কলিকাতা

মূল্য ॥৮/* মাত!

মহিলা প্রেস্‌ ২৭, ২৯ প্টলডাঙ্গা স্ত্রী, কলিকাতা চর

শ্রীবিপিন বিহাবী নাথ কর্তক মুদ্রিত এবং শ্ীউপেন্দ্রনাথ পাল চৌধুৰী কর্তৃক ২০নং পটুষাটোলা! লেন হইতে প্রকাশিত।

১1 চা ৩। |

৫। ঙ।

থু

সূচীপত্র

প্রথম প্রবন্ধ-__শিক্ষিত সম্প্রদাষের প্রতি দ্বিতীয় প্রবন্ধ-__মাধুনিক সংস্কৃত শিক্ষা সমাতোচনা তৃতরীষ প্রবন্ধ__-ভট্িকাবোব গ্রস্থকাঁব চতুর্থ প্রবন্ধ--কালিদীসেব কাহিনী (১) বিবা (২) বিদ্ালাভ (৩) কর্ণাট বিজয যাত্রা (৪) কর্ণাট ব|জ প্রশস্তি £ (৫) নানা সমস্যা পৃবণ (৬) উপসংহ্রাব পঞ্চম প্রবন্ধ-শকাঁদশ্ববীব উপণাদান ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ__পূর্ণানন্দ গিবি 9 কামাখা। যতাগীঠ সপ্তম প্রবন্ধ__বকিব শাহজলাল (১) সময নিপণ (২) জীবন কাহিনী অষ্টম প্রবন্ধ_সুথ দুঃখ

১২ ন5

৩৮ ৪৭ ৫৪ ৬৯

৭৯

৯৬

১১০

১২১ ১৪২

শ্রীপঞ্চাননো জনকো মাতা শ্রীহবন্থন্দরী |

স্বর্গতৌ €তী মতে ভক্ত্যা জগতঃ পিতরাবিব

পা টি

রা

নী সি

স্যু্পম্বন্জ |

কিক

ভাবতীব ববপুভ্র কালিদাসই যখন তদীয মহাঁকাব্য বঘুবংশের প্রাবস্তে লিখিয়াছেন, “মন্দ: কবিষশঃ প্রা্গী গমিব্যাম্মুপহাশ্ততাম্”, অথচ রঘুবংশ তাঁহার সর্বপ্রথম গ্রন্থ নহে বলিাই সকলেব বিশ্বাস, তখন, যে ব্যক্তি অদা ক্ষুদ্র একখানি প্রবন্বপুস্তক হস্তে লইয়া সাহিতপ্রাঙ্গনে প্রবেশ লাভার্থ রতোদ্যম, সে আব কি বলিবে ?

জননী মাতৃভাষাব চবণ প্রান্তে, ধাহাবা কৃতিসস্তান তাহারা বহুমূল্য* মণিমুক্তাদি অর্পণ কাঁবিষা কৃতার্থ হন , যাহাব শক্তি সামান্ত সে অকিঞ্চিৎ- কব কোনও কিছুমাত্র প্রদান কবিতে পারিলেই নিজকে ধন্ত-মনে কবে , ননী কখনই সন্তানের ভক্তি উপাঁব উপেক্ষা করিতে পাঁরেন না। ইহাই প্রবন্ধাষ্টরক প্রকাশে ভরসা

এই পর্যান্ত বাঙ্গালা পত্রিকাদিতে যে সকল প্রবন্ধ লিখিযাছি তাহাঁব মধ্যে মাটটি প্রবন্ধ লইয়া এই প্রবন্ধাষ্টক সংকলিত হইল

“সারম্বতপত্র” “সাহিত্যসেবকের” সঙ্গে আমাৰ সম্পর্ক একটু ঘনিষ্ঠ ছল, অবান্তব হইলেও এতং সম্বন্ধে ছুই একটি কথা এই স্থলে বলা মাবস্তক মনে করিতেছি

ঢাকাস্থ সুবিখ্যাত সাঁরস্বতসমাজের সম্পাদক মহামহোঁপাধ্যায় শ্রীযুক্ত ্রসন্জ্্ বিদ্যারত্ব মহোদয় উক্ত সমাজের মুখপত্র “সারম্বতপত্রের” স্সপাদন ভার কিয়দ্দিবসের নিমিত্ত তাহার এই অকৃতী ছাত্রের উপর অর্পণ করেন।

2৬

তখনও আমাব বিশ্ববিদ্যালয়েব পরীক্ষোত্তরণ কার্য্যের সমাপন হয় নাই, এবং তৎকাল পর্যস্ত আমি বাঙ্গাল! ভাষায় কোনও প্রবন্ধ রচন। কবি নাই। সেই সাপ্তাহিক পত্রে নৃতন উদ্যমে লিখিত প্রবন্ধাবলীব মাধ্য দুইটি, নিতান্ত ক্ষুত্রায়তন হইলেও, এই গ্রন্থে অস্তনিবিষ্ট হইল দুংখেব বিষয় সাবন্ব্ত পত্র বহুকাল হইল কালেব কুক্ষিগত হইয়া গিয়াছে

বাজকার্যোপলক্ষে সর্বপ্রথম আমাকে আলমামের বাজধানী খাঁসিয়। পাঙ্গাডেব মণ্যবত্তী শিলং সহরে যাইতে হইযাছিল। সেইস্বলে কতিপয় বঙ্গসাহিত্তাঙ্বক্ত ব্যক্তি করক সংস্থাপিত “শিলং সাহিত্যসভ1” নামক একটি পুস্তকাগাব ছিল , ইভাকে ম্বর্থনামা কবিবাব জন্ত ইহাব একটি সমালোচনী শাখা স্থাপিত হইয়াছিল, এব" তাহাতে মদ মব্যে সাহিত্য 'বিষষক প্রবন্ধ পাঠ হইত | তস্মপ্ধা একটি প্রবন্ধ “ভষ্টিকাবোব গ্রস্থকাব” “তদানী* বঙ্গবা্ী পত্রিকার কর্তপক্গী়গণকরুঁক সুদক্ষ ভাবে পবিচাঁলিত “জন্মর্ম” পত্রিকাষ প্রকাশিত ভঈযাছিল | এই প্রবন্ধটি প্রবন্ধাষ্টকেন একতমবূপেন্পুনঃ প্রকাশিত হইলএ

এই সাহিত্য সভার সদস্যগণ “সাহিত্যসেবক” নামে একখানি মাসিক পত্র কিঞ্চিদদিক ছুই বংসবকাল প্রকাশিত কবিয়াছিলেন , ইহাব সম্পাদক সমিতিব সভারূপে আমাকে কাজ করিতে হইয়াছিল সেই পত্রিকায় মল্লিখিত প্রায় সমস্ত প্রব্ন্ধই এই গ্রস্থমদ্যে স্পিবেশিত কৰিব “সাভিত্য- সেবকের” এবং অধুনা! বিলুপ্ত “শিল" সাহিত্যসভাব" স্ৃতি সংরক্ষণার্থ কথঞ্চিৎ প্রয়াস করিয়াছি

আসাম প্রদেশের ইতিবৃত্ত সম্বন্ধে এব* মোসলমান মহাপুরুষগণের বিষয়ে বঙগদেশীয় জনসাপারণ অতি মল্পই অবগত আছেন। এই নিমিত্ত ময়মন- সিংহ চ্ষইভে প্রকাশিত “আরতি” পত্রিকায় লিখিত “পূর্ণানন্দগিরি কামাখ্যামহাপীঠ” নামক প্রবন্ধটি এবং ইদানীং নির্ববাপিত “প্রদীপ”

৩/১

পত্রে প্রকাশিত “ককিব শাহজলাল” সঙ্বন্ধীয় প্রবন্ধ এতদ্‌ গ্রস্থতৃক্ত করিয়া পুনশ্চ বঙ্গীয় পাঠকবর্গের সমক্ষে উপস্থাপিত কৰা হইল।

সমন্ত প্রবন্ধেই অল্প অঙ্গ সংশোঁধন করিতে হইয়াছে কিন্তু কুত্রাপি বিশেষ ভাবে পরিবজ্জন বা পবিবর্ধনের প্রয়াস পাই নাই। সুদূববদধিস্থান হইতে প্রাক দেখিতে হইয়াছে, তজ্জন্ত ছুই চারিটি স্থলে অশুদ্ধি থাকিয়া গেল। সহ্ৃদয় পাঠকবর্গ তাহা নিজগুণে সংশোধন করিয়া লইবেন

ইতি-_

কটন কলেজ, গৌহাটি। 1 ভ্রীপদ্মনাথ দেবশর্ম্মা।

১৩১৭ বঙ্গাবাঃ।

৯, | সা. উপ 5 জা, মা ১৮ উপন্ধত জা” ই৯ ৪) শিক্ষিত সম্প্রদায়ের প্রতি 2০. এ:

সকল কাজেরই একটা উপক্রম আছে। অধিকাংশ স্থলেই দেখা যায, একাধিকবাব উপক্রমের পর কার্য্যেব স্চাক সাধন হইয়। থাকে সকুদ্ুপক্রমের ফলাফলেব উপর নির্ভর করিলে, জগতে আনেক বড বড কাজ অগ্য পর্যন্ত স্থুসিদ্ধ দেখিতে পাইতাম না। বাহবা আজ ক।ল ব্্ভাষাধ মাসিক পরাদিতে প্রবন্ধ লিখি- বার নিমিন্ত তনু নদ্ধ হইনে সঙ্কুচিত চিন্তে পরিহার প্রার্থন। করেন, সেই সকল স্তরশিক্ষিত বা্ির্গেব নিকট ছুই একটি কথ! বলাই এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য উপবি লিখিত কথাগুলি অবশ্যই তাহাব। বিদিত আছেন। লিখিবাব উদ্যম মাত্রই যে কেহ বঙ্কিমচন্দ্র কি কালীপ্রসন্ন হইযা বসিবেন, ইহ। প্রত্যাশ। করিতে পাবা যাঁধ না, এনং চেন্ট। কবিলেও, সকলেই যে “হলেখক” জ্।ভাক্‌ ভইবেন, কথাও বিশ্বাসযোগ্য নহে তবে, সাধা- রণেব নিকট সকলেবই অপেক পম কিছু কিছু বলিবাব থাকিতে পাবে , তাহা প্রাযশঃ মৌখিক বলিবাৰ সুযোগ স্থৃবিধা ঘটিযা উঠে না, ঘটিলেও তাহা! সচবাচব নিতান্ত ক্ষ-স্থাবীই হয়। স্তবাং যাহ! বক্তব্য, হাতে কলমে তাহ! বিজ্ঞাপিত করাই সুবিধা সকলেই, চেব্ট! করিলে, “স্থুলেখক” না হউন, মনের কথাটা

প্রবন্ধাষ্টক।

ভালবূপে সাধ।বণের পবিজ্ঞানার্থেপত্রস্থ কবিতে পাবেন, ইহা এক প্রকার ফ্রব। এবং তন্নিমিন্ত উপক্রম কবা সুশিক্ষিত ব্যক্তি- মাত্রেরই অবশ্যকর্তবা 1

কৃতৰিদ্ক নম্প্রদাধেৰ নিকট লোকে অনেক প্রত্যাশা কবিষা থাকে £ তাহাব। কোন্‌ বিষযে কি মতামত প্রকাশ কবেন, ইতব- সাধারণ উহ! জানিবাব নিমিভ্ উদগ্রীব হইয়া থাকে সদাশব ইংবাজ-রাজেব কৃপায, শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ নানাদেশের নান: জাতিব যে সকল জ্ঞানরাশিব অধিকাবা হইবাছেন, দেশস্থ সাধাবণ ব্যক্তিবর্গেব সমীপে উহাব প্রচার কৰা কি বিধেয নহে? অজ্ঞতা বা কুশিক্ষা প্রভাবে দেশে সমাজে বে সকল কদাচাব প্রবর্তিত হইযাছে বা হইতেছে, স্বদেশীঘ বিদেশীষ শীল এবং ধন্্নীতি প্রস্তুতির আলোচনাদ্বাব৷ মা্িতনুদ্ধি সুশিক্ষিত সম্প্রদীঘের উহা দৃবাকরণার্থে লেখনী ধাবণ কব! কি কর্তব্য নহে ?_-এবং বদি ইহ! বিহিত কম্ম বলিব! বিৰেচিত হয, তাহা হইলে শিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রেরই মনেব ভাব সুন্দবপে লেখনী-মুখে ব্যক্ত করিতে যত্র করা কি উচিত নহে?

