ক্ছেশে নিছেশ্ে

ডঃ ব্বিজলব্রাক্ত ছ্ুট্রেঃপাপ্রতাহ্

৮০০

শ্রান্ডিস্বান অমর সাহ্ছিভ্ত প্রকাশন ০টমার তেন? কলিকাতা »৯

প্রথম প্রকাশ, আষাঢ় ১৩৬২ প্রকাশক

পি. ব্যানাজ

৯১টি জরকিষেণ গ্রীট

পোঃ উত্তরপাড়া, হুগলী

মৃদ্রাকর

পি. কে. পাল শ্রীসারদ প্রেস

৬৫ কেশব চন্দ্র সেন গ্রীট কলিকাতা ৯»

উৎসর্গ মা বাবাকে হাদের অনেকদিন হারিস্সেছি কিন্ত ধাদেন আশীর্বাদ কখনও হাব্বাইনি

দেখেছি, শ্তনেছি, বুঝেছি কি?

দীর্ঘ ( ১৮৯১--১৯১১) ঘরে-বাইরের জীবন

অনেক দেখেছি, অনেক শ্তনেছি, ৮*র কোটায় পা দিয়ে এখন এই লেখা আরম্ত করেছি। যা ভাল তা অনেক দেখেছি, ঘা ভাল বলে মনে হয়নি তাও অনেক দেখেছি, অনেক শ্বনেছি, যা বোঝা শক্ত তা বুঝতে চেষ্টা তে! করেছি। বুঝেছি কিনা জানি না।

এখন জীবনের শেষ অধ্যায়ে অতীতের স্ৃতি-কথা আর একবার ঝালিয়ে নিলে, নিজের বোধহয় অনেকটাই ভাল লাগতে পারে, অন্ধের কেমন লাগবে জানিনে। তবে নেই কাজ তো৷ খই ভাজ-_এই প্রাচীন প্রবচনটি মেনে নিয়ে এই কাজে হাত দিলাম

রবি ঠাকুরের কবিতার এই লাইনগুলিও আমাকে এই সংকল্পে প্রেরণা দিয়েছে কবিতার দেই অংশটি হল:

বুঝেছি কি বুঝি নাই সে তর্কে কাজ নাই ভাল মোর লেগেছে ঘে রইল সেই কথাই

আজ শ্রাবণ মাস (১৩১৭ সাল) বর্ধার দিনে, জীবনের গোড়ার দিকে ফিরে যাচ্ছি। আমার জন্ম হয়েছিল শ্রাবণ মাসে৮* বছর আগে। খুব ছেলেবেলার কথা দু-একটির বেশী মনে পড়ে না। যখন আমার দু'ব্ছর মাত্র বয়েস, তখন আমার বোনকে তার জন্মের পরের দিন দেখেছিলাম আমার চার বছর বয়েসে আমার ভাই স্থজনের জন্মাবার আগে অঙ্ধালা থেকে বহরমপুর ( মুগিদাবাদ ) ট্রেনযাত্রা খানিকটা মনে আছে। আর ওকে ওর জন্মদিনে যেমন দেখেছিলাম বেশ মনে আছে।

অন্থালায় বাবা ওকালতি করতেন। গুঁর অফিসে, যেখানে ওঁর মন্দী কাগজ- পত্র নিয়ে থাকত (সেটা ছিল আমাদের বাড়ির সামনে, রান্তার ওধারে ), কয়েকটি ঘর ছিল। সেখানে প্রায়ই দেশ থেকে কোন না কোন অতিথি এসে থাকতেন। এর মধ্যে ছুজমকে ভাল করে মনে আছে। একজন ছিলেন রামকৃ$ মিশনের স্বামী নিরঞ্কনানন্দ, আর অন্যটি ছিলেন স্বামী সদাননী | সেই সময় হ্বামী বিবেকাননদর অদ্বালা আসবার কথ! ছিল, তাই তার আসবার কিছুদিন আগেই

বি--১ ১9

এ'র৷ দুজন এখানে এসেছিলেন আমাদের বাড়িতেই উঠেছিলেন। সদানন্দ সত্যই সদানন্দ ছিলেন। আমাকে অনেক গল্প বলতেন-_বিশেষতঃ হিমালয়ের কথা। বরফঢাকা পর্বতচুড়া দেখবার যে ঝৌক আজও আছে, বোধহয় সেই থেকেই তার স্থত্রপাত। নিরগুনানন্দ গ্ভীর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন-_তীর কাছে আমাদের (আমি আমার ভাইবোনের ) তেমন জমত না।

স্বামী বিবেকানন্দ অশ্বালায় এসেছিলেন, ছাউনিতে (40908118 02101017700606এ ) তীর জন্য বাংলো নেওয়৷ হয়েছিল আমাদের অতিথি দুজন স্বামীজীও মেখানে চলে গেলেন বাবা রোজ সন্ধ্যাবেল! নিজের কাজকর্ম সেরে ছাউনিতে (শহর থেকে ৩৪ মাইল দূরে ) যেতেন, আর রাত »৯১০্টা আন্দাজ ওঁদের সঙ্গে দেখাশুনা করে বাড়ি ফিরতেন। আমাদের সেইজন্যে আর স্বামী বিবেকানন্দকে দেখা হয়নি

মহাপুরুষের দর্শন তো হল না; তবে অশ্থাল! থাকতেই হিমালয় দর্শন হয়ে গেল। বাবা অ্বালা শহরেই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন, তেতলা বাড়ি ; তার ছাত থেকে ভোরবেল! পুব দিকে সাদ! ঝকঝকে বরফঢাকা পাহাড় দেখ। যেত। দেখিয়েছিলেন মা বড়ই ভাল লাগত ছেলেবেলায় এই হিমালয় দর্শন। তারপর ৭৩1৭৪ বছর কেটে গেছে-_-এখনও বরফের পাহাড় দেখলে তো দূরের কথা তার কথা৷ শুনলে প্রাণটা নেচে ওঠে

অন্বাল! ছাড়বার আগে বাংল! ইংরাজি পড়া খানিকদূর এগিয়েছিল। সদ্ধ্যেবেল! মার কাছে প্রায়ই বাংল! কবিতার বই অন্ত ছোটদের বই (রবি- ঠাকুরের নদী, কৃত্তিবাসী রামায়ণ, অবনীন্দ্র ঠাকুরের ক্ষীরের পুতুল, শকুস্তলা ) পড়তাম, মা'ই পড়তেন, আমরা শুনতাম। ইংরাজি আমি মা একসঙ্গেই পড়তাম বাবার কাছে অন্বালায় থাকতেই (01057010এর ড$০৪: ০1 ড/5961610 আমরা দুজনের শেষ করেছিলাম যতদূর মনে পড়ে 9 586105এর 12210 & 7791091০ এইখানেই আরম্ভ কর! সবই কি বুঝতাম? তবে ভাল লাগত।

