচ্ছিই খোসায় পকেটমারেয় ক্ষিপ্র নিপুণ আডলে, তিনজন গগ্ডার টেরিতে শুকনো-মুখ ফেরি অলার গলায়

কুষ্ঠরোশী গ্াাখে তারও ক্ষতের পিছন্ল রসে ঝরে মত্ত বালকের অর্গানের হর : ভাবে এই সুর পারেনা গড়তে তার গনিত শরীরে ভাজে ভাজে আবার নতুন মাংস শিল্পের অলীক রসায়নে ? হ'তে কি পাবে না তার বিন শরীর ওই দুর আঅধকাঁশের পাখিদের মতো ফের সহজ হন্দর ?

বিধ্বস্ত নীলিমা

শামহর-৩

যে আমার সহচর

আমি এক কংকালকে সঙ্গে নিয়ে হাটি, প্রাণ খুলে

কথা বলি পরস্পর | বুরুশ চালাই তার ঢুলে,

বুলোই সযত্তে মুখে পাউডার, দজির দোকানে নিয়ে তাঁকে ট্রাউজার, শার্ট, কোট ইত্যাদি বানিয়ে ভদ্রতাকে

সঙ্গীর ধাতস্থ করি 3 ছু'বেলা এগিয়ে দিই নিজে

প্রত্যহ যা খাই তাই কখনো বৃষ্টিতে বেশি ভিজে

এলে ঘরে মাথাটা মুছিয়ে তগ্ত চায়ের পেয়ালা

রাখি তার টেবিলে সাজিয়ে আর শোনাই বেহালা

মধ্যরাতে বন্ধ ঘরে | মাঝে-মাঝে তাকে হে-হে রবে নিয়ে যাই বন্ধদের গুলজার আড্ডার উৎসবে সেখানে সে বাক্যবীর, দর্শনের অলিগলি ঘুরে শোনায় প্রচুর কথামত, সাহিত্যের অন্তঃপুরে জলকেলি ক'রে তার বেলা ধায়, কখনো বা ফের “শোনে! বন্ধুগপ, আত্মাটা নিশ্চয় দামী পাথরের

বাক্স নয়,*.সংশয়ের কালো জলে পারবে কি ভেসে যেতে এই আত্মার পিছল বয়া চেপে নিরুদ্দেশে ? পাবে তীর কোনোদিন 1”-_ ইত্যাকার চকিত ভাষণ দিয়ে সে-ও প্রগল্ভ আড্ডাকে করে প্রস্ৃত শাসন!

গলির খেলুড়ে ছেলে যে আনন্দে কাগজের নৌকো ছেড়ে দেয় রাস্তা-উপচানে। জলে কিম্বা কিছু চৌকো ডাক টিকিটের লোভে পিয়নের ব্যাগের ভিতর

দৃষ্টি দেয়__ তারই খুশি কংকাঁলের ছুটি যাযাবর

চোখ ধ'রে রাখে তারপর অকস্মাৎ, “মনে আছে হাতের বইট1 ফেলে রেখে বারান্দায় খুব কাছে

টেনে নিয়েছিলে কাকে £ মনে পড়ে সে কার ফ্রকের অন্তরালে উন্মীলিত হিরম্ময় মস্যণ ত্বকের

৩৩

অস্তরজতায় তুমি রেখেছিলে মুখ 1 মনে পড়ে গোধুনিতে কৌমার্য হরণ সেই কৈশোরের ঘরে ?” __বলে সে কৌতুকী উচ্চারণে, যে আমার সহচর, রয়েছে ঘে রৌদ্রজলে পাশাপাশি ছত্রিশ বছর !