বর্দমীনে অন্মদ্দেশীয়, কৃতবিছ্া সম্প্রদাধেব একট। বড়ই কলঙ্কের কথা শুনিতে পাওযা যায 1 বিগ্ভালযেব নিসীম: অভিক্রম কবিয়। বাহাব। শিক্ষাবিভাগের বহির্ভাগে বিচরণ কৰেন, তীহাদের অধিকাংশেই পুর্ববাধীত বিদ্ধা একেবারে ভুলিয়! যাঁন ; অপর সাধারণ লোকহুইতে তাহাদিগকে ৰাছির! বাহির কর এক প্রকার দায় হইযা উঠে। কেন এমন হুইল ?

শিশিত সম্প্রদাষেব প্রতি

বাইবেলে একটি উপকথা আছে। কোন প্রভু তদীয ভূত্য- ত্রযকে বথাক্রমে পাঁচটি দুইটি একটি মুদ্রা প্রদান পুর্ববক বিদেশ চলিয! বান। এখম ভূত্যটি তাহাব পাঁচটি মুদ্রাদ্ধারা ব্যবসাধ করিব! আব পাঁচটি লাভ কবিল। দ্বিতীয ভত্যও এঁরূপে আব ছুইটি মুদ্রা উপাচ্ন ববিল। হৃতীব ব্যক্তি, পাভুব মুন্রা প্রভুকে ফিরাইয! দিতে হইবে ভাবিযা, তদ্দ্ধনার্থে কোনও চেষ্টা কবা বিধেষ বিবেচন! কবিল না। বথাসমধে প্রভু প্রত্যাগত হইলে আপন আপন বুণ্তান্ত নিবেদন করিযা প্রথম ব্যক্তি দশটি, দ্বিতীব ঢাঁবিটি এবং তৃতীর একটি মুদ্র। আনিয়া, তীহাকে প্রত্যর্পণ কবিল। প্রথম দ্বিহীষেব প্রতি প্রভু নিরচিশয প্রীত হইযা বখোচিত পুবস্ব]নই বিধান কবিলেন; পরন্তু তৃতীব ভৃত্যকে নিতান্ত জকন্মণ্য ভাবিয। িরস্কাব পুর্ববক দুব করিয! দিলেন।

আমাদের ধর্তমান-কালীন শিক্ষিতের দলও প্রভুর ভৃতীব ভূত্যেব সম-শ্রেণীস্থ নছেন কি? তীহাব৷ বিদ্ভালযপ্রদত্ত জ্ঞান সাধারণ মধ্যে প্রচাব বপ ব্যবসায দ্বাব৷ পরিপুষ্ট করেন না, তাই স্থবীসমাজকর্তৃক তিরস্কীরের ভাজন হইয়া থাকেন। ভাহাদেৰ নিকট এই মাত্র নিবেদন,__ভীহাব। একটু আলম্ত পবিত্যাগ করুন ; একবার অধীত বি্কাব আলোচনা ককন , এবং দেশ- মধ্যে উহা শ্রাচার করিষ! উপাঁব লিখিত কলঙ্ক অপনোদন ককন।

গ্রস্থারজি্িত-জ্ঞীন বিশ্ববিগ্ভালয-বিনির্গত ব্যক্তি-বুক্জই ফে কেবল এই প্রবন্ধের বিবয়াভূত, এমন নছে। “শিক্ষিত

প্রবন্ধাইক

পর্যযায়ে এমন সকল ব্যক্তিকেও ধরা গিযাছে, ধীহারা নিজের ভূয়োদর্শনের ফলে অভিজ্ঞতা লাভ করিযা মানব সাধারণকে শিখাইবার বুঝাইবার উপযুক্ত অনেক বিষয় শিখিয়াছেন বুঝিয়াছেন, ধাঁহাদের চরণসমীপে বসিষ! অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বরপুকজ্র, সংসার, সমাজ, ধন্মনীতি প্রভৃতি গুকতব বিষষের সমীচীন মীমাংসা শিক্ষা করিতে পারেন অর্ববাঁচীন সমাক্ষেব উপদেশার্থ, উল্লেখিত প্রাচীনগণেব লেখনী ধাবণ কব! কি উণ্চত নহে ? এক্ষণে দেখা গেল যে লিখিবাব জন্য, অর্থাৎ মনেব ভাব স্থন্দবপে লেখনীমুখে ব্যক্ত কষ্িবাব নিমিত্ত, চেষ্টা করা সকলেবই কর্তব্য। বিষষটি একটু তল/ইযা দেখিলে বিছু সহজ বলিষাই অনুমিত হইতে পাবে। ঘ্বানব মাত্রই আমঝ। নিজ নিজ মনের ভাব বাগযন্ত্র কিম্বা লেখনীযান্ত্রব সাহায্যে আশৈশব প্রকাশ করিঘা আসিতেছি বিশেষতঃ ধাছাব। সুশিক্ষিত, তীহাব! ছাত্রাবস্থায দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, সাংবসবিক, বৈশ্ববিদ্ভালযিক ঞরভূতি অগণন পবাক্ষাসু্ধে উক্ত যন্তদ্ধযেব মত্যুদার ব্যবহাব কবিযাছেন; সম্প্রতি সংসাব-মঞ্চে উকীল হাকিম, কেরাণী শিক্ষক ইত্যাদিবিব্ধি বেশে দুই ঘন্ত্রেবই সহাযতায বিচরণ করিতেছেন, এবং এতদ্দাৰা মনের নান ভাব ব্যক্ত কবিব! আদিতেছেন। স্থতবাং ইহাব নিমিত্ত প্রযাসের কথ! কেন কথাট! এই যে, যাহ। সাধাবণেৰ দমালোচনার অবীন কদিয! পত্রস্থ করিতে হইবে, তাহা যেবপে একটু সংযত করিযা বিশুদ্ধভাবে প্রকাশিত হয, ত্পক্ষেই চেষ্টার প্রয়োজন; কেন না বিষষকর্মে

শিক্ষিত সম্প্রদায়ের প্রতি

ৰা চিঠিপত্রে, আমর। ভাষার সংযত বিশুদ্ধ ভাবের প্রতি মনো- যোগ দিবার অবসর সচরাচর পাইয়া উঠি না।

কিন্তু আরও একটি কথা, একটু গুকতর কথাই বক্তব্য রহি- য়াছে। পূর্ব্বে ষে বাগযন্ত্র লেখনীযন্ত্রের পরিচালনার কথা উল্লেখিত হইযাছে তাহার অধিকাংশ স্থলেই, মাতৃভাষার সঙ্গে অধুনাতন শিক্ষিত সম্প্রদীষেব সন্থন্ধ থাকে না বাল্যে বিদ্যালয়ে এবং সম্প্রতি বিষষকন্ম্ে ইংবাজী ভাষারই চর্চ1 করাতে, তাহাদের অধিকাংশই নিজেব মাতৃভাষার আলোচনায নিতান্ত পরামুখ , ইংবেজী ভাষ! যেন তাহাদেকু চিত্তট! যুডিযা রাঁখিযাছে, স্বদেশের ভাষা যেন স্থিতিবিরোধিতা নিষমে উহার কাছেও ঘেঁ'সিতে পারিতেছে না “বিবাহ-বিভ্াটের* মিঃ সিংহেব স্যাষ প্রকৃতই সাহাদেব বাঙ্গাল! বলিতে এন কষ্ট হয, এবং যাহা বলেন, তাহা ষেন মনে মনে ইংবাজী হইতে তরজমা করিযা! এবং শতকরা নিবনববইটি ইংরেজী শবে বুকনী দিয়! বাহির কঁরিযা থাকেন। তাহারা সংবাদ পত্র পাঠ করিবেন ইংরেজীতে, পুস্তকাদি পাঠ করিবেন ইংরেজীতে, পবস্পর আলাপ করিবেন ইংরেজীতে, এমন কি পিত। ভ্রাতা প্রভৃতির নিকট চিঠিখানাও লিখিবেন ইংরেজীতে স্থৃতরাং ইহারা বঙ্গভাষায কোন কিছু বলিতে বা লিখিতে গেলে তাহা পারিবেন কেন ? বখন তাঁহাদের মনে সাধারণকে বিজ্ঞা- পিত করিবার উপযোগী কোন ভাবের উদয় হয়, তাহা অগত্যা ইংরেজীতেই ব্যক্ত হইযা থাকে, বঙ্গভাষায উহা! প্রকাশ করিবার উপযুক্ত ভাষ৷ হার! খুঁজিয়াই পান না।

প্রবন্ধাষ্টক।

উপরি লিখিত প্রথাব পক্ষে প্রাষশঃ একটি যুক্তি শুনিতে পাওয়া বায ইংরাজ আমাদের বাজ! ; শিক্ষিত বাক্তিবর্গের কাজ কম্ম প্রা অধিকাণশ স্তলে বাজভাঘাতেই সম্পাদন কবিতে হয; এবং রাঁজপুরুষগণেব নিকট সমাদ্রব লাভ কবিতে তইলে, উত্তম বপে বাজভাষা লিখনেব কথনেব অভ্যাস কলা আবশ্যক . অতএব ই'বেজা ভাষার সমাক আলোচনা কৰা আবশ্যক আবশ্যক তাভাতে সন্দেহ নাই , কিন্ছু ভাই বলিয! সঙ্গে সঙ্গে দেশে ভ!পাটাবও ব₹কিধি"ত আলোচনা বাথ কি সঙ্গত নহে ? শিক্ষিত ন্ক্তিগণই খন দেশের যুখ্পাত্র, ভাঙাবা বদি মাডীভাষা পবিচর্ধা না কবেন, ভবে উহা আব বাহন নিকট আশ্রুব লাত করিবে ? বিশেষত, উাভাদিগেব স্মুবণ বাখ। উচিত এন ইদ্দানীন্ডুন কালে খাঁভাব! বজভাষান পুগ্ি সাপন 'কবিযাছেল, ভ্াভাদের প্র সকলেই ইংবেজা ভাঁধাহ বিশ্ব ্রতা এব” শানেকেউ বাজপুক গণেব সঙ্গেও বিশেষ ঘনিন্টভাঁপে সন্বদ্ধ। কবে মধুসুদন হেমচত্্র, নবীনচক্দ্র, উপন্যাসে বঙ্গিনচন্র, সৈশচন্দ্, সাধাবৎ

সাহিত্যে ভূদে, চন্দরনাপ) হব প্রনাদ, ঠা বগা বোখ হয আব বিশেষ কবিধা বলিহে হইবে না" ফলত নে মাতভাষানু শীলনে শুদাস্ত, উভা দেশের র্ভাগাবশ শিক্ষিত সন্প্রদ্ধাবেদ

এক মভণ্া জডতাব পনিসুচক ভাব মান, নচেৎ হাহা স্থশিক্ষিত, তাঁভাবা একটু মনোবোগ দিলেই এহদিষযে ন্যুনাবি কৃতিত্ব-লাভ অবশ্যই করিতে পাবেন

অনেকে এই বলিবাও গুদাসাহ্য প্রাদর্শন কবিয। পাকেন যে,

শিক্ষিত সম্্রদাষেব প্রাতি। ৭.