আর এখানে আমাদের ছোট ঘোড়াটির ( বোধহয় 110 0০0 ) কথা তুললে চলবে না। আকারে খুবই ছোট ছিল, সোনালী রঙ আর মোটাসোটা সুন্দর দেখতে সিড়ি দিয়ে দোতলায় নিয়ে আসা ষেত। আবার তার গায়ে এত জোর ছিল যে আমাদের তিন ভাইবোনকে পিঠে নিয়ে খুব ছোটাছুটি করত। ঘোড়ার পিঠে চড়ে কাছাকাছি গীয়ের অনেক ক্ষেত, সবুজ মাঠ ঘুরেছি যেমন

হু

দেখতে স্থন্দর ছিল, ঢুষ্টুও ছিল তেমনি অথ্থাল! ছাড়বার সময় ঘোড়াটিকেও ছাড়তে হল।

আমর! লাহোরে এলাম বোধ হচ্ছে ১৮৯৯ সালে আনারকলিতে বাদশাহ আমলের মস্ত সরায়ের সামনে একটি তেতল৷ বাড়ি, দোতলায় তেতলায় আমরা উঠে এলাম নীচের তলায় বড় বড় দোকান ছিল, আর সামনের বড় ব্রাস্তায় রাত এগারোটা-বারোটা পর্ষস্ত লোকজনের ভিড় চলত।

বাবা লাহোর চীফ কোর্টএ (পরে এঁটি হাইকোর্ট হয়েছিল) ওকালতি করতেন আমরা আগেকার মতন বাড়িতেই পড়তাম। এই সময় মার সঙ্গে 2108119 101019205এর 108510 00106701519 ভাল করে পড়ি বইটির যে কোন জায়গা থেকে যে কোন লাইন কেউ শোনালে আমি তার 0010663:6 ঠিক বলতে পারতাম এই সময়েই হেমবাবুর (৬হেমচন্ত্র বন্দ্যোপাধ্যায় ), নবীন সেনের মাইকেল মধুস্দনের অনেকগুলি কাব্য সবাই একত্রে পড়েছিলাম |

অন্বালা ছাড়বার লাহোরে আসার সময় বাইরের জগতে বড় বড় ঘটনা ঘটেছিল। বাংল! খবরের কাগজ পড়তাম খুব মনোষোগ দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বুয়র যুদ্ধ আর চীনের মুষ্টিষোদ্ধা 'বিদ্রোহ (730%97 118117£ ) বাংল। ধঙ্গবাসী” সান্তাহিক পত্রে নিয়মিতভাবে পড়া চলত। পিকিংএ ইতরাঁজ দতাবাদ অবরোধ, জাপানী ইউরোপীয় সৈন্যদ্দলের পিকিং আক্রমণ, পিকিং লুট, চীনের বুড়ী রাণীর বাজধানী থেকে পলায়ন এসব খবর শুনতে পড়তে কখনও কোন ক্লান্তি আনত না। সেই সময় থেকেই চীনের বিষয় যতদুর সম্ভব জানবার ইচ্ছা সেই ছেলেবেল! থেকেই এখন পর্যস্ত অটুট রয়েছে। ,

১৮৯৭ সালে অশ্থালায় থাকতে রাণী ভিক্টোরিয়ার হীরক জুবিলি উত্সব দেখেছিলাম। লাহোরে আনারকলির বাড়ি থেন্তক তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে অফিস-ফেরতা কেরানীবাবুদের কালো ব্যাজ পরে লাইনবন্দী হয়ে বাড়ি ফেরার দৃশ্ঠও দেখেছিলাম ধাঁদের ব্যাজ জোটেনি তাঁর! বৃদ্ধি করে কালো! ছাতাটা খুলে গম্ভীরভাবে বেশ যাচ্ছিলেন অন্যদের সঙ্গে

১৯০৩ সালে এনট্রান্দ পরীক্ষা পাস করি বারো বছর বয়েস পুরে। হবার আগেই। সেই বছরই আমরা সবাই কলিকাতা যাই। আমার ঠাকুরদাদার খুব অন্থখ করেছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে বারাসত থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছিল, মাস দুয়েক পরে তিনি মারা গেলেন।

সিপাহী বিদ্রোহের সময় ঠাকুরদাদা (৬কৈলাসচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) কানপুর সরকারী হাসপাতালে আ্যাসিস্ট্যাণ্ট সার্জন ছিলেন সিপাহীরা তাঁকে ধরে তাদের নিজেদের দলের যুদ্ধে আহতদের দেখাশুনা করবার জন্যে আটকে রাখে

ঠাকুরমা এক দেওরের সাহায্যে কানপুর থেকে নৌকাযোগে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন ঠাকুরদাদার নামে ওয়ারেন্ট বেরোয় *['০ ৮০ 10817899 11510620070, ( যেখানে ধরা পড়বেন সেইখানেই যেন ফাসী দেওয়া হবে)। দু-তিন বছর অজ্ঞাতবাসের পর অনেক কষ্টে হুকুম বদলাতে পারা গিয়েছিল। উনি ফিরে এসে বারাসতের হাসপাতালের অ্যাসিস্টাণ্ট সার্জন হলেন, কিন্তু আর প্রমোশন হয়নি। উনি কলকাতা মেডিকেল কলেজের প্রথম কি দ্বিতীয় গ.পের পাস-করা ছাত্র ছিলেন।

১৯০৪ সালে রুশ-জাপান যুদ্ধ আরম্ভ হল। এই যুদ্ধের সময় দেশের ছেলে- বুড়োর মধ্যে কি উত্তেজনা! জাপান, এশিয়ার ছোট একটি রাজ্য, রুশকে-_ ইউরোপের একটি বিশেষ শক্তিশালী সাআ্াজ্যকে বড় বড় যুদ্ধে জলেস্থলে হারিয়ে দিচ্ছে তো এক অভাবনীয় ব্যাপার ! বেশ মনে আছে এক-একটি যুদ্ধজয়ের খবরে আমরা কি রকম আনন্দ পেতাম 401011%]109£০-র [18081)11)9র নৌযুদ্ধে [05918 11381001696 ধ্বংস, 015151091 058009র 1000090এর মহাযুদ্ধে ( ৪০0০19০7এর যুগের পরে তখন পর্যস্ত অত বড় যুদ্ধ হয়নি ) 13083181) (61981 101 91981020কে পরাজিত কর, 13০81র ছুর্তেছ্য 7০: 4111)0৮ দখল করা-_এসব প্রাণমাতানো খবর চীন থেকে নিয়ে পারন্য দেশ পর্যন্ত সাড়া পড়ে গিয়েছিল। আমাদের দেশেও কিছুদিনের মধ্যেই বিপ্লববাদ শুরু হল।