আমি এক কংকালকে সঙ্ষে নিয়ে চলি দিনরাত অসংকোচে, আতঙ্কের মুখোমুখি কখনে! হঠাৎ তাকে কত্রি আলিজন, প্রাণপণে ভাক-নামে ডাকি ঈাড়িয়ে সত্তার দ্বীপে নি-শিকড়, একা, আব ঢাকি ভীত মুখ তারই হাতে যে কংকাল বান্ধব আমার তাকে নিয়ে গেছি নিজের প্প্িরতমার কাছে আর অকাতরে দয্ষিতার তণ্ত ঠোঁটে কাযোদ চুম্বন আকতে দিয়েছি সঙজীটিকে ! কী হতে নিবিড় বন্ধন হু'জনের অস্তিত্বের গ্রস্থিল জগতে, বুঝি তাই

ঘৃণা পোড়াই তাকে, কখনো হদয়ে দিই ঠাই !

শৈশবের বাতি-অলা আমাকে

সর্বাঙ্গে আধার মেখে কী করছে। এখানে খোকন ? চিবুক ঠেকিক়ে হাতে, দৃষ্টি মেলে দূরে প্রতিক্ষণ

কী ভাবছে! বসে ?

হিজিবিজি কী আকছেো। ? মানসাঙ্ক ক'ষে

হিসেব মিলিয়ে নিচ্ছে! ? দেখছে? কি কতটুকু খাদ কতটুকু খাটি এই প্রাত্যহিকে, ভাবছে নিছাদ

ঘরে থাক] দায়, নাকি বইপত্র ক্লান্ত মুখ ঢেকে জীবনের পাঠশালা থেকে

পালানোর চিন্তাগুলে শ্রমরের মতো

মনের অল্সিন্দে শুধু ঘোরে অবিরত ?

থাক, থাক --

মিথ্যে আর বাজিওন। দুশ্চিন্তার ঢাক।

নীলের ফরাশে গ্যাথে। বসেছে তারার মাইফেল আজো, শোনে!

কী একটা পাখি ডেকে ওঠে না-ন। হয়নি এখনে!

অত বস্তাপচা এই সব। লজ্জার কিছুই নেই,

দ্াখো-না খু'টিয়ে সব আর গ্যাখে! এই

লগনের আলো, সম্মোহনে যার কল্পনার ওড়াতে ফানুস,

পোড়াতে আতশবাজি আনন্দের খুব,

আশ্চর্যের হুদে দিতে ডুব !

করেছে! কামন। যাকে প্রতিদিন সন্ধেবেলা, আমি সেই আজব মানুষ

তোমার পাড়ায় আজ বড়ো অন্ধকার সম্ভবত

বাতিট' জাপাতে ভুলে গেছ, আমি অভ্যাপবশতঃ

কেবপি আলোর কথা বলে ফেলি। মস্ত উজ্বুক

লোকট!-_ ব'লে দাও দ্বিধাহীন | ভয় নেই, দেখাবোন। মূখ ভুলেও কশ্মিনকালে তোমর1 কি অন্ধকার-প্রিয় ?

চন্সি আমি, এই লঞনের আলো যে চায় তাকেই পৌছে দিও

জনৈক সহিসের ছেলে বলে

ঘোড়ার নালের মতো চাদ

ঝুলে আছে আকাশের বিশাল কপাটে* আমি একা

খড়ের গাদায় শুয়ে ভাবি

মুমূর্ু পিতার কথা, যার শুকৃনো প্রায়-শব প্রায়-অবাস্তব বুড়োটে শরীর

কিছুকাল ধ'রে যেন আঠ] দিয়ে সীট

বিছানায় গতাষু হবেন যিনি আজ কিম্বা কাল,

অখব] বছর ঘুরে, আপাতত ভাবছি তাকেই,

স্াকেই ভাবছি যিনি ঘোড়াকে জরুর মতো ভালোবেসেছেন

৩৫

আজীবন মুমৃযু পিতার চোখে তরুণ ঘোড়ার কেশরের মতে? মেধ জমে প্রতিক্ষণ | মাঝেমাঝে তাঁকে কেন যেন