দেশী ভাষায পাঠোপবোগী গ্রন্থ বা পত্রিকা আদৌ নাই। পঞ্চাশ বুসর পূর্বে এপ বলিলে এক প্রকার মানিযা লইতাম ; বর্ঘমানে বঙ্গ ভাবাব অনেক পুষ্টিসাধন হইযাঁছে, এখন সে কথা স্ীকাধ্য নহে কিন্ত তণাপি বঙ্গভাবাব অনেক অভাব আছে, এব? সেই সকল অভাব দূৰ কবিবার জন্যইত শিক্ষিতগণকে আহ্বান নবা যাইতেছে যে সকল সুশিক্ষিত বাক্তিগণেব দ্বাবা এই অদ্ধ শতাব্দী মধ্যে বঙ্গভাষাব ঘুগ্রান্তব সাধিত ভইযাভে, তাহারা বদি এবপ যুক্তি ধবিঘা নিশ্চেক্ট থাকিতেন, ন্ভাহা হইলে বঙ্গভাষ ভারতবর্ষের অধুনাতন গুচল্নিত ভাষাবলীব মধো আজ এক অতি প্রধান স্টান অধিকীব কক্তে পাবিত কি? হাই নিবেদন, ভবিষ্য বংশে শিক্ষিতগণ বাহে মাতৃভাষায় পড়িবাব জিনিস আরও অধিক পরিমাণে পান, বর্শমান শিক্ষিত সম্প্রণীঘের ততপক্ষে বত্্রবান হওযা অবশ্য করন)

" যে সকল শিক্ষিত ব্যক্তি 'বঙগভাষার লিখিবাব জহ্য অভ্যাস করিতে ইচ্ছৃক াভারা কিনপে উহা! কবিবেন, ভাভ। প্বযংই বাছিব! লইতে পাবেন তথাপি এত সন্বঙ্গে ছুই একটি কণা তীহা- দিগের বিবেচনাপান কঝ বাইতেছে --

€১) প্রাচীন আধুনিক বিখ্যাত বঈ'্ষ লেখকগণেব বচিত গ্রন্থাবলী অধ্যঘন করা সর্ববান্রো কর্তব্য। ইদানীং যে সকল গ্রন্থকারুব বচন! বিশ্রুদ্ধ প্রাপ্তল বলিয! বিখ্যাত তাহাদের বচনাপ্রণালী দৃষ্টে স্বীঘ রচন! গঠিত বা মাঙ্ভিত করিতে হইবে

(২) বঙ্গভাষানভিভ্ত ব্যক্তিবর্গেব সঙ্গে আলাপ কবা কি চিত্ত

প্রবন্ধাষ্টক

গত্র লেখা, এবং রাঁজকাধ্য পরিচালনা পক্ষে ইংরেজী ভাষার ব্যবহার অপরিহার্য ; কিন্তু তদ্দিতর বিষয়ে মাতৃভাষারই অনু- শীলন কর্তব্য কথাবার্তায় তবু শিক্ষিত সম্প্রদায়, অবিমিশ্র না হউক, বন্গভাষা কিয় পরিমাণে ব্যবহার করিয়া থাকেন ; কিন্তু চিঠিপত্রে আদৌ উহার প্রচলন নাই। পিতা পুভ্রের নিকট, এবং পুত্র পিতার নিকট পত্র লিখিতেও “মাতৃ” ভাষা বর্জন করেন, ইহা অপেক্ষা আর আক্ষেপের কথা কি হইতে পারে ?

শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মধ্যে দিনলিপি (0)27৮ ) স্মাবক লিপি (10৮৪-০০০% ) প্রভৃতি লিখিবার খীদ্ধতি দেখিতে পাওয়া যাষ। ইংরেজীর পরিবর্তে সকল বঙ্গভাষাতেই লেখা উচিত | চিঠি পত্রাদি অপরেৰ গোচরীভূত হষ, কিছু গুলি কেবল নিজের নিকটেই থাকে, সুতরাং শিক্ষানবিশেধ পক্ষে একপে বচনাভ্যাসে কোনবপ সঙ্কোচের ভাবও আসিতে পারে না

(৩) বিবিধ ভাষার গ্রস্থরাঁজির অংশবিশেষ বন্ভাষায অনু- বাদ করা উচিত। প্রথম শিক্ষার্থীৰ পক্ষে রচনা শিক্ষার উহা একটি স্থগম উপায় বিশেষতঃ, নানা ভাষায লিপিবদ্ধ জ্ঞানরাশি হইতে ভাবসংগ্রহ পূর্বক মাতৃভাষার পরিপু্ি সাধন করা. ভাষার এই ক্রমিক উন্নতির অবস্থায, শিক্ষিত সম্প্রদায়ের এক অতি প্রধান কর্তব্য দর্শন বিজ্ঞান ইতিহাস প্রভৃতির ষে অভাব

থুপ্রসিদ্ধ রাজনারায়ণ বহু হহোদয় “সাহিতা-পতিধদে সঙাগণকে পরম্পন্ধ আলাপ চিটি পত্রাদিতে বঙ্গভাষার বাবার ক্িতে অনুরোধ করিয়।ছিলেন ! উ্ (িষয়ে পরিষদের সভ)গণ কতদূর মনোযোগ দিতেছেন, জানা বায় লাই

শিক্ষিত সম্প্রদায়ের প্রতি

শ্ীশশীশিশীশিশ্ীী শশী শিট শি শিীবিশীশিশীশা শািাীীশীশীীঁাা

বর্তমানে অনুভূত হইয়া! থাকে, তাহা! রূপেই পুরণ করিতে হুইবে, এৰং অনুবাদ অভ্যাস থাকিলে তগুপক্ষে বিশেষ সহায়ত! হইতে পাঁরে।

(৪) রচনাবিশুদ্ধি এবং শব্দসম্পত্তি লাভের নিষিত্ত সংস্কৃত ভাবার আলোচনা কর! আবশ্যক সংস্কৃত অতি জটিল ভাষা! এবং সম্যক আয়ত্ত কহা কঠিন, সন্দেহ নাই। কিন্তু ধাহারা বিশ্ববিষ্ভালয়ে কিয়দুব প্রবেশলাঁভ কবিযাছিলেন তাহাদিগকে অবশ্যই কিছু না বিছু সংস্কভীলোচনা করিতে হইযাছিল ; এবং যদিও বিষযবাধ্যে লিপ্ত হইযাকি তৎপুর্বেবই তাহার! সংস্কৃতের

ংত্বব পরিত্যাগ করিযা৮ন, তথাপি, জুডতা পবিহার করিয়। পূর্ববাধীত গ্রন্থগুলির কিথিৎ, আলোচনা কবিলেই, বোধ হয়, অনেকে সাধারণ সংস্কৃত বুঝিতে পারিবেন এইবপে কিছু বুযুৎ" পত্তি জন্মিলে এবং সঙ্গে সঙ্গে একটু আবাস স্বীকার করিলে, তাহারা শকুন্তল্! প্রভৃতি উৎকৃষ্ট গ্রন্থেব রসাস্মাদন কবিয়া পরি- শ্রমের সফলতাও অনুন্ৰ করিতে পারিবেন সংস্কৃত না জানাতে অনেকে সামান্ত পত্রখান লিখিতে গিষাও যে কত বর্ণাশুদ্ধি, শব্দের অপপ্রযোগ প্রভৃতি অমার্জনীয় দোষ, ঘটাইয| থাকেন, তাহার ইন্ত্া। কর! দুঃসাধ্য

৫) প্রবন্ধের প্রারস্তেই বল! হইযাছে, উদ্যমমাত্রেই কৃতিত্ব- লাভ কব! দুঃসাধ্য উদ্ভমকারী যে সকল বচন! করিবেন, তাস্া দুই একবার নিজে সংশোধিত করিয়া, অপেক্ষাকৃত খ্যাতিমান্‌ লেখকদিখের মধ্যে কাহাকেও দেখান উচিত অতিশয শালীন-

9 প্রবন্ধাুক।

শীলতা কিংব! প্রভূত আন্মনির্ভবতা অবলম্বন পরর্ববক স্বীয রচনা অপরকে না দেখাই» অভিনব রচধিতা' যেন সহসা উহ! বিৰর্ভিত বা প্রকাশিত না কবেন , কেনন! নিজেব দৃষ্টিতে যাহা ৰিসংবাদিভাৰে মন্দ বা ভাল ৰলিযা বিবেচিত ভয, অপবেব চক্ষুতে তাহ! তদ্দিপবীত প্রতীযমান হইতে পাবে

প্রবন্ধাদি লিখিতে গেলে ঢইটি বিষষেব গ্রযোজন-_ভাব ভাষা ; প্রবন্ধকে একটা চেতন পদার্গ ভাবিষ। ভাবাকে উহার শবীব ধবিলে ভাববে উনান প্রাণ বলিতে হইবে! ভাষাবপ শবীবেব উপাদান বিঘঘে ববং মহালত গাদান বব] লাইতে পাবে, এবং এতহপ্রাৰন্ধে বিষ্ষেই দই একটি কৃগ। বল। হইল, কিন্তু ভাৰবপ প্রাণ সন্বন্ধে কোন কম্া বল বউ বঠিন। ভাব দ্বিবিধত-্রতিভা-জাত এব অভিভ্ঞত।-লপ্দ জদষে যাঁর সন্ঞ' থাকিলে ভাষা আপন; আাপশি বভিগহ তব? সেই ভাব গ্রতিভা-সন্ুত। উহা থাতাব আচে, চে প্রতিভ্াশাল ব্যক্তিকে লিখিবাব নিমিন্ অন্রবোধ কবিতে ভঘ নও ভাষ। বিবষে উপ- দেশ দিতে তব ন'। তিনি বাহ! ভিখিবেন তাহাই উত্রুষ্ট সাহিত্য, ভাহান ভুল ভ্রান্তিও আল বলিবা আদত হইযা থাকে পবন্থু বেসবল স্শিক্ষিত বালতি ভুযোফনদনেব ফলো এবং প্রন্তাদি অধ্যঘন দ্বাবা ভাব-সণ্গ্রভশাল, সেই সবছা ব্যক্তিই এতৎ প্রবন্ধের লক্ষা।

জগতে প্রতিভ।বান্‌ বান্তিগণ ভাব সৃষ্টি কবি! থান, অপর শিক্ষিত ব্যক্তিগণ তাগ আন্ত ববিযা আলোচনা আন্দোলন

5১১ আচাধ্য ধাষিগণেব খণ স্বাধ্যায অধ্যাপনা তপস্ঠা প্রভৃতি দ্বার! পবিশোধ কবিবার ব্যবস্থা আছে, ভাবশান্ত্রেও তঙ্রপ গ্রতিভাব খণ আলোচন। প্রচাব কার্ধা দ্বারা পরিশোধ কবিতে হইবে। আামাদেব শিক্ষিত সম্প্রদাষ ইভা স্মবণ বাখিযা, যথীশক্তি এত কার্যে এই সাহিত্য-সেবকেব সঙ্গে যোগদান করেন, ইহাই প্রার্থনা

[ সাহিত্য-সেনক, ফান্ঘন ১৯০২1]