১৯০৫ সালে ফাস্ট”আর্টস (7, &. এখনকার [06610969189 7752)- $7196100 ) পাস করে গুরুজনদের আজ্ঞায় এক বছর ছুটি ভোগ কর! গেল এতদিন বাড়িতেই পড়েছি, সবাষের মতে আরও এক বছর পরে কলেজে ভতি হলেই হবে। কোন তাড়াতাড়ি নেই। বাড়িতে বেশীর ভাগ বাবার কাছেই পড়েছি তবে [091060180 (তখন দঃ &.) ৪৮৪£৪এ অস্কটা! কাকাবাবু (৬অসিতচন্দ্র, তিনি ইঞ্জিণীয়ার ছিলেন) আরম্ভ করিয়ে দিয়েছিলেন। জ্যাঠামশায়ের ( ৮সুরেশচন্দ্র, তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন ) তখন অস্থথ করেছিল-_তীর ইচ্ছা! ছিল তাঁর কাছে ভাল করে অঙ্ক শিখি। তিনি [. 4 11961767009 0106৬] ঢা? 01885 11186 £010 7079081180 ছিলেন, 96৪69

501,018191)1 পেয়েছিলেন, তবে ঠাকুরমার আপত্তি থাকায় বিলেত যাননি

এই এক বছর ছুটিতে নিজের পছন্দমত বই 9০০৮৮, [0101529 প্রভৃতির বই পড়ে লাহোরে খুব বেড়িয়ে কাটানো গেল। ১৯০৬ সালে [[ 588) (8, 4. 77551088 01588এ") 102:0091) 0177১0181 001198€এ ভতি হলাম। ওটি ছিল লাহোরের খুব নামকরা! কলেজ, আর আমাদের জানাশোন। স্থরেনবাবু (স্থরেন্ত্রনাথ দাশগুপ্ত ) ওখানে অঙ্কের প্রফেসর ছিলেন। এই প্রথম বাড়ির বাইরে পড়াশোনা করা স্কুলেও তো! কখনও যাইনি দিনকতক অস্বস্তি বোধ হয়েছিল। কিন্ত খুব শীঘ্রই সে ভাবটা! কেটে গেল।

সেবার আমরা সবাই কসৌলি গিয়েছিলাম | এই প্রথম 2111 ৪:6০, দেখা বড়ই ভাল লেগেছিল। ডালিয়া, জিরেনিয়ম গ্রভৃতি ফুল এই প্রথম দেখলাম কসৌলী থাকতেই শ্ীঅরবিন্দের “বন্দে মাতরম্‌, সংবাদপত্র প্রথম পড়ি। দিনকতক পরেই তাঁর কারাবাসের খবর বেকল--আর “বন্দে মাতরম্ঠএ প্রকাশিত হল রবি ঠাকুরের “অরবিন্দ, রবীন্দ্রের লহ নমস্কার” কবিতাটি কবিতাটি লোকের মুখে মুখে আবৃত্তি হত।

আমাদের বাড়িতে অন্ততঃ খ!নিকটা জাতীয়তাভাব ছিল। লাহোর কংগ্রেসের কয়েক' মাস আগে আমাদের বাড়িতে শ্রীহরেন্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (পরে 91 95:6001% ৪6038767199) দুদিন ছিলেন সেই সময় তিনি 818081 ন৭]]এর ভিত্তিস্থাপন করেন। মেই বছরেই (১৯০৯এর ডিসেম্বর মাসে ) লাহোরে নিখিল ভারতীয় কংগ্রেস অধিবেশন হল তখন কংগ্রেস মধ্যপন্থী, বোম্বাই হাইকোর্টের বিচারপতি চন্দ্রবরকার সভাপতি হয়েছিলেন স্থরেন বীড়ুষ্যে এসেছিলেন, তিলক এসেছিলেন, বোস্বাই'করাচী থেকে পার্শা নেতারা এসেছিলেন মাদ্রাজ, মাল[রার থেকেও কপালে তিলক পরা, লম্বা চুলে ঝুঁটি বাধা অনেকে উপস্থিত ছিলেন। আমাকে বাবা ড1816073 (10896 73115019081) ৪]]এ এই কংগ্রেসের অধিবেশনে নিয়ে গিয়েছিলেন কিছুই বুঝিনি, কিন্তু দেশবিদেশের বিচিত্র পোশাক-পরিচ্ছ বিশেষত: নানা রকমের পাগড়ি, টুপি, ইত্যাদি খুবই ভাল লেগেছিল

এখন আবার আমার কলেজের [ড 59%র (বি. এ. ফাইনাল ) কথায় ফিরে যাওয়া যাক আমাকে 70০00019 00703189 118011911096198 (12079 €& 40001190. ) নিতে হয়েছিল 17]:181191 অবশ্যই ছিল--অঙ্ক ছুটি বিষয়, ইংরাজি একটি। ইংরেজী সাহিত্য খুবই ভাল লাগত (-78)9,5 150285£

[708118)) 7206205, 40600186 ০1 0109 13758016856 1181019, 18885৪ 4১0018011 ৪800. 9188] ০1০. এখনও স্থবিধে পেলেই পড়ি )। অঙ্ক মোটেই ভাল লাগত না, তবে বিলেতের পরীক্ষায় বিষয়েরই বেশী কদর-_তাই আমাকে অঙ্ক নিতেই হয়েছিল। খুব খেটেখুটে অস্কতে ভাল নম্বরই পেয়েছিলাম আর বি. এ. পরীক্ষায় ফল মন্দও হয়নি তবে মন শরীরের ওপর ধকল বেশীই হয়েছিল। আর বি. এ, পাস করবার সময় (১৯০৮ মে বা জুন) আমার বয়েস সতেরো বছর পুরো হয়নি পরিশ্রম বেশী হওয়ায় অনিন্দায় ভূুগলাম, আর যখন তার বাড়াবাড়ি হত জোরে জর আসত। শরীরটা ভেঙে পড়ল। সময়ে আবার বাবার খুব অস্থখ করল। দেশ থেকে বড়দাদা (পিসতুতো৷ ভাই ) ছোটমামা এসে আমাদের কলকাতায় নিয়ে গেলেন হাওয়া বদলাতে আমাদের দুজনের শরীর বেশ তাড়াতাড়ি সেরে গেল। কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতা ছেড়ে আমর। গোরাবাজার ( বহরমপুর ) আমার মামারবাড়ি গেলাম

আমার দাদামশাই ( ৬মহেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়) বহরমপুরের বড় উকিল ছিলেন-__ওুর মক্কেলদের মধ্যে ওখানকার রাজা, বড় বড় জমিদার প্রভৃতি অনেকে ছিলেন। খুব লঙ্বাঃ খুব ফর্ণা একটি প্রভিভাশালী 19750081185 ছিলেন আমার মাতামহ। মুখে মুখে মুশিদাবাদের ইতিহাস এমন করে বলতেন যে ছেলেবেল! থেকেই সিরাজদ্দৌলা, মীরজাফর, ক্লাইভ, ওয়ারেন হোেট্টিংঘএর কাহিনী আমাদের খুব ভাল করে জানা হয়ে গিয়েছিল_ অবশ্য 1070-0661015] ৮9751010, ইংরাজদের লেখ বিবরণটা নয়। ১৯২৪ সালে 79801) 90119০9] 05197051 969919৪এ আমার ৪৪০: 72701, 70০৫৮৮91)কে এই আমাদের নিজেদের দিকট] কিছু শুনিয়েছিলাম। তার এসব কথা ভাল লাগেনি