ছর্বোধ্য গ্রন্থের মতো] মনে হয়, ভাষা যার আকাশ-পাতাল এক করলেও, মাথ। খু'ড়ে মরলেও

এক বর্ণ বুঝিনা কখনও

“জকির শার্টের মতো ছিল দিন একদা আমারও, রেসের মাঠের সব কারচুপি নখের আয়নায়

সর্বদা বেড়াতো ভেসে প্রতিদিন গলির দোকানে ইয়ার বন্ধুর সাথে চায়ের অভ্যস্ত পেয়ালায়

দিয়েছি চুমুক স্থখে। বিডির ধোয়ায় নানারঙ পরীর নেচেছে ঘুরে আর অবেলায়

কোথাও অশেষ স্বপ্র ভাড়া পাওয়া যাবে ভেবে কতো অলিগলি বেড়িয়েছি চ'ষে আর রাতের বাতাসে উড়িয়ে ক্রমাল হেসে শত্রুতা, ব্যর্থতা ইত্যাদিকে

কাফন পরিয়ে

আপাদমস্তক

“বলো তো! তোমর। কেউ স্বপ্ন ভাড়। দেবে”

ব'লে তীব্র কথস্বরে মাথায় তুলেছি পাড়া, ভাগ্যদোষে পাইনি উত্তর ॥৷ “ব্াজা-রাজড়ার দিন নেই আর ছাপার হরফে

কত কিছু লেখ! হয়, কানে আসে ছোটো-বড়ো£সব

এক হয়ে যাবে নাকি আগামীর সখের নাটকে |

বর্তমানে দেশের স্ত্রী-পুরুষ সাপের পাচ পা

হঠাৎ দেখেছে যেন। দিনগুলি হিষ্টিরিয়া বোগী”-__

কখনও মুমৃযু: পিতা ঘোড়ার উজ্জ্বল পিঠ তেবে সন্গেহে বুলোন হাত অতীতের বিস্তৃত শরীরে মাঝে-মাঝে গভীর রাত্তিরে

৩৬

'দেখেন অদ্ভুত স্বপ্র : কে এক ক্ৃষণাক্গ ঘোড়া উড়িয়ে কেশর পেরিয়ে দূর আগুন রঙের মাঠ তাঁকে নিতে আসে

অথচ আমার ম্বপ্লে রহস্যজনক ঘোড়া নয়,

কতিপয় চিম্নি, টালি, ছাদ, যন্ত্রপাতি, ফ্যাক্টরির

ধোয়ার আড়ালে ওড়া পায়রার বাঁক

এবং একটি মুখ ভেসে ওঠে, আলোময় মেঘের যতোই

একটি শরীর

আমার শরীরে যেশে, আমি স্বপ্নে মিশি,

রুপানি ত্বোতের মতো। ন্বপ্র কতিপয়

আমার শরীরে মেশে, আমি মিশি, স্বপ্ন মেশে, আমাকে নিয়ত একটু একটু ক'রে স্বপ্ন গিলে ফেলে

কেমন করে শেখাত তাকে

কেমন ক'বে শেখাই তাকে

ছোট্র 'অবৃঝ শিশুটাঁকে

জাঁলতে তারার বাতি, যখন কিনা আমরা নিজে অন্ধকণরে শুধুই ভিজে

কাদা ছ্ৌভায় মাততি!

কেমন কবে শেবাহ তাকে ছে অব্ঝ শিশুটাকে বলতে সত্য কথা,

যখন কিনা মিথযা থেকে আমরা নিজ শিখছি ঠেকে চতুব কথকতা !

৩৭

কেমন ক'রে শেখাই তাকে ছোট অবুঝ শিশুটাকে বাসতে শুধুই ভালো, যখন কিনা রাত্রিদিন আমরা নান অর্বাচিন হচ্ছি ঘৃণায় কালো

কেমন ক'রে বনি তাকে ছোট্ট অবুঝ শিশুটাকে “আস্থা রাখো ওহে 1 যখন কিনা বিশ্ব জুড়ে