আধুনিক সংস্কৃত শিক্ষ। সমালোচনা |

পক্ষ

এমনও দিন গিয়াছে যখন নব্যবঙ্গ, সংস্কৃত গ্রন্থ কি সংস্কৃত শিক্ষার প্রেতি অশ্রদ্ধার ভাব পরিপৌধণ করিতেন সম্প্রতি সে ভাবের তিরোধান হইয়াছে এবং তগুপরিবর্তে, অনেকেরই পুরবব পুকষদিগের ভাষার প্রেতি শ্রদ্ধা অন্তরাগের উদ্রেক দেখা যাইতেছে দেশের লোক বুবিযাছেন, সংস্কৃত চর্চাই স্বদেশের প্রাচীন ইতিহাসের অবগতি এবং পৈতৃক সনাতন ধর্মের অনুশীলন ইত্যাদি বিষয়ে কৃতকার্য হইবার একমাত্র উপাষ কিন্তু বুঝিলে কি হইবে, একমাত্র সংস্কৃত শিক্ষা জীবন উৎসর্গ করিতে হইলে যেত্যাগ স্বীকারের প্রযোজন, তগুকরণে বজদেশীয় ব্যক্তিগণ দর্ববথা পরাঘুখ অর্থকরী ইংরেজী বিদ্যার অনুশীলনেই সর্বদা তাহাদিগকে যত্রশীল দেখা যায়।

অনেকেই আক্ষেপ করিয়! বলির! থাকেন, পুবেব বে সমস্ত যোল আনী পণ্ডিত দেখা যাইত এখন তেমন পণ্ডিত আব দেখিতে পাই না। কালধধ্মবশতঃ লোকের ধারণা শক্তির হ্রাস হইতেছে ইহাও উহার অন্যতম কারণ বটে ; কিন্তু প্রধান কারণ এই ষে আমাদের অনেক পুক্র থাকিলে যেটি সর্বাপেক্ষা নির্বেবাধ সচরাচর তাহাকেই আমরা সংস্কৃত শিক্ষার্থে উত্ন্ষ্ট করিয়া থাকি।' অপেক্ষাকৃত বুদ্ধিমান অপর সন্তানগুলিকে, অর্থহেতু

আধুনিক সংস্কৃত শিক্ষা সমালোচন!। ১৩

ইংরেজী শিক্ষায় নিয়োজিত করি। এমন ব্যক্তিদিগের ছার! পণ্ডিতবর্গের পূর্ব্ব গৌরব অক্ষুণ্ন রাখিবার আশা করা বুথ!

বুদ্ধিমান্‌ ছাত্র যে সংস্কৃত শিক্ষায় জীবন উতসর্গ করে না এমনও নহে। কিন্তু আজকালকার সংস্কৃত শিক্ষার যে প্রণালী বঙ্গদেশে প্রচলিত তাহাতে অনেক বুদ্ধিমান ছাত্রকেও পরিশেষে হতবুদ্ধি হইতে হয়।

সর্বাগ্রে ব্যাকবণ অধ্যবন করাই সংস্কৃত শিক্ষার রীতি; তাহ প্রশস্তই বটে বিন্থু বর্তমানে ব্যাকরণ শিক্ষার প্রণালীতে ষে গলদ প্রবেশ করিষাছে তাক্ক! স্বীকার করিতেই হুইবে। বঙ্গ- দেশে মৌলিক ব্যাকরণ অধীত হয না। পাঁণিনীয় প্রভৃতি ব্যাকরণেব খু'জ খবরও অন্নেকে রাখে না কলাপ ব্যাকরণকে সম্পূর্ণাবযব মৌলিক ব্যাকবণ' বলিতে পারি না ।* অজ্ঞ রাজাকে অনধিক আযাসে সংস্কতের মোটামুটি জ্ঞান দিবারু জন্যই এই ব্যাকবণের শস্তি। স্থৃতরাং কলাপ ব্যাকবণে মোটামুটি মাত্র জ্ঞান জন্মিতে পারে চুড়ান্ত জ্ঞান জন্মাইবর জন্য, পরিশেষে, পরিশিষ্ট, পণ্ভী, কবিরাজ ইত্যাদি অধ্যযন করিতে হয সমু- দয় একত্র কবিলে মৌলিক পাণিনীয* ব্যাকরণের প্রা দ্বিগুণ আয়তন হয, অথচ একমাত্র পাণিনীয ব্য।/করণ পিলেই, অধিক না হউক, অন্ততঃ সেই জ্ঞানটুকু অবশ্যুই হইবার কথা

তারপন্প ব্যাকরণের ভাষা অবশ্য, প্রথম শিক্ষার্থীকে যে,

কচ পূর্ব বঙ্গের চতুষ্প।ঠীর ছাত্র অধ্যাপকমহোদয় দিগকেই লক্ষ করিয়া এই প্রধন্ধ লিখিত হইয়াছিল ; তাই কলাপ ব্যাকরণেরই মাত্র উল্লেখ কর! হুইয়াছে।

১৪ প্রবন্ধা্টক

অনেকটা! ন| বুঝিয়া ক্ন্থ করিতে হইবে তাহা অপরিহার্য কিন্তু প্রথমতঃ, বঙ্জভাষাষ বিষ্ভাসাগর মহাশযেব উপক্রমণিকাব স্কায় ব্যাকবণেব অধ্যঘন দ্বাবা শব্দ, ক্রিষা, কারক, সমাস প্রভৃতির সাধারণ একটু জ্ঞান জন্মাইতে অতি অল্প বয়স্ক শিশু- দ্বিগেরও অধিক দিন লাগিতে পারে না; অথচ “সিদ্ধ বর্ণ সমান্বায়ঃ* প্রভৃতি সূত্রের অর্থ বোধ না হউক, অন্ততঃ অন্থয় বোধ অনায়াসেই হইবে এবং এতদ্বারা শীত্র শীগ্র নুত্রাদিব অর্থ পবিগ্রহ আযত্তীকরণেব অনেক সাহাব্য হইতে পাবে। কিন্তু সংস্কৃত শিক্ষার এই বীতি প্রচলিত নাই৭ সন্ধি চতুষ্টয় পধ্যন্ত কেবল শুকবৃত্িই অবলম্থিত হয়, তাঁবপব বদি ছাত্রেব অদৃষ্টে থাকে আখ্যাতে খ্যাতি লাভ কবিতে প্পারে। কলাপ পড়িযা পাঁচ ৰৎসবের ন্যূনে অতি বুদ্ধিমান্‌ াত্রকেও ব্যাকরণে পাবদ্শী হইতে সচরাচর দেখ! যায না। পাণিনীয় ব্যাকরণ যে এতদপেক্ষ' অনেক অল্লতব সময়েই আরম্ীকৃত হইতে “পাবেঃ তাহা নিঃসন্দেহ ; অথচ ইহাতে একটা মৌলিক ব্যাকরণ অধীত তষ বিশেষতঃ কলাপ পড়িযা যখন ছাত্রগণ সাহিত্যাদি পড়িতে যায, তখন মল্লিনাথ প্রভৃতি মহামহোপাধ্যায়গণের টীকাতে কলাপেব সুত্রাদির নাম গন্ধও না দেখিবা হতাশ হয়, এবং নৃতন কবিয়। তাহাদিগকে ব্যাকরণান্তবের সুত্রা্ি পুনরভ্যস্ত করিতে হয়? গোড়া হইতে পাণিনি পড়িলে এই বিড়ম্বনা ভোগ করিতে হইত না।

এই গেল ব্যাকরণের কথা। দর্শন স্ক্রতি প্রভৃতি অধ্যয়নে

আধুনিক সংস্কৃত শিক্ষা সমালোচনা ১৫

ঝপ গলদ গ্ঠায় ছাডা বঙ্গদেশে আর কোনও দর্শন প্রচলিত নাই বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। বেদশান্ত্রবিবর্জন যে অনেক দিন হইল হইয়াছে, তাহা আব উল্লেখ করিব ছুর্দশার স্মৃতি- দ্বারা মনকে বৃথা ক্রিষ্ট কবিতে চাই না যে সন্ধ্যা উপাসনাব সময় গোটা কতক মন্ত্র, শ্রাদ্ধা্দির সময় পঠিত কতকগুলি বচন, তাহাও সাপেব মন্ত্রের ম্যাব অর্থ গ্রহণ না করিযা উদশীর্ণ করা হয; ইহাতেই আমাদের বেদভ্ান পর্যবসিত বেদ্েব অক্তেব সঙ্গে সঙ্গে বেদান্তেবও তন্তদ্ধীন এবং বেদাঙ্জেবও অজহীনত। ভইযাছে। বে বলে বলীযান্‌ ছইযা ভগবান্‌ এঙ্কবাচাধ্য ধণ্মেব যুগান্তর উপস্থিত কবিযাছিলেন, যাহাব মহিমায আধ্যগণ অসার বিষয় সুখে জলাঞ্জলি দিযা একমাত্র ধর্ীলোচনাব প্রবৃত্ত হইতেন্ব, সেই বেদান্ত উপনিষদাবলীব আলোচনা চিবতবে পরিত্যাগ করিঘ৷ নিগ্ষল তর্কাদি শাস্ত্রে ,আশ্রব গ্রহণ কবেই বর্তমান রাহ্মিণ পপ্তিতগঞ্জের অধ্চপতন ঘটিযাছে , ত্রাহাবা বিষযলোলুপ হইয়াছেন এবং বিধন্ম উপধন্মের আক্রমণ হইতে সনাতন খ্রের রক্ষা সাধনে অক্ষম হুইযা পতিয়াছেন।

জ্যোঠিংশান্ত্রের দুরবস্থার কথা আর কি বলিব? মুলগ্রস্থ পরি- ত্যাগ করিয়া কতকগুলি সন্কেতাবলম্বনে নিবক্ষরপ্রায় গণকগণের দাবা ইহার চর্চা হইতেছে % আযুর্ব্ধ্দ শাস্ত্র সৌভাগ্যক্রমে

শপ স্প্পীপিসীাপিস পাপী পিশিপপশ পপ? পপি পল

সু এই সক কথা এই পত্রের বিগভ সংখ্যায় বিগুদ্ধা সিদ্ধান্ত পণ্রিকা” সগালোচনাথে লিখিত প্রস্তাবে আমাদের যাননীর় অধ্যাপক শ্রীযুক্ত রাজকুমার সেন গুণ এব+৪এ মহোদয় বিশদভাবে দেখাইয়াছেল।

১৬ প্রবদ্ধাষ্টক

বৈষ্ভ মহোদয়গণের হস্তে স্াস্ত স্ত হইয়াছিল, তাহাতেই এই ঘোরডর প্রতি্বশ্বিত'র দিনেও উহার বিলোপ ন৷ হইয়া একটু উন্নতিই দেখা যাইতেছে কিন্তু অগ্থচিকিতস! চিরকালের জন্য বিলুপ্ত হুইয়াছে। আগম শাস্ত্র হাতুডেদের হাতে পড়িয়া প্রায় পটল ভুলিয়াছে। আরও কত শাস্ত্র যে বিলুপ্ত হইয়াছে হইতেছে তাহ! কে বলিতে পারে ?

ব্যাকরণ বাতীত আজ কাল যাহা কিছু আলোচিত হয় তাহা! কেবল স্মৃতি, পুবাণ, স্যাষ এবং কিয় পরিমাণে সাহিত্যগ্রস্থ স্মৃতিশাস্তু কিঞ্িৎ অর্থ প্রাক, কেননা তৈলবটাদিতে কিছু কিছু প্রাপ্তির সন্তাবনা , সুতরাং তাহাব আলোচনাদিও হইয। থাকে ; কিন্তু অধিকাংশ লেক মূল প্রাচীন স্মৃতি গ্রস্থাদি উপেক্ষিত হুইয। থাকে খবিপ্রতিম বন্ুনন্দন ভাগ্যে একখান! সংগ্রহ গ্রন্থ রাখিযা,.গিঘাছিলেন তাই আমাদেব স্মৃতি ব্যবসাধীদের বেশ একটু পার চলিতেছে , নতুবা যে কি হইস্ব বল! যায ন1। সংহিতাির আলোচন!| বর্তমানে সম্যক হব না! বলিলেও অন্যায় হয না। পুবাণ শান্ত্রও কিছু একটু অর্থদায়ক ; কেননা, পাঠকত। করিতে গেলে এবং শিষ্যাদি বাখিতে গেলে পুরাণের অধ্যবন প্রযোজনীয ; কিন্তু তাহাও বড বেশী লোককে পড়িতে দেখা যায় না। ন্যাষশাস্স্রের দুর্দশ|! বিডদ্বনার কথা এক মুখে আর কত কহিব? গোৌতমাদি খধির মৌলিক সূত্রা- দির চর্চা! অতি অল্প মাত্রই হইয! থাকে বিশেষতঃ কি কুক্ষণ্ণে কি পাত্‌ড়! রূপিণী দুইটা রাক্ষসী আসিয়াছিল, যে ধাঁহার!