বহরমণপুরে দাদামশায়ের সুক্গে আমরা দুই ভাই খুব ঘুরেছিলাম। কাশিম- বাজার, নসীপুর, কুপ্তঘাট| র।জবাড়িগুলি উনি আমাদের দেখিয়ে এনেছিলেন। তিন জায়গাই ওয়ারেন হেট্টিংসএর স্থতির সঙ্গে বিশেষরকম জড়িত। . মহারাজ নন্দকুমারের কুগ্তঘাটার অবস্থা বিশেষরূপে শোচনীয় দেখলাম। দাদা- মশায়ের খাতিরে আমাদের এইসব জায়গায় খুব তাল অভ্যর্থনা হয়েছিল৷

অন্থথ সেরে গেছে তাই নিশ্চিন্ত হয়ে লাহোরে ফিরে এসে আবার এম. এ, ক্লাসে ঢোকা গেল। এবার আর অঙ্ক নয় ইংরাজি সাহিত্য পাঠ্য 'পুস্তকগুলি খুবই ভাল লাগত-_বিশেষতঃ কবিতার বইগুলি--ড/8:0,8 508&- 1881) 996৪» 98০. | আর অস্ক ছেড়ে হাপ ছেড়ে বাচলাম। তবে ছুঃখের

গ্

বিষয় অধ্যাপক স্বরেন্্রনাথ দাশগুপ্তের কাছে আর পড়া হল না। লাহোরে অনেক উচ্চপাস্থ বাঙালী ছিলেন-_বড় বড় £০ড৪::02090৮ 01601819 ইত্যার্দি-_কিস্থ স্থরেনবাবুর মত লোকপ্রিয় কেউ হতে পারেননি

আমার কিন্তু এম. এ, পড়া আবার বন্ধ হল। আবার সেই অনিদ্রা, আবার জর, জবর 96117102)এ দাড়াত, মনে হত যেন %151078 দেখছি আর সেই স্বপ্ে দেখ! দৃশ্যগুলি একেবারে অজানা! অচেনা আমার তখনও অসুখ চলছে, শয্যাগত আছি, সেই সময়ে আমার ছোট বোন মায়ার বিয়ে হয়ে গেল একটি সম্য ডাক্তারী, পাস-করা ছেলের সঙ্গে তত্রীপতির নাম অনাদ্দিনাথ মুখোপাধ্যায় মায়া শ্বশুরবাড়ি চলে গেল, লাহোরে আমর! রয়ে গেলাম-_মা, বাবা, আমি, ছোট ভাই সৃজন মেজদাদা ( মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়__-আমার পিসতুতো ভাই )। মেজদা আমাদের সঙ্গেই মানুষ হয়েছিলেন__আমরা অনেকদিন গুকে নিজের ভাই বলেই জানতাম

আস্তে আস্তে সেরে উঠলাম, কলেজে প্রায় তিন বছর গেলাম নাঁ বাড়িতেই 1%41091181) 11097260079 (বিশেষতঃ 96800210 100৮915--99001১ 4)101.8118+ ড৪ 7006০১৪1495 11156190199 প্রভৃতি (10. 171181181) 178105158101 ) পড়বার যথেষ্ট অবকাশ ছিল। আর সংস্কৃত ব্যাকরণ সাহিত্য এই সময়ে আরস্ত করেছিলাম 700879০ (11800 ) চা, (10691720901915 ) ছুই পরীক্ষাতেই [861 নিয়েছিলাম-_-বিলেতের পরীক্ষায় কাজে লাগবে বলে। তবে 14010 পড়াবার লোক পাওয়া গেল না (বাবার কাছেই যতদূর হল পড়া গিয়েছিল )--তাই আর বিষয়টা বেশীদূুর এগুলো না। সংস্কৃত খুবই ভাল লেগেছিল। প্রথমে বাবার কাছে, তারপর ছোটকাকার ( গোবিন্দবাবুর 8 কাছে খুব আগ্রহের সঙ্গে বেশ তাড়াতাড়ি রঘুবংশ, গীতা, রত্বাবলী ইত্যাদি পড়তে পেরেছিলাম ১৯০৯ সালে বাবার 19 3011989এ ছুটির সময় (বাবা তখন 149,079 148 ০০011986এ অধ্যাপক হয়েছেন-14810915 148৬5 0০911959টি পাঞ্জাব, £001191 ( পেশাওর ) সমস্ত অঞ্চলটির একমাত্র 118%/ 91168 ) আমরা সকলে কাঙগড়া ৬৪115যর ধরমশালা গ্লোম। এজায়গার স্থানীয় নাম ভাগহ্‌__পিছনেতে ধওলাধার ( ১৫০০০ফুট গিরিশ্রেণী ), সামনে সুনার কা্ড়া উপত্যকা উপত্যকার মধ্য দিয়ে বেয়াস__বিপাশা_অনেকগুলি শাখা- উপশাখা নিয়ে প্রবাহিত

ম্যাকলিয়ভগঞ্জের (00৮৩: ধরমশাল1) খানিকটা নীচে বাসা

মা)

পেয়েছিলাম, তবে রোজই ওপরের দিকেই বেড়াতে যেতাম | ম্যাকলিয়ড- গঞ্জে পার্শা শেঠের দৌকানটি বড় সুন্দর ছিল আর সেখান থেকে ধওলাধারের রাস্তা আরও ওপরের দিকে গেছে। এরান্তায় দেবদারুর (17100818580 ঢা বা 0৪৪7 ) জঙ্গলটি আমাদের খুব ভাল লাগত। তারই কাছে রাস্তার ধারেই একটি ভূমিকম্পে ভাঙা বাংলোর ধ্বংসাবশেষ দেখা যেত। ১৯০৫ সালের ভূমিকম্পে কাঙ্গড়া ধরমশালা প্রায় ধংস হয়ে যায়। এই ভাঙা বাংলোটির কয়েক একর জমি ছিল। 091, £1)90090.6110707% 70106 প্রভৃতি গাছ চারিদিকে ছিল। মায়ের জায়গাটি পছন্দ হল। পার্সী শেঠ নওরোজীব সাহায্যে বাবা কোনিয়ম ( পুরানো বাংলোটির নাম ) কিনে নিলেন ৬* বছর কোনিয়ম আমাদেরই ছিল। ১৯১১ সালে দালাইলামার একটি সেক্রেটারী লামা- শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করবার জন্য কোনিয়ম আমাদের কাছ থেকে কিনে নিলেন। আমাদের শেষ কোনিয়ম দেখা হয়েছিল ১৯৫৪ সালে এখান থেকে নেবেই সেই বছরে চীনযাত্রার আয়োজন' করি

যাক, আবার ১৯১০ সালে ফিরে আমি প্রথমে আউটহাউস তৈরী করে, তারপর “কোনিয়ম”এর 0781) 11111 01178 তৈরী হল। এবার আর ভেতরকার দেওয়াল পাথর দিয়ে গাথা হল না। ভূমিকম্পের পর এখন এই অঞ্চলে ধজির দেওয়ালের প্রচলন হয়েছিল। ছোট ছোট কাঠের ফ্রেমের মধ্যে ছোট ছোট পাথর হঁকে ঠুকে তারপর প্লাস্টার করে দেওয়াল তোলা-_-এই হল ধজি। আমাদেরই হাতার ওক ( দিশী নাম বান )গাছের কাঠের ফ্রেমে পুরনো বাংলার পাথর ভেঙে হ্থুড়ির মত করে ধজির কাজ বেশ ভাল করে হয়ে গেল।

প্রথম বছর বড়দিনের সময় বরফ পড়লে বাড়ির কাজ বদ্ধ করে নীচে চলে যাই। তার পরের বছর মার্চ মাসে ফিরে এসে নভেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ করা হল। কোনিয়ম ঝার্কঝকে তকতকে নতুন বাড়ি হয়ে দাড়াল। বাবাকে [,৪ঘ 0০118এর জন্টে, স্থজনকে তার 7, 5০, ০195৪এর জন্যে কয়েকমাসই লাহোরে থাকতে হত। আমি আর মা আমরা দুজনেই কোনিয়ামে বরাবরই থাকতাম, বাড়ি তৈরীর কাজ দেখতাম

কোনিয়মের ছুই বারান্দা থেকে ছু'রকমের দৃষ্ঠ-_সামনেটি থেকে ধওলা- ধারের একটি চূড়া, পেছনের বারান্দা থেকে কাঙ্গড়া উপত্যকার সুন্দর দৃষ্ঠু। ১৯১১য় আমরা যখন লাহোর থেকে এসে নতুন বাড়িতে উঠলাম তখন গুচ্ছ গুচ্ছ লাল রড়োডেনডুন ফুলে বাড়ির চারিধার আলো করে রয়েছে।

চৈ

ধওলাধার বরফচাঁকা হয়ে নাম সার্থক করেছে। পাহাড়ের গায়ে জংলী লতানে গোলাপ গোছ1 গোছ। সাদা ফুলে এবড়োখেবড়ে৷ পাথর ঢেকে রেখেছে বাড়ি থেকে কয়েক গজ পথ বেরোলেই ত্রিষুণ্ডের গায়ে একটি বড় জলগ্রপাত কালিবনের গায়ে সাদা ধপধপে পৈতের মত দেখা যাঁয় সম্বচ্ছরই জলপ্রপাতের জলেই 009: 100851089]&র সব পানীয় জল ঘোগানে হয় বাড়ির নীচের রাস্তা দিয়ে খানিকটা গিয়েই প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান ভাগস্থনাথের মন্দির__দূর দূর থেকে যাত্রীরা আসে, মন্দিরের সুন্দর কুণ্ডতে নান করে ভাগস্থনাথের দর্শন পৃজা করে !

সত্যই মনোরম স্থান। লামাদের হাতে কোনিয়ম দিয়ে দিতে সত্যিই মনে কষ্ট হয়েছিল-_-তবে ওদের হাত থেকে ওটিকে উদ্ধার করাও সম্ভব ছিল নাঁ। বয়স বেশী হওয়ার জন্য অত উচু জায়গায় যাওয়াও আমার বারণ ছিল--এই সব নানা কারণে কোনিয়ম হাতছাড়া হয়ে গেল।

মায়ের শরীর অনেকদিন থেকে ভাল যাচ্ছিল না ১৯১১র মাঝামাঝি অপারেশন হল [012978079818, 080(070102এর মিলিটারী হামপাতালের ইংরেজ ডাক্তার অপারেশন করলেন। অপারেশন করে এসে আমাকে যখন তিনি বললেন 0807961৮ &0811620 502€€ পৌছেছে, শীন্রই সব শেষ হয়ে যাবে, তখন একটা যন্ত্রণা সমস্ত শরীরে অনুভব করেছিলাম-_ মা মারা যাবার সময়েও ওরকমটা অনুভব করিনি |

এর কিছুদিন পরেই তো! লাহোরে নেমে আসতে হল। মায়ের তখন অন্থিচর্ম- সার শরীর--তবে শেষ পর্যন্ত প্রফুল্ল থাকতে চেষ্টা করতেন। ছোট্ট খুকি এলা ( মেজদার মেয়ে ) ওঁর খুবই আদরের পাত্রী ছিল। শরীরের কষ্ট খুবই ছিল, সাধ্যমত কষ্টের ভাব প্রকাশ করতেন না। কোজাগর পুণিমার রাত্রি, প্রায় ভোর হয়ে এসেছে, ১১ই নভেম্বর (১৯১১) মায়ের রোগভোগ শেষ হল। প্রায় শেষ" মুহূর্তে বলেছিলেন তিনি-যেন আবার আমাদের সকলের কাছে ফিরে আসেন, আর পরজন্মে বাবার সঙ্গে তীর ছাড়াছাড়ি না হয়।

আমার জীবনের এক অধ্যায় এখানে শেষ হল। মার স্থৃতিজড়িত ছিল বলেই ধরমশাল! কোনিয়মের কথা বিশেষরূপে বলেছি।

আবার পড়ান্তনা আরম্ভ হল নতুন করে। বিষয়ও নতুন নিলাম-_ ইতিহাস, 8, &তে 181560:5 পড়িনি যদিও গুরংজেব, শিবাজীর বিষয় সবিস্তারে পড় (স্যার যদুনাথের বই তখন নতুন বেরিব্বেছে, 178:0799এর

নী

17970918821709 1961100 (08501911089 1100617. 170186015 ০1 ] বোধহয় তার বেশীদিন আগে প্রকাশিত নয়) এসব 98800%:0 ভা০109 পড়া খুবই ভাল লেগেছিল। জীবনে যেন একটা নতুন উত্সাহ, উদ্যম এসেছিল। এক বছর পরেই পরীক্ষা দিলাম- পাসও করে গেলাম। আরও পড়বার আগ্রহ ছিল-__-এবার 16907010105 নিলাম কখনও [10010000198 পড়িনি- প্রায় 72)90700920109এর 06110161070. থেকে আরম্ভ করতে হল। 1 9191181] (বড় ছোট) [91188188এর কৃপায় পাসও করলাম 1, 4, 700000100)08 1 ছু'বছরে ছুটি আলাদা আলাদ। বিষয়ে 2. 4. পরীক্ষা আমি আর একটি ছাত্র দিয়েছিলাম এই দুজনেই পাস করেছি 7870)81) [01115979115 থেকে এখন তো কোন [0111%919165ই এক রছরে 1, 4, পরীক্ষা দিতে দেয় না।