আধুনিক সাত শিক্ষা সমালোচন? | ১৭

ম্ায়গহনে প্রবেশ করেন, ভাহারাই হয় অন্ধ পথ হইতে পলায়ন করেন, নয একেবারে মাথাটা হারাইযা আইসেন ; দৈববশে রুচি কেহ রাক্ষসীর সংগ্রামে জযলাভ কবিয়া প্রত্যারুন্ড হন, কিন্তু তাহাদের সংখ্যা! অতি অল্প।

বর্তমানে কাব্াদির এবং তৎুসঙ্গে অলঙ্কাব শাস্ত্রের সমধিক আলোচনা আরন্ত হইযাছে। তবে কি পণ্ডিত মহাশরের! কাব্ামত রসের আস্বাদ করিতে ভালবাসেন £

ইংরেজী বিদ্যালযে সংস্কৃতের বাহ কিছু চর্চা হয তাহা কেবল সাহিত্যেরই স্কুলগ্ককলেজে সাহিত্ গ্রস্থাদি অধীত অধ্যাপিত হইয়া থাকে হাই পণ্ডিঠিব আশা অনেকে কাব্যের প্রতি মন দিতেছেন এবং অলঙ্কার ন। জানিলে সাহিত্য চলেনা, স্থতরাং তাহারও কিয় পধিমাণে আলোচন! বরিয়া থাকেন। কঠোর নীরস ন্যায়, স্মৃতি প্রহঠি ঠর সঙ্গে সঙ্গে কোমল মধুর বাধ্যের কিছু কিছু আলোচনা হওযা সর্ধ্বথ। নাস্থনীয়। কিন্ত ভয় হর পাছে কাব্যের রসে বিভোর হইব অন্ান্ত শাস্ত্রের আলোচন। পরিত্যাগ পুর্ববক ব্রাঙ্গণ পণ্ডিতগণ পূর্ণ মাত্রায় বিলাসী হইয়া পডেন। খেকপ কালুমাহাত্থ্য দেখা যায়, ইহা যে ন। ঘটবে, তাহা কে বলিতে পারে £ তবেইত হিতে বিপরীত হইবার জস্তাবন| |

উপন্ংহারে মামাদের এই বক্তব্য যে আজ কাল ক্রমশঃ ব্রাহ্মণ পণ্ডিতগণের যেরূপ হাস দেখা বায তাহ।তে শঙ্কা হয় পাছে ঝা ক্রিল্লা কাণ্ডেরই লোপ হয়। এই বপতভ্রাসের কারণ” এই বে

চু

১৮ প্রবন্ধা্টক

ব্রাহ্মণগণ এক্ষণে সংবম-ধন নহেন, সেই “অসম্ভষ্টা ছ্িজা নষ্টাঃ, প্রভৃতি নীতি ভুলিয়া! জীবনসংগ্রামে ব্যাকুল হুইয়া পড়িয়াছেন। ইহা কালের ধর্ম এবং সমাজের ছূর্ভাগ্যের হেতু সন্দেহ নাই। অতএব সংস্কত শিক্ষার রীতির জটিলতা বিষয়ের গভীরতা একটু কমাইয়া, যাহাতে অল্প বুদ্ধিমান্‌ ব্যক্তিও ভাবা এবং বিষয়ে একটু প্রবেশ লাভ করিতে পারে তদনুষ্ঠানে ফত্ববান্‌ হওয়া অধাপক মহোদযগণের কর্তব্য যে সকল ছাত্র ইচ্ছা সত্বেও সংস্কৃত শিক্ষা! প্রণালীর বিষয়াবলীর ছুবহত্বে ভীত হইয়া! স্তুখ- পাঠ্য ইংবেজী নিদ্যার আশ্রয় গ্রছণ করে, বিষয় প্রণালীব পরিবর্তন হইলে তাহার! সংস্কৃতই অধ্যয়ন করিবে এমন আশা কর! যাইতে পারে সেবপ পরিবর্ধন কি উপায়ে করিতে হইবে, তদ্বিষয়ে উপাধ্যায় মহে।দয়েরাই করব নির্ধারণ ককন, আমর! তশুকরণে অনুধিকারী 1 তবে এই মাত্র বলা যাঁয, যে এক্ষণে আর ফাঁকি পাভ্ডার দিন নাই, স্থৃতরাং এই মকল আগাছা পরিত্যাগ করিয়া যেবপে মৌলিক দর্শন, স্বৃতি, ব্য/করণ প্রভৃতি গ্রস্থাদি

আলোচিত হয এবং সঙ্গে সঙ্গে কাব্য পুবাণ ইত্যাদি অধ্যাপিত হয় তাহ। করিতে হইবে। র্রিশেষতঃ এই ধন্মন বিভ্রাটের সময়, ছাত্র- গ্রণ যাহাতে ন্ববর্ম্মেব মাহাত্ম্য প্রথমতঃ নিজে বুঝিয়াঃ পশ্চাৎ উন্মার্গ প্রন্থ।নোম্মুখ সামাজিক ব্যক্তিদিগকে বুঝাইতে পারে, অধ্যাপক মহাশয়েব! উহাদিগকে সেইবপ ভাবে শিক্ষা প্রদান "করিবেন বর্তমানে প্রয়োজন, যে ব্রাঙ্গণ পণ্ডিতকে একাধারে নৈয়ায়িক, শাব্দিক, স্মার্ত, ধর্ম্োপদেষ্টা সমস্ত হইতে হুইবে; ছাড়া

আধুনিক সংস্বতে শিক্ষা সমালোচন! ১৯

ব্রাহ্মণরৃত্য বাজনিক ক্রিয়া কাণ্ডেও পারদর্শী হইতে হইবে। সুতরাং কেবল শ্যায়-ব্যাকরণের ফাঁকি পাতড়াষ দিন কর্তন করিলে অবশেষে ছুববস্থাব পরিসীমা থাকিবে না বিচারমল্লের বিজধেব দিন চলিয! গিযাছে, সেই জন্য মনুশৌচনা করি না, কিন্তু ব্রাঙ্গণ পঞ্ডিতেব। যে নান! শান্সের সারচ্ল হয়েন না এবং তাহাদেব নিকট যাইযা ধণ্ধতন্তপিপাস্ ব্যক্তিরা যে পরিতৃপ্ত হুইতে পাবেন না, উভাই ছুঃখের বিষষ

[ সাবস্বত পত্র, ২৬শে বৈশাখ ১২৯৯ ]

ভটি কাব্যের গ্রন্থকার | *

পাশে কীট

“কাব্যং বশসেত্থরুতে ব্যবহাববিদে শিবেতরক্ষতয়ে সদ্দাঃপর নির্ববৃতষে কান্ত।সন্মিত তযো পদেশযুজে ॥”

কোন কাব্যের টীকার্দি লিখিবাব পুবের প্রাচীন টাকাকাবগণ প্রায়শঃ মম্মটভট্রেব এই কবিভাটি উদ্ধত করিধা থাকেন। উক্ত কবিতাতে কবিব কাবা লিখিবাব প্রযোকন এবং পাঠক সাধাবণেব উহাব আলোচনা কবিবার আবশ্বকত। প্রতিপাদিত হইযাছে কবি কাবা লিখ্ন"-€ ১) “্যশসে » -সনর কীত্তি লাভ করিবার নিমিভু , (২) ণঅর্থপ্লতে” ধন লাভের জন্য ,_- উদ্দাহরণ স্থুলে ““্রীহর্ধাদের্বাবকাদীনামিব ধনং” বলা হয়। কাশ্মীরাধিপতি শ্রীহর্দদেবে কবিযশংস্পুা বডস্টু বল্‌্বতী 'স্থিল, অথচ তদনুব্প কবিত্ব শক্তি ছিল না, তাই দকিদ্র ববি ধাবককে প্রচুর ধনদান পূর্ননক বত্বাবলী নাগানন্দ প্রভৃতি প্রণয়ন কবাইয়া “্রীহর্ষে নিপুণ কবিঃ” ,এই খ্যাতি লান্ত ববিয্বাছিলেন। ণ* করির কাব্য লিখিবাব তৃতীয প্রযোৌজন--_ শিবেতরক্ষতয়ে” অমঙ্গল বিনাশনের নিমিত্ত যেমন মধূরভট সূর্্যশতক প্রণয়ন

* শিলং সাহিত্য সভার সগালোচনী শাখার বিশেষ অধিবেশনে” প্রীযুক্ত পল্মনীথ সষ্টাচাধ্য বির্যা বিনোদ, এম, কর্তৃক পঠিত হইত জস্মভৃমি-চঞ্পদক | + এই উপাহরণের যাথার্ঘ্য সম্বন্ধে অনেকেরই কিন্ত সন্দেহ আছে।

কাব্যের গ্রন্থকার ২১

করিয়া দুবারোগ্য কুষ্ঠন্যাধি হইতে মুক্তি লাভ কবিযাছিলেন। এই গেল কবির কণ।। তাঁবপব পাঠকেব কগ!। উহার কাব্যালোচনা করিবেন,--(১) পব্যবহাববিদে” --লোকাচার পরিজ্ঞানেব নিমিত্ত ; মেমন মুচ্ছকটিক নাটক পডিলে বাজা শৃদ্রকের সমযে (প্রা ৩৭০ খুঃ পু) ধশ্মাধিকবণে কিকপ বিচাব প্রণালী প্রচলিত ছিল, শাহ জানা নাব। (২) “সদ্য পরনির্বব তযে কাবাপাঠমাে৯ কি এক আঅনিববচনীয আনন্দ- বসে ছদষ আপ্ত হইয়া সাব, তাহার অন্রভবেব নিমিভ | বিশেষতঃ ৩) “বান্তাসম্মি তয়োপদেশযুজে'”--হ্ষুতি প্রভৃতি আমাদিগকে প্রভুর নাধ সাঁদেশ কবেন, পুবাঁণেতিহাঁস বন্ধুব শ্টাষ উপদেশ প্রদান কবিষা থাকেন, কিন্তু পতি হিতৈষিণী প্রাণয়িনলী যেকপ উন্মার্গগীমী ভর্ভীকে বসব বুঝিবা নানার্ভী্দে বিনাইয়া কোমল মধুর স্ফটাম্দট বচনাবলীঘ্বাবা ধীরে ধীবে সশপথে কঁঙিতে উপবোর্দা কবিযা থাকেন? জপ বাবাও পাঠকেব মনে নানা রস ভাবেব অবতাবণা কবিষা, তাভাবই ভিতব দিযা মহ চবিত্রেব সাধু আদর্শ প্রভৃতি অলক্ষিত ভাবে জদঘ-পটে মুদ্রিত করিযা, অল্লাধিক উপদেশ প্রন করিষ। থাকে উল্লিখিত উদেশ্যাবলীব কোন্টি অবলম্বন পরর্বক ভন্টিকাব্যেৰ গ্রন্থকার তদীয় মভাঁকাৰ্া প্রণয়ন করিযাছেন এবং উহা পাঠ করিলে গ্লাঠকেরই বা কি হল লাভ হয়, তাহা প্রসঙ্ক্রঙ্গ যথাস্থানে আলোচিত হইনে। উপস্থিত, ভটিকাবা কাহার রচিত-_ইহাই আমাদিগেব গ্রাধানভঃ আলোচনার বিষয় ভর্ভ-