তখন যেন নেশা জেগেছিল-_-আর একটি বিষয়, 787081811 নিয়ে তৃতীয়বার 1, 2. পাস করার ইচ্ছ! খুবই ছিল। কিন্তু এবার অনেকে আপান্তি তুললেন। মনে আছে শ্রীমতী সরলা দেবী চৌধুরাণী (উনি মার বন্ধু ছিলেন ) সময়ে মায়াকে দেখতে আসতেন (মায়ার তখন অস্থ বেড়েছে )। আমাকে একদিন জিজ্ঞেস করলেন, বিজন, এবার কি করবে? আমি যখন বললাম এবার ইতরাজিতে 1, 4. দেঁব_ উত্তরটা তাঁর পছন্দ হয়নি

সত্যি কথা- উচ্চশিক্ষা যদি ভাল করে করা যায়__-ভাল ভাল 9800810 1169180918 পড়ে ( বিশেষতঃ সেই সময়ের সমসাময়িক লেখ। পড়ে ) তাহলে যথার্থ আনন্দ পাওয়া যায়! 03 ০০০৮5 পড়া, কেবল পরীক্ষা পাস করবার জন্যে, লেখাপড়ায় ঘেন্না ধরিয়ে দেয়

১৯১৩ সালের গোড়াতেই আমার বোন মায় মার] গেল। বেচারী অনেকদিন থেকে ভূগছিল। মা মারা যাবার সময় লাহোরে ছিল না- শ্বশুরবাড়িতে ছিল। সে-রাত্রে ত্বপ্পে সে দেখে যে একটি স্টেশনে মা রেলগাড়িতে বদে আছেন-_ও তাকে দেখতে গেছে। যখন মায়! ওুর সঙ্গে যেতে চাইল, ওঁর গাড়িতে উঠতে চাইল, ম! বারণ করলেন, বললেন, এখন নয়, কিছুদিন পরে তুমিও আসবে

আমাদের পাচজনের 10299 08:919এ এখন তিনজন রয়ে গেলাম-_ মেজদাকে নিয়ে চারজন আমার ভাই স্থজন এর কয়েক মাস পরে বিলাত চলে গেল ডাক্তারী পড়তে। বাবার ইচ্ছা ছিল ষে আমি আইন পড়ি, উকিল হুই। গুর 7,৪দ 0০11625এর ছাত্রের! পেশাওর (7১681:8৪:) থেকে দিলী পর্যস্ত

টু

ওকালতি করছে--তাদের সাহায্যে আমি লাহোর হাইকোর্টে (এখন আর চীফ কোর্ট নেই) যদি প্র্যাকটিস করি নিশ্চয়ই পারব

আমি উকিলও হলাম না, ট্রিপল্‌ এয.-এও হলাম না। 00590009106 0০911985এর 71069850৮ ভ৪6৮৪০ (9020922168 পড়বার জন্তে আমি (9০৮, €১0119£9এ ভি হয়েছিলাম ) ' একটি 91012105779 5198 খুলেছিলেন। 7881)9)ই আমাকে অমৃতসর খালসা কলেজে 7000010195- এর [46968:9£ করে পাঠালেন

খালস। কলেজে যোগ দেবার আগেই ( তখন গ্রীষ্মের ছুটি ছিল ) আমাদের কাশ্মীর যাত্রার স্থযোগ হল। লাহোরের প্রবীণ উকিল যোগেন্দ্রনাথ বস্থু মহাশয় কাশ্মীরের মহারাজার 7928] /১০5০: ছিলেন যোগেনবাবু অবসর নিয়ে তখন কলকাতায় নিজেদের বাড়িতে থাকতেন মহারাজ খন ডাকতেন তখন এদ্রিকে আসতেন, দ্িনকতক আমাদের কাছে লাহোরে থেকে কাশ্মীর যেতেন ১৯১৪ সালে বাবার গরমের ছুটিব সময় উনি আবার কাশ্মীর যাবেন বলে লাহোবে আমাদের বাড়িতে এলেন। আমার তথন অম্তসর কলেজের কাজের জন্তে ওখানকার 7005. 9907918%র সঙ্গে কথাবার্তা হয়ে গেছে-_তবে 81)1001770776206 1৩061 কলেজ কমিটির মিটিং হবার পর পাব এই স্থির হয়েছে আর এই 2999611% গরমের ছুটির শেষে হবে জানানো হয়েছে

সুতরাং আমরা সবাই (বাবা, আমি মেজদাদা_-ওরও হাইকোটে” ছুটি ছিল ) ?:০ ছিলাম ঠিক হল আমরা তিনজনে যোগেনবাবর সঙ্গে কাশ্মীর যাব। চাকরকে সঙ্গে নিয়ে, বাড়ি বন্ধ করে, আমরা! ট্রেনে রাওলপিঙি পৌছুলাম সেখান থেকে একটি ভিক্টোরিয়া! ফিটনে মরি, কোহালা, বারমূলা হয়ে পাঁচদিনে আমরা শ্রীনগর পৌছুলাম।

শ্রীনগর খুব ভাল করেই দেখা হল। মহাঁরাজার দরবারও ছু-তিনদিন আমরা! দেখে এলাম পুজার দরবারে মহারাজ পৃজায় বসতেন ঝুড়ি ঝুড়ি পদ্মফুল নিয়ে। মন্ত্রীমশাই পুজাঘরের চৌকাঠের কাছে বসতেন, আর মহারাজা এক- একটি ফুল কোযাতে ফেলছেন আর মন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের কাজকর্ম বিষয়ে কথা৷ কইছেন। পুজা শেষ হলে, বাইরের বড় হলঘরের সভা ভঙ্গ হত।

শ্রীনগরের কাছাকাছি হর, শঙ্করাচার্ধ, ক্সীরভবানী মন্দির প্রতৃতি দেখে আমরা অমরনাথ যাত্রীদলে যোগ দিলাম ললিতাদিত্য মুক্তাপীড়ের প্রসিদ্ধ মার্তও মন্দির (01591 9651এর বিরাট ব্যাপার ) রাজ চার্দের আলোয় দেখে

৯৯

পহল্গাম পৌছুলাম। ভোরবেল! উঠে অমরনাথ যাত্রা! শুরু হল। সামনে কোলাহাই তুষারশূঙ্গ, পাশেই খরঝোত পরিফার নীল জলের প্রবাহ লিভার নদী বড়ই মনের ফুতিতে চড়াই চড়তে লাগলাম *চন্দনবাড়ি' পৌঁছে দেখলাম ষে অনেক যাত্রী লিডারে ঝাঁপিয়ে পড়ে নাইছে। অনেকটা চড়াই চড়ে এসেছি, গায়ে ঘাম ছিল, সে-সব ভূলে গিয়ে আমিও সেই পরিষ্কার নীল জলে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। ঠিক একটু ওপরে নদী একটি প্রকাণ্ড বরফের স্বুপের মধ্যে দিয়ে সুড়ঙ্গ কেটে বেরিয়ে আসছে জলে নামবার মিনিটখানেক পরেই আমাকে প্রায় অজ্ঞান অবস্থায় নদী থেকে তোল! হল। জোরে জর এল__আমাদের তিন- জনের আর অমরনাথ দর্শন হল না। কষ্টেম্ষ্টে পহলগাম ( তখন মামান্ত একটি গ্রাম মাত্র) ফেরা গেল--আর সেখান থেকে আরও খানিকটা গিয়ে ঝিলামের তীরে একটি নৌকা! পাওয়া! গেল__তারপর দক্ষিণবাহিনী নদী খুব শীদ্রই শ্রীনগরে পৌছে দিল।