হই প্রবন্ধাষ্টক।

হরিনামক কবি এই গ্রন্থের প্রণেতা বলিযা নিদ্দিউ হন। তাহা হইলে সংস্কৃত সাহিত্যে দুইজন কবি ভর্ভহরি নামে খ্যাত ছিলেন * বলিতে হইবে ;€ ১) শূঙ্গার-শতক, নী'তি-শতক এবং বৈরাগ্য-শতক এই কোধকাব্যত্রযের গ্রন্থকার এবং (২) তট্িকাব্যের রচয়িতা এস্থলে আপত্তি হইতে পারে যে, ছুই জন ভর্তৃহরি কল্পিত না হইয়া একজন কবিকেই শতকত্রয় এবং ভ্টিকাব্যের রচয়িতা বলা যায় না কেন? এই আপত্তি খণ্ডনেব নিমিত্ত ছুই প্রকার প্রমাণ প্রঘোগ কবা বায। প্রথম বাহ্য, কোষ-কবি ভর্তৃহরি এবং ভরি-ক্বি ভর্তৃহরিব ভিন্ন ভিন্ন জীবনা- খ্যায়িকা লোক সমাজে প্রচাবিত আছে দ্বিতীয় আত্যন্তর; ভাহাদিগের বচিত কাবা মধ্যে বিভিন্ন ভাব কচি পরিলক্ষিত হইয়! থাকে।

শৃঙ্গার-শতক প্রভৃতি রচয়িতা! ভর্তহরি রাক্তা ছিলেন। কথিত আছে, তিনি-_-ভারতের হাকণ-অব-রশিদ- রাজা বিক্রমাদিত্যের অগ্রজ ছিলেন। মধ্য যুগের রাজন্য বর্গের যেমন বীতি ছিল, তিনিও তক্রপ বিলাসী রাজ্জা ছিলেন। কথিত আছেঃ একদিন কোন সন্ন্যাসী একটি ফল আনিয়া রাজাকে বলিলেন বে এই ফল ভক্ষণ- কারী বাক্তি চিরযৌবনসম্পন্ন হইবেন। ভোগ-বিলাস-পরায়ণ সত্র রাজা, নিজে না খাইয়া, সেই ফল রাণীকে উপহার দিলেন রাণীর এক উপপতি ছিল, তিনি তাহাকে দিলেন। ব্যক্তির

* শঙ্দপান্ত্ের সম্্রদায়-বিশেষ-গুরু, বাকাপদীয় নামক প্র রচয়তা প্রসিদ্ধ ভর্ৃহরি এই দুইজনের অন্তর্গত কিনা, তাহা অনুসন্ধান কর! উচিত। শু” সং।

ভঙিকাব্যের প্রস্থকার। তত

' অপর এক উপপত্বী ছিল, সে উহ্হাকেই কল অপণি করিল সেই রমণীর আবার রাজার প্রতি প্রগাঢ় আসক্তি ছিল, সে পরকীয়! ভাষের নিষ্ছামত্ব প্রদর্শনপূর্ববক রাজাকেই ফল প্রদান করিল। এইরূপে ফলটি পুনঃ প্রাপ্ত হইয়া রাজ। বিস্রিত হইলেন এবং অনু- সন্ধানপৃর্ববক আমূল বৃত্তান্ত জানিতে পারিয়া সংসারে বীতরাঙগগতা- বশত ততক্ষণাত অবধৃতাশ্রম গ্রহণ করিলেন। প্রবাদ--তদীয় নীতি-শতকের প্রথম প্লোকে এই ঘটনাই উল্লিখিত হইয়াছে-__ “ষাং চিন্তপ্লামি সততং ময়ি সা বিরক্তা সা চান্তমিচ্ছতি জ্রং জনোইন্যরক্তঃ। অন্্ংকৃতেহপি পরিতুষ্যতি কাচিদন্যা ধিক্‌ তাঞ্চ তং মদনঞ্চ ইমাঞ্চ মাধ & এই ভর্তৃহপ্লির জীবনী * অনেক পরিমীপে শান্তিশতককার শিহলন মিশরের * অনুরূপ। শৃঙ্গার, নীতি বৈরাগ্য শতকের উঁদেস্ট ভাব, প্রায় শাস্তিশতকেরই ম্যার। এমন কি, ভর্তৃ- হরির অনেক কবিত৷ শাস্তিশতকে অবিকল দেখিতে পাওয়া যায়; উদাহরণ স্থলে নিম্ে এঁকটা শ্লোক উদ্ধৃত হইল। ইহাতে উত্তয় কবিই বেন সমস্বরে স্থীয় জীবনের পূর্ব কাহিনী এবং তাৎকালিক ভাব জন-সমাজে বিবৃত করিতেছেন “যদাসীদজ্ঞানং স্মরতিমিরসংস্কারজনিতং তা জ্ঞাতং নারীময়মিদমশেষং জগদপি

রঙ শিহৰ ষিশ্রের জীবনী বিষদঙ্গন ঠাকুরের জীবনীর অবিকল অনুরূপ $ ধিক ফি, উত্তয়কে একই ব্রি বলিব। যেন সন্দেহ হয়

২৪ প্রবন্ধাষ্টক

ইদানীমন্মাকং পটুতরবিবেকারঞ্জনজুষাং সমীডৃতা দৃদ্ি স্রিভুবনমপি ব্রঙ্গ মশুতে ॥” , ভষ্টিকাব্যের গ্রন্থকারের জীবনী সম্প্ণ শ্বতন্ত্র। জিনি, পরম ভাগবত জ্ীমন্তীগবতের টাকাঁকাব প্রীধরস্থামীর পুত্র। তাহার অদ্ভুত শৈশব-কাছিনী বাঙ্গালা ভক্তমালগ্রন্থহইতে উদ্ধত কর! গেল-_ “ভ্রীল ভ্ীধর স্বামী জগতে বিদিত | জ্রীমস্তাগবত টাকা কৈল বিস্তারিত

শান্করী বিরুদ্ধ গৌণ জক্ষণা ব্যাখ্যান। দৃষিয! স্তাঁপিলা শুদ্ধ মত বিলক্ষণ রর সি রা গৃহে এক স্ত্রী মাত্র পুর্ণ গর্ভবতী তাজিয়া! যাইতে বন হুইল দু মতি হেন কালে নারী, পুন প্রীসব হইয়া কাল প্রাপ্ত হৈল তার বালক রাখিয়া সাধু উৎক্ঠাতে শুহে রহিতে না পারে চিন্তিত, বালক এই কেব৷ রক্ষা করে ভাবিতে তাঁবিতে চৈবে এক জ্যেঠী-ভিন্ব চলি হতে পঠডে গেল বিনা অবলম্ব ভাঁজিয়া ভিতর ভতে বাচ্ছা নিকলিয়! | খাইল জন্মুখে এক মক্ষিক! ধরিয়া সাধু তাছা দেখি মনে বিচার করিল

ভট্টিকার্ব্যের গ্রন্থকাব। ২৫

সেই! শিশু রক্ষিবে যে ইহারে বক্ষিল। 1 এতেক ভাবিয় ত্যজি গমন করিল। অনাথ বালক গ্রাম্য লোকেতে পালিল সেই শিশু, কালে মহা পণ্ডিত হইল। ভষ্টিনামে রাম-লীল! সাহিত্য রচিল ॥৮ গ্রন্থকার নিজ কাবোর উপসংহারে আত্ম পরিচয়স্থলে এই মাত্র বলিবাছেন_- “কাব্যমিদং বিহিতং মব1 বলভ্যাণ শ্রীধর সেন (৯) ধরেন্দ পাঁলিতীয়াম্‌ ॥৮৭ ইহাতে দেখা যায যে, ভট্টিকাব্যেব গ্রন্থকার বলভী-নগবাধিপ শ্ীধর সেন (?) ভরপতির আশ্রযে থাঁকিযা এই কাব্য রচনা! করেন।

» উপবে যাহা বণিত হইল, *তদ্ডার! উভঘ কবির জীবনীতে বিলক্ষণ বৈবম্য* পরিলক্ষিত হইতেছে এবং উহাই উভয় কবি একই ব্যক্তি না হইবার যথেষ্ট প্রমাণ ৮” এই গেল বাহ্ প্রমাণ ; আত্যন্তর প্রমাণও দই একটা প্রদণশিত হইতেছে

কোধকাঁবোর রচয়িতা ভর্ভৃছরির* উদ্দেশ্টু ভাল হইলেও, শৃঙ্গীরশতকে আদি-রসেব অযথা অনেক ছড়াছড়ি করিয়া উক্ত

বলতী এক সময় ভাযতবর্ষের মধ্যে হুসম্ৃদ্ধ রাজধানী ছিল, সেই দরের এবং তংস্থলীন্ রাজগণের বিস্ত বিবরণ অনুসন্ধান করিলে ভাল হয় জং, সং।

1+ উভয়ের আবিভাঁব-কালেরও বিলক্ষণ অন্তর বহিয়াছে। ভর্তুহরির অনুজ যিক্রমাদিতোর অনেক পরে শহনাচায্য এবং শঙ্ষরাচার্পব অনেক পরে ভটটিকীরের পিতা! শ্রীতরম্বামী জম পরিগ্রহ করেন

২৬ প্রবন্ধাষ্টক 1

শতকের নাষ সার্থক করিয়াছেন এবং স্বীয় কচিরও বিলক্ষণ পরিচয় প্রদান করিয়াছেন। কিন্তু তট্টিকাব্যের রচয়িতা তদীয় প্রকাণ্ড গ্রন্থে অনতিস্থুল একটা সর্গে (একাদশে) মাত্র আদি রসের অবতারণা করিয়াছেন তাহাতেও তীহার ছুইটী উদ্দেশ্য বুঝ! বায় ;-_প্রথম, সমস্ত রসের প্রধান আদি রস একট মহাকাব্যের অঙ্গী না হইলেও অঙ্গবপে থাকা আবশ্বীক ; * দ্বিতীয়, গ্রন্থের প্রধান উদ্দেশ্য শব্দশাস্ত্রের নানাবিষয়ক উদ্দা- হরপ-প্রদর্শন, তাই কাব্যমধ্যে আদি রসের উদ্বাহরপণেরও প্রয়োজন টীকাকারও বলেন; _“মাধুধ্যমপি কাব্যস্ত গুণ উক্তঃ। ইতি তৎ প্রদর্শনার্থং লঙ্কা প্রভাতবর্ণনমধিকৃত্য আহ |” এস্থলে ইহাও উল্লেখ করা যাইতে পারে যে, বিষয়ে কৰি অনেক পরিমাণে সংযত কচির অনুসরণ করিয়া মাঘ, ভারবি, শ্রীহর্য প্রভৃতির অপেক্ষাও সমধৃক প্রশস্য হইয়াছেন আর একটা আত্যন্তর প্রমাণ দেখা! বায « কোষ-কাব্যের

কবি ভর্তৃহরি প্রগাচ শৈব ছিলেন। তিনি বৈরাগ্য-শতকে শিবার্না-বিষয়ক ক্লোক-মালার একটাতে মুক্তকণ্টে বলিয়াছেন-_

“মহেশ্বরেনব। জগতামধীশ্বরে

জনার্দনে বা জগদস্তকারণে

বন্তরতো মে প্রতিপত্তিরস্তি

তথাপি ভক্তিস্তকপেন্দুশেখরে ॥”