পৌঁছেই খবরের কাগজে দেখা গেল [71756 "০1 "৪: আরম্ভ হয়ে গেছে। কাগজেরই আর এক পাতায় এক কোণে দেখলাম যে অমৃতসরে খালসা কলেজে একজন 70০0011 1. 4. 72০05012108 7)০৮এ নিযুক্ত হয়েছেন লাহোরে ফিরে গিয়ে যখন বাড়ি খোলা হল তখন আমার ৪100017000)606 19669 পাওয়া গেল- দরজার ফাক দিয়ে পিওন গলিয়ে দিয়ে গেছে

কাশ্মীর থেকে ফেরা হল ঢাণ116 985০0 প্রায় শেষ করেই-__0016. 97065121057 | ফল খুব খেয়েছি সবাই-_-্:91001১ 15৪1 (অত ভাল এর পরে [৭18708এও পাইনি ), বব্ব,গোশা (খুব ছোট, খুব নরম, খুব মিষ্টি ফল, ২৩ দিনের মধ্যেই খারাপ হয়ে যায়), নানা রকমের ৪019 ( অম্রি প্রভৃতি ), চি], 0109]1৯ 80106, কাচা আখরোট-_এ সব পেট ভরে সকলে খেয়েছি। কাশ্রীর দেশ-বিদেশের ধনী বিলাসীদের টেনে আনে- কিন্তু ওদেশের লোক (শতকরা নব্বইজন মুসলমান ) বড় গরীব সে-সময়ে (১৯১৪ সালে) ভোগ রা রাজপুত্র! ওথানে রাজত্ব করত- কাশ্মিরী বামুনরা ভাল ভাল কাজে বহাল ছিল--মুসলমানদের অবস্থা! ভাল ছিল না করণসিংজীর ঠাকুরদাদার দাদা তখন ওখানকার মহারাজ ছিলেন

এবার অমৃতসর খালসা কলেজে শিক্ষকজীবন আরম্ভ | 789019010809 91858 [ান 598: ( তখন 17691 9688৩এ 10000010105 ছিন্ন না) প্রথম খুললাম

হি

আর কিছুদিন পরেই 4:00$91% [18107 ০? [7১0% পড়াতে লাগলাম কারণ 1718601 107:06890£ ছিলেন ইংরাজ, প্রাচীন ভারতের এঁতিহাসিক ব্যক্তিদের জায়গাগুলির নাম উচ্চারণও তিনি করতে পারতেন না৷ পরের বছরই আমার [10070020198 01088 তিনগুণ বেড়ে উঠল। শেষের দিকে কলেজে 2]. 4. [19017017108 01255 খোলা হয়েছিল।

[1091009 1)60৮এর &1] 0019, 00109618100 পরীক্ষায় কিন্ত আমি [00700171108 17287091এ যে নম্বর পেয়েছিলাম তার চেয়ে 17718601 79176: অনেক বেশী পেয়েছিলাম 70000003108 সেরকম নম্বর পেলে তো ঢ17021)09 19976! ঢুকতাম এখন মনে হয় আমার শিক্ষকের জীবন সব দিক দিয়েই ভাল হয়েছে-_-অফিসে কাজ করা পোষাত না। তবে এটা! ঠিক যে &11 [0018 00201)6616100এ বেশ উচ্চস্থান ( তখন ছুটি 0:8,191989 প্রথম দ্বিতীয়টিকেই কেবল নেওয়া হত ) পেয়ে একটা 3611 0০92:61061709 হয়েছিল-_-তার নিশ্চয়ই একটা মূল্য আছে।

খালসা কলেজের ছুটি সহকর্মী বন্ধুর নাম এখানে করে রাখি-_ওরকম দুটি বন্ধু বোধহয় আর পাইনি। একটি হলেন কাশ্মীর সিং (গর মেজ ছেলে এখন লেফটেনাণ্ট জেনারেল হয়ে অবসর নিয়েছেন) আর একটি ছিলেন বাবা হরকিষণ সিং (পরে উনি গুজরানওয়াল। গুরু নানক কলেজে অনেকদিন প্রিম্পিপাল ছিলেন)। দুজনের মতন উন্নতচরিক্র লোক আমি কমই দেখেছি। অনেক দোষ থাকা সত্বেও আমার একটি গুণ আছে-_-সব জায়গায় সব রকম লোকের সঙ্গে খুব ভাব করে নিতে পারি। এর একটি উদ্দাহরণ আমার্দের খালসা কলেজের ১৪8৪, ০৫ 0106 73900০০ 0:7০৮৪* প্রাচীন চীনের একটি কবিগোষ্ঠীর নামাহ্করণে আমাদের * একটি কাব্য, ধর্ম প্রভৃতি চর্চার জন্য চারটি ঞজ্ঞানী'র একটি বিশেষ অন্তরঙ্গ গোঠী। এই 'জ্ঞানী'রা হলেন [95৮ সাহেব (নবাগত ইংরাজ প্রফেসর ), আমার ছুই পূর্বোল্লোখিত শিখ বন্ধু এবং আমি নিজে অনেক দিন আমাদের এই দ্বাশবাগানের জ্ঞানী গোষ্ঠী” বেশ ভাল ভাবৈই কাজ চালিয়েছিল।

এবার আমার বিবাহের কথ! একটু বুঝিয়ে বলতে হবে বুঝিয়ে বলা দরকার কারণ বিষয়টি অনেকের মতে একটু যেন £7586971009 |

আগেই বলেছি ঘষে 73. 4. পরীক্ষার সময় আমার শরীর বড় খারাপ হয়েছিল --অনিত্রা জর প্রায়ই হচ্ছিল। ছু-তিন রাত না ঘুমিয়ে জোরে জর আঁসত,

১৩৭

0611:1007এ দীড়াত। মনে হত যে ঘরের দেওয়ালে চলচ্চিত্রের মতন কিছু দেখছি অনেক সময় মনে হত দৃশ্ঠগুলি চীন দেশের পরে 109 091706যর ড1810708 ০1 07100001867 পড়েছি যে আফিং- সেবীটিও এরকম চীনের দৃশ্য দেখতেন আর তার ওসব দেখে মনে বড় অস্বস্তি হত। আমার কিন্তু চীনের ছবি বেশ ভাল লাগত ১৯০৮ সালের এক শীতের রাত্রে এরকম আধো-জাগা আধো-ঘুমানো অবস্থায় আমি চেঁচিয়ে বলেছিলাম £ “যাঃ, চীনের রাণী তো মরে গেল।” পরে বাবার কাছে শুনেছিলাম যে তার দু-একদিনের মধ্যে খবরের কাগজে বেরিয়েছিল যে বুদ্ধ! [)০%৪৪০1 130)101998 01)1178 [20 781 মারা গেছেন আর তার বোনপো সম্রাট [র091)8 7791 আত্মহত্যা করেছেন ( সম্ভবতঃ বাধ্য হয়ে )।