* গুদ বীর শীস্বানীষেকোহঙগী রস ইযাতে। জঙ্গানি সর্ধবেংপি রসাঃ

স-সাহিভা-বর্্

ভগ্তিকাব্যের গ্রন্থকার ২৭

মহাকালাধিষ্ঠিত উজ্ভরিনীর তূতপূর্বব অধীশ্বরের এবং সম্প্রতি অবধৃতাশ্রমাবলম্বীর ইহা! হইবারই কথা কিন্তু ভরি কাব্যের গ্রন্থকার একজন বিশ্ববিখ্যাত বৈষণবের সম্তান, তাহার অবশ্য বৈষ্ণব হুওয়াই স্বাভাবিক এবং “রামলীলা-সাহিত্য” রচন৷ করিয়া তিনি ঘোরতর বৈষুব ভক্তমাল রচয়িতারও প্রশংসা ভাজন হুইয়াছেন। বিশেবতঃ টাকা-মুখে ভট্টাকাব্যের টীকাকার- গণ সমস্বরে স্বীকার করিয়াছেন যে, কাব্যের প্রথম শ্লোকে “সনাতনঃ পিতরমুপাগমণ স্বয়ম্” এই বাক্য দ্বারা কৰি স্বীয় ইফ্ট- দেবতাকেই স্মরণ করিযাছেনপ

ভষ্টিকাব্যের গ্রন্কারের নাম কি ছিল, তাস্থা ক্মদ্যাবধি বিতর্কের বিষয় হইয়া রহিয়াছে। টাকাকার জয়মঙলের মুতে গ্রন্থকারের নাম ভটু বা ভঁটু এবং কবির অনুকরণে তিনিও স্বকৃত টীকার নাম “জয়মঙ্গলা” রাখিয়াছেন। সস্তার টাকার উপক্রমণিক'য় আছে__স্পরীস্বামি স্নুঃ কৰি ভঁটিনামা রামকথাশ্রয়ং মহাকাব্যং চকার”। আবার পরি- সমান্ডতিতে লিখিয়াছেন, “ইতি *রম্বামিসূনোর্ডট্রমহাত্রাক্ষণস্য কুতৌ” ইত্যান্গি। বৈদ্য টাকাকৃৎ ভরতমল্লিক বলেন,_-“ভর্তৃ হরির্নাম কবিঃ ক্ট্রীরামকথাশ্রযং মহাকাব্যং চকার।” কবি আপন গ্রন্থমধ্যে আপনার নাম কুত্রাপি উল্লেখ করেন নাই; অপর কবিগণ হইতে ইহাও তাহার এক বিশেষত্ব বঙ্গানৃ্দিত ভত্তু- মালেও * তাহার নাম দেওয়া হয় নাই। কিন্তু তক্তমালোদ্ধ্‌ত

* মূল তক্তমালগ্রদ্থ দেখিবার নিমিত্ত বলবতী ম্পৃহা। সম্বেও বাঁবৎ লেখকের ভাগে তাহ! ঘটিগা উঠিল না

২৮ প্রবন্ধাষ্টক

পিপাসা শাপলা শট লি ৮৮ শশা পি পাসপপত শি তত পল সপ পিপিপি শিট

বিবরণ পাঠ করিলে স্বতঃই অনুমান হয় যে, যেহেত্ত পবম ভাগবত পিতা ক্রীধরস্বামী অনাথশরণ ভগবান্‌ শ্রীহবির উপরেই নবজাত শিশুব ভরণেব ভারার্পণ করিয়া সংসারাশ্রম পরিত্যাগ করেন, তাহাতে কবির নাম “ভর্তৃহরি*হওযাই স্বাভাবিক শৈশবে *গ্রীম্য লোক” দ্বারা প্রতিপালিত হওযাতে তঁদীষ নামেব প্রীককতাপভ্রংশ হইবা '“ভ্টি* এই শল্ভুত আকাব ধাবণ করাও নিতান্ত অসম্ভব নহে। অথবা, “কালে সেই শিশু মহাপণ্ডিত” হইলে “ভর্তৃহারি ভষ্ট” এই নাম ধাবণ কবিষা, পিতা ভ্রীধব স্বামী যেমন মাত্র "স্বামী? নামে পবিচিত হইবা থাকেন, তত্রপ; “টু” এই খ্যাতিতেই, বোধ হয, তগুকালে পবিচিত হইতেন এবং তজ্জন্ই তন্রচিত কাব্যও এভন্ত্িকাবা” এই সংহ্। লাভ কবিযাছে এইবপ কল্পনা ছার! জয়মঙ্জল ভবতমল্লিকেব বিবাদেব এক প্রকার সমন্বব হইতে পাঁবিত, কিন্তু ভাহাতে এক মহান্‌ অন্তরা রহিয়াছে সাহিত্য- দর্পণে মহাকাব্য লক্ষণে আচছে,_ “ক্বের্বব্‌ন্তস্য বা নাহ্না নায়কস্যেতরসা বা। নামাস্য-_” দর্পণ টাকাকাঁব বামচবণ তর্কবাগীশ (১৬২৩ শকাব্দে ) উক্ত কাবিক্ব উদ্দাহরণ স্থলে লিখিয়াছেন-_. “কবিনামকং মহাকাব্যং ষথ! মাঘভারবিপ্রভৃতি ; বৃত্তনামকং কুমারসন্তবাদি; নায়কনামকং বধুপ্রভৃতি; ইতরনামকং ভ্টপ্রভৃতি।” ইহাতে জয়মঙ্গলের মত সম্পূর্ণ বিপর্ধ্যস্ত“হুইতেছে। তবে, কুবির নামে নাম ন| হইলে, “াষ্রকার্য” এই সংজ্ঞার তাতপর্ধয কি? এত সম্বদ্ধে কাব্যের পরিঙমাপক

কটিকাবোর গ্রন্থকার ২৯

নিম্বোদ্ধত চ্ইটা শ্লোক দ্বারা ছুই প্রকার মীমাংসা : কল্পিত হইতে পারে। (১) “ব্যাখ্যাগম্যমিদং কাব্যমুত্সবঃ স্তধিয়ামলম্‌ ॥, হতা৷ দুশ্মেধসশ্চাম্মিন্‌ বিহ্ষাং ল্বীতযে ময়া ইহাতে এক প্রকার অন্তমান “করা যাইতে পারে যে, গ্রন্থ- কার পণ্ডিত ( ভট্ু ) গণেব পরিতোধার্থে কাব্য রচনা করাতে কাব্যের নাম “ভট্টকাবা” হইয়াছে (২) “কাব্যমিদং বিহিতং ময়া বলভ্যাং শ্রীধর সেন *«নরেন্্র পালিতায়াদ্‌। কীন্তিঝতে। ভবতান্ন্পস্য তস্য ক্ষেমবরঃ ক্ষিতিপো বতঃ প্রজানাম্‌ ॥"" এতদার। অন্মমান করা যায যে, কাব্য-রচনার শ্রেঠতম ফল “কীন্ডতি”” আশ্রযদাতা ভটাবকের নামে উতসর্গাকুত হওয়াতেই জ্ভটিকাব্য' এই, নাম সিদ্ধ হইযাচ্ছে যাহা হউক, ভরত মলিকের মতই সমধিক প্রামাণ্য বলিয়া এতদ্দেশে গৃহীত হইয়াছে এবং ভর্তহবি নামক কবি ভটিকাব্যের গ্রন্থকার, ইহা একবূপ সন্ববাদিসম্মুত। “সংস্কৃত ভাষ| ংস্কত সাহিত্য বিষযক প্রস্তাবে” স্বর্শীয ঈশ্বরচন্দ্র বিষ্ভাসাগর মহাশত্ব ভরতমল্লিকেয় মত পরিত্যাগ পূর্বক প্র প্রাচীন টাকাকার জয়-

* বঙ্গীয় পুস্তকে এইরপ পাঠ দেখ। যায়। [কন্ত কত্ত ,ধরজেন' এই পাঠই যেন ্স্থকারের অভিপ্রেত বৌধ হয়। লিপিকর প্রমাদে 'জ' স্থলে *স' হওয়া বিচিত্র নহে। জয়য্গল “গুধর দু"? এই পাঠ ব্যাখ্যা! করিয়াছেন!

৩৩ প্রবন্ধাইক

মঙ্জলকে প্রামাণিক বলিয়। তাহার মত গ্রহণ করিয়াছেন; তিনি বলেন,_-“ভ্ট্রকাব্য ভর্কৃহরি রচিত-_ইহা! অসন্তব, কেন না ভর্তৃ- হুরি স্বয়ং রাজ হইয়! বলভীরাজের আশ্রয়ে ছিলেন তাহা হইতে পারে না।” বদিও উক্ত প্রমাণ বড় অকাট্য নহে, তথাপি তৎসম্বন্ধে আমার্দিগের মত বিরোধ নাই ; বরং উহা অপেক্ষা গুরুতর প্রমাণাবলীর দ্বারা প্রদশিত হইয়াছে যে, রাজা ভর্তৃহরি ভট্টিকাব্যের রচয়িতা নহেন। ভরত মল্লিকও এমন কথা বলেন নাই যে, কোষকাব্য প্রণেতা রাজ! ভর্কৃহরি ভট্িগ্রস্ত লিখিযাছেন। এই আপাত-বিরোধ মীংমাসার জগ্তই ছুইজন ভর্ভহরি কল্লিত কব গিয়াছে অপর, জযমন্গল প্রাচীন টাকাকীর বলিয়াই যে প্রামাণিক হইবেন, একপ বলাও সঙ্গত নহে, তাহ! ভইলে কালি- দাসের “ছূর্ববাখ্যাবিষমুঙ্ছিত।” ভারতীকে সম্ভীবনী ছারা! উজ্ভীবিতা করিবার প্রম্না় অর্দ্বাচীন মল্লিনাথকে করিতে হইত না। যাহা! হউক, জয়মঙ্গল প্রীমাণিক সন্দেহ নাই; তথাপি হে ভরত মল্লিক অধুনাতন হইযাও তাহার মতের বিপরীত মত প্রকাশ করিতে সাহনী হইধাছিলেন, ইহাতে বোধ হয়, তিনি নিজ মত পৌষক সবিশেষ প্রসীণ অবশ্াই পাইযা থাকিবেন। বিশেধতঃ, প্রাগুক্ত দর্পন-টাকাকার প্রায় দ্বিশতবর্মপ্রাচীনা তর্কবাগীশকেও ভরতেরই তুল্যমতাবলম্বী দেখিতে পাওয়া যায়। জয়মগল যে তাতকাপিক কোন অমুলক কিংবনন্তীর উপর নির্ভর করিয়া যমৃচ্ছাক্রমে একট। মত স্থাপন করিয়া যান নাই, কে বলিতে পারে? অপি5 ইতিপূর্বে কাব্যের পরিসমাঁপক ষে দুই শ্লোক

ভষ্টিকাব্যের গ্রন্থকাব ৩১

উদ্ধৃত হইয়াছে+ তাহ! হইতে দেখ খায় যে, বিশ্বহর্গের পরি- ভূষ্টির জন্য এবং স্বীয় আশ্রয় দাত। বশন্বী হউন-_এই উদ্দেশ্টেই, 'তিনি কাব্য বচনা করেন। কাবা লিখিয় নিজে নাম করিৰ-_ এমন ভাব তীহার দেখা যায না। এমন কি, অপব কবিগ্গণেব স্যাব তিনি সর্গসমাপ্তিসময়েও আপনার নামোল্লেখ করিতে সন্কুচিত হইয়াছেন, এবপ বিনীত নিষ্কাম কবি নিজ নাষে কাব্যে নামকরণ করিযাছেন_-ইহা আপাতদরষ্টিতেই যেন 'অসঙ্গত বোধ হয

স্বর্গীয় বিদ্বাসাগর মহাশখ তদীয “সংস্কৃতি ভাষ! সংক্কুত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাবে” সংস্কৃত ভাবায় সরল, মধুর, ললিত প্রস্ভৃতি রচনাৰ উদাহরণস্থলে তর্টিকাব্যের দ্বিতীয় সর্গের প্রথম হইতে উনবিংশ শ্রোক উদ্ধৃত করিযা! দেখাইয়াছেন। ফলতঃ ভট্িব দ্বিতীষ সর্গেব প্রথমাংশ পাঠ করিলে, বৌধ হয়, বদি কৰি সাঁধ করিযা ব্যাকরণেব নিগভবদন্ধ না! হইতেন, তীহার স্থান মাঘ, ভারবি, শ্রীহর্ষের, পূর্ন্বে না হউক, পার্থেই হইত। শব্দ শাস্ত্রে উপর তীহাব যেৰপ অধিকার ছিল, অপর কোন কবির তঙ্জঞপ ছিল কিন! সন্দেহ, অথচ সহ্গদয়ত। এবং কবিত্বও তাহাতে যথেষ্ট ছিল। কাবা লিখিয়া নিজের কবিস্ৃ খ্যাপন কর! অপেক্গণ যাহাতে ঠাহার শক্তি বিদ্যার্থার উপকারার্থে নিয়োজিত হয়, ইহাই যেন কবির একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল।

এই কাব্য প্রণয়ন সম্বন্ধে অন্মন্দেশে এক অন্ভুত ক্রিংবদস্তী প্রচারিত আছে কবি একজন অতি প্রসিক বৈয়াকরণ ছিলেন;

৩২ প্রবন্ধাক।

নান দিগ্দেশ হইতে অনেক ছাত্র তাহার নিকট অধায়নমানসে আদিত। একদা তিনি অধ্যাপন! করিতেছেন, এমন সময়ে উাহার ছাত্রধিগের মধ্য দ্যা ভঠাঙ্ একটা হস্তী চলিরা গেল এবং তজ্জন্ভ এক বতসর অধ্যাপনা বন্ধ রাখিতে হইল। বেদাঙ্জ- ব্যাকরণের পাঠ বন্ধ থাকিলেও কাব্যাদি উপশান্ত্র সম্বন্ধে তত আটা আঁটি নাই, এই শিমিন্ত, শিষ্যদিগেব উপরোধে, তিনি ব্যাকরণ শিক্ষার সাহাব্যকারী কাবা গ্রন্থের প্রণয়নে প্রবৃত্ত হন এবং সংবতসর কাল মধ্যে উহা! সমাপ্ত করিয়৷ ছাত্রদিগকে পভাইয়াছিলেন।* এই জনসশ্রতিবতথ্যানুসন্ধান সুদুর পরাহত।

মন্ুংহিতার চতুর্থ অধ্যায়ে অনধ্যায-প্রকরণে বিধান তন্জছে ;-

“পিশুমগ্ডুকমার্জাব গসপনকুলাখুভিঃ অন্তরাগধনে বিদ্যাদনধ্যাযমহনিশম ॥৮

“পশুরবানি+__(কুন্তুক ভট্ট )॥ গবাদিতে হস্তাও খাঁকি- বার কথা, তাহা হইলে এক অহোরাত্র মাত্র অনধ্যায় হওয়া৷ উচিত ছিল ;--সংবহদর অনধ্যাষের কোন হেতু দ্েখ। যাব না। তবে মুধিক, নকুল, ভেক, সর্পদি ক্ষুদ্র জন্তর অস্তবাগমনে যে ব্যবস্থাঃ একট প্রকাণ্ড জন্কুর পক্ষেও কি সেই ব্যবস্থা ? এইরূপ বিতর্ক-

** এদেশে প্রচ।লভ প্রবাদ ,_অধ্যয়দে অনাবিষ্ট রাজপুত্র, ভর্তৃরির নিকটে অধায়নার্থ নিধুক্ত ছন। রাজপুত্রের বড় বস্ত্রেই পাঠকালে অধ্যাপক এবং রাজিপুথ্ের মধা দিক! ছন্তী চালিত হয়। তৎপরে ভর্তৃহরি দেই ব্ডযস্ত্র জানিতে পারিক্। কাবাচ্ছলে ব্যাকরণের উপদেশ দেন জং সং

ভট্টিকাব্যের গ্রন্থকার ৩৩

কারী কোন তার্কিকদিগ্গজ গজপক্ষে অনুপাতক্রমে এক বৎসর অনধ্যায় বিধান করিয়া এই একটা অমূলক কিংবদন্তী রটাইয়াছেন কি না, কে বলিতে পারে ?

অন্মদ্দেশীয় টোলের ছাত্রদিগের নিকট ভট্রকাব্যেক়্ বিলক্ষণ সমাদর দেখিতে পাওয়া যায়। তাহারা আশৈশব ব্যাকরণের সূত্রগুলি শুক্ধ উদ্দাহরণ সহ কণ্স্থ করিয়া থাকে; তাই, এই সকল সূত্রের সুপ্রযুক্ত সরন উদাহরণ-মালা দেখিয! তাহারা বড়ই প্রীতি সহকারে সেইগুলি আবৃত্তি করিতে প্রবৃত্ত হয়। কিন্তু ব্যাকরণবিমুখ ইদানীন্তন কাঁবামধুকরগণের পক্ষে ভাট্রকাব্য নিতান্ত নীরস কর্কশ বৌধ হইবারই কথা। বস্তুতঃ প্রথম কয়েক সর্গ ভিন্ন ভ্্ির অপব স্বর্গগুলি যেন ব্যাকরণের এক এঁক পরিচ্ছেদ কাব্য-বিভাগে ভটরি যেমন দ্বাবিংশতি সর্গে বিভক্ত, ঝ্পকবরণ বিভাগে উহ! আবার, প্রধানতঃ চারি কাঞ্জে বিভক্ত ;-, প্রথম হইতে পঞ্চম সর্গ-_প্রকীর্ণ কাণ্ড, ষষ্ট হইতে নবম-_ অধিকার কাণ্ড, দশম হইতে ভ্রয়োদশ্ব__ প্রসন্ন কাণ্ড এবং চতুর্দশ হইতে দ্বাবিংশ__তিউস্ত কাগ্ড। প্রকীর্ণ কাণ্ড নানাবিষয়ক, স্থৃতরাং ইহাতে কবির কবিত্বের স্ুস্তিলাভের একটু অবকাশ ছিল; তাই প্রথম হুইতে পঞ্চম সর্গ * সাহিত্যসেবীর কথ্চিগ মনোরঞ্জন করিতে পারে এবং এই জঙ্ুই বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কয় সর্গের অধিকতর আদর। অধিকার কাণ্ডে কৃত্দ্ধিতাঁদি প্রত্যয়ের উদাহরণ প্রদর্শিত হুইয়াছে। প্রসন্ন কাণ্ডে কৰি

৩৪- প্রবন্ধাষ্টক।

বাক্যের প্রসাদ সুচক অলঙ্কার প্রভৃতির অবতারণা করিয়াছেন, এবং তিউন্ত কাণ্ডে আখ্যাত প্রকরণ অর্থাৎ ক্রিয়াবপ প্রদর্শন করিয়াছেন। এই স্থুল বিভাগ ব্যতীত প্রত্যেক কাণ্ডের আবার নানা উপ-বিভাগ আছে, _-এস্থলে তাহার উল্লেখ নিশ্রযোজন ব্যাকরণই কবির একমাত্র লক্ষ্য হওযাতে কাব্যের বিষয় নির্বাচনে তিনি মৌলিকত প্রদর্শনের অবসর পান নাই ; কিন্তু আধুনিক কবিগণের প্রধান উপজীব্য বাল্মীকির অমর গ্রন্থেব আশ্রয় গ্রহণ করাতে কাব্যের উপাদানের নিমিত্ত তাহাকে বড বেগ পাইতেও হয় নাই।

এখন এই প্রবন্ধ-সূচনায উদ্ধত মম্মট ভট্রের কারিকাটির প্রৃতি লক্ষ্য করিয়৷ দেখা বাউক, এই মহা! কাব্য লিখিয়া গ্রস্থ- কারের কি প্রয়োজন সাধিত হইয়াছে এবং উহা পাঠে অধ্যয়ন কারীরই ঝ৷ ক্কি ফললাভ হইয়া থাকে পূর্বেই বলা গিয়াছে, ভ্টকাব্যের গ্রন্থকার “কবি-বশঃ-প্রার্থী, ছিলেনণনা-_বরং তশ- কাব্যজনিত কীর্তি কৃতজ্ঞতার, উপহার ম্বব্প আশ্রয়দাতা নরেন্দ্র নৃপতিকেই উৎসর্গীকৃত করিয়াছেন কিন্ত কৰি স্বয়ং কিছু প্রার্থী না হইলেও, উল্লিখিত নিষ্ষাম সহৃদয়তা প্রদর্শন করাতে, তর্দীয় ন্যাষ্যপ্রাপ্য কবিষশঃ সমধিক পরিবদ্ধিত হইয়াছে ব্াকরণাধ্যায়ীদিগের ছুত্প্রাপ্য উদাহরণ রাশি রসাত্মক বাক্যাকারে গ্রথিত করিয়! প্রগাত পাণ্ডিত্য প্রকাশ করাতে, কবি-কীর্তির সঙ্গে তয় পাগিত্যকীত্তি সম্মিলিত হইয়া গ্রস্থকারকে অনন্য- পাঁধারগ যশোভাজন করিয়া তুলিয়াছে ; স্মৃতরাং ভট্টিকাব্য তদীয়

ভট্টিকাব্যের গ্রন্থকার ৩৫

প্রণেতার “বশসে'ই হইয়াছে বলিতে হইবে | * অধ্যয়নকারীরও বিশেষ ফল আছে। মন্মটমতানুযায়ী “ব্যৰহার পরিজ্ঞাঁন ইহাতে কিঞ্চিত হয় বটে, কিন্তু কবিগুক বাল্ীকি অনেক পূর্বেই অধিকতর দক্ষতা সহকাবে তাহ! সর্বজন গোচরীভূত করিয়া গিয়াছেন। কাব্যের অংশ বিশেষ (যথ। দ্বিতীয় সর্গ) পাঠ করিলে “সদ্য:পর-নির্বব্তি'ও হইয়া থাকে। কিন্তু প্রধানভঃ এই মহাকাব্য পাঠকের “উপদেশযুজে'ই প্রণীত ভইয়াছে। রাষ- চরিত্রের পুণ্য কাহিনী যে গ্রন্থে বিবৃত হইযাছে, তাহা কাব্যাংশে যেবপই হউক না কেন, অধ্যখনকানীর অন্তঃকবণে নায়কের মুত চবিজ্রের ছাষা অল্লাধিরু পাতিভ কবিবেই করিবে এই নৈল্ডিক উপদেশ ব্যতীতও ভটিকাব্যান্মশীলনকারীব অন্যবিধ উপজঞ্ণ লাত হয, যাহ! অপর কাব্যগ্রস্থ হইতে লাভ কৰ! দু্ন্ন। খৈর্ধয- প্লহকীবে এই গ্রন্থ সমগ্র অধ্যয়ন করিতে পারলে শবশানে বিলক্ষণ ব্যুৎপন্তি লাভ করিতে পারা যাষ। কিন্তু ধিনি এই উপদেশ প্রার্থী, তাহাব গ্রন্থোপসংঘৃ'র কালীন গ্রন্থকান্ষের একটি কথ! মনে বাখা উচিত। “দীপভুল্যঃ প্রবন্ধোহ্য়ং শব্দ লক্ষণচন্ষুষা্‌ হস্তামর্ষ ইবান্ধানাং ভবেঙ্ব্যাকরপাদূতে ॥৮

* কাব্যের কীর্তি উপহার লাভ করিয়া, রাজ! নগ্লেত্স কবির কিছিৎ পু্স্বা বিধান

করিয়াছিলেন কি না এবং রামলীলাত্মক কাব্য-প্রণয়নে