এরপরও কিছুদিন খুব ভূগেছিলাম। আস্তে আস্তে সেরে তো গেলুম, কিন্ত একটা ভয় রয়ে গেল। আবার যদি ওরকম অস্থখ করে, তাহলে শরীর মনের কি অবস্থা হবে? আবার আর একরকশ মনোভাবও দেখা দিল ড151075 য। দেখেছি--ওগুলি কি পূর্বজন্সের স্থতি? আবার কি ওসব দেখা যাবে? আর ওই সব জায়গায় যাবার ইচ্ছাও খুব ছিল। রবি ঠাকুরের “মানস ভ্রমণে আছে £ “ইচ্ছা করে**থাকি সর্ব লোকসনে দেশদেশান্তরে -*-তিব্বতের গিরিতটে বৌদ্ধমঠে'*যেথা প্রাচীন চীন নিশিদিন কর্মান্রত।” আমার কবিতাটি বড়ই প্রিয় ছিল। একটা আকাজ্ষাও এই ধরনের মনে জেগে উঠছিল।

সুতরাং একদিকে ছিল ভয়-_অস্থখে শরীর মন ভেওে বাবার। আর একদিকে এই আশা-আকাঙ্ষা-_দেশবিদেশ পর্যটন আর অন্ুরূপ জীবনষাপন | ছু'রকম জীবনে বিয়ে করলে কেবল নিজেকে নয় আরেকজনকেও বিপদে ফেলা! স্থতরাং আমার বিয়ে করা উচিত হবে না_সমস্তার এই হল সমাধান এই ভীম্ষের প্রতিজ্ঞ! কিন্ত টিকল না। দাদামশাই দিদিমার অন্থরোধ, নিজেরই মনে ছিধা এই পণ রাখতে পারব কিনা,আরেকটা সংশয়ের মত মনোভাব অতবেশী উচ্চাশা রাখা স্বন্ধে_এই রকম নানা চিন্তা ভিড় করে মনে এসে মতটা বদলে দিল। আজ পঞ্চান্ন-ছাপান্ন বছর পরে ( ১৯১৬ সালে আমার্দের বিয়ে হয়েছিল) বুঝেছি সব দিক দিয়ে মত বদলানোট! ভাল হয়েছিল। আর এখনও ওর 00008905900088 ভালই হচ্ছে।

আমার কলেজের জীবনে ফিরে যাওয়া যাক। অম্ৃতসরে আমি বেশীর ভাগ একাই থাকতুম-কারণ ওথানে প্রতিবেশীরা সবাই শিখ পন্িবার, আমার স্ত্রী

৯৪

ওদিককার ভাষা একেবারেই জানতেন না, আর নেহাৎ ছেলেমানুষও ছিলেন তাই বাবা ওঁকে লাহোরে মেজদার স্ত্রী পুত্র কন্ঠার সঙ্গেই রেখেছিলেন আমি প্রতি রবিবারে অন্য ছুটির দিন লাহোরে যেতাম। এই লাহোর অমৃতসর জীবনযাপন 4 1519 ০1 ণা'জ০ 018199 হয়েছিল_-পরে আরও কয়েকবার এইরকম &৪19 দ্ম০ 016195 হয়েছে (140107-7%118, মীরাট-দিল্পী, মীরাট-কলকাতা )।

এই সময় একটি 25019 01015918165 010এ আমরা খাইবার ( 7592 [2889 ), পেশাওর (991১87/87) প্রভৃতি পশ্চিম সীমান্তের কয়েকটি জায়গা বেড়িয়ে আসবার স্থযোগ পেয়েছিলাম যখন আমাদের ট্রেন সিন্ধুতীরে “আটক” পৌছল তখন লাহোরের পাঠান ছাত্ররা আমাদের খুব ঠাট্টা করতে লাগল। প্র্যাটফর্মে আমাদের নামতে বারণ করে ঠেঁচাতে লাগল। “গাড়িতে জানলা দরজা বন্ধ করে বসে থাক- পাঠানর। চারিদিক থেকে গুলি ছু'ড়বে, তোমাদের ছাড়বে না।” আয়রা তো নিবিষ্বে “আটক” পার হলাম-_- এখানে সিন্ধু কাবুল নদের সঙ্গমে প্রাচীন “আটক” ছূর্গ এখনও সীমাস্ত রক্ষা করছে। মহ[রাজা মানসিং আটক পার হতে চাননি আজ থেকে ৪০০ বছর আগে _-তখন আকবর তাঁর কাছে বলে পাঠিয়েছিলেন জগদীশ্বরের এই পৃথিবীতে তাঁর স্্ট এক জায়গ। থেকে আরেক জায়গায় যেতে কিসের “আটক” ?

পেশাওরে শাহী সরায়ে (কাবুলের আমীরের__তখনও কাবুল নৃপতি আমীরই ছিলেন__অনুচরের! পেশাওরে এসে এই সরায়ে উঠতেন ) আমরা ছুদিন রইলাম। এখান থেকে দুরে কাবুল শহরের ওপর বরফঢাক1 পাহাড়টি বড় সুন্দর দেখিয়েছিল। সরাই থেকে বেরিয়েই “কিস্সাখানি বাজার? লঙ্কা দাড়িওয়াল! উট বোখারা সমরকন্দ থেকে কার্পেট আলুবোখারা! বাদাম ইত্যাদি নিয়ে আসছে, ক্যারাভানগুলি বাজারের রায়ে ঢুকছে, উট-চাঁলকদের চেহারা! অদ্ভুত ( তাতার জাতীয় ), তাদের পোশাক বিচিত্র এই বাজারে ঢুকলে মনে হয় যে মধ্য এশিয়ার কোন শহরে হঠাৎ এসে পড়েছি।

তার পরের দিন বাসে করে খাইবার পাস্এ ঢোকা গেল। বড়ই রুক্ষ পরিবেশ, সরু গিরিপথ দিয়ে দীড়িওলা উটের সারি ঘাচ্ছে আসছে, রাস্তায় যারা কুলিমজুরের কাজ করছে তাদেরও পিঠে বন্দুক, কোমরে পিস্তল আমাদের বাঁস পাহাড়ে চড়তে চড়তে লাপ্ডতি কোটাল ছুর্গে গিয়ে থামল। বড় কেন্পা, সামনে হাইল্যাগ্ডার প্রহরী আমরা এইখান থেকেই ফিরলাম, পরের

3৫

বাসটি (ওতে 7১51)19) [001597810র ড195-015510081107 ৩1 0010 119511870 ছিলেন) আরও ওপরে গিয়ে 14001 70119050010: পৌছেছিল। এখানে পাস্এর রাস্তায় একটা সাদী লাইন টানা আছে আর লেখা আছে 4“ 13 &98০010(515 60971010091) 6০ 07:098 61918 11775” ( লাইনের ওদিকে যাওয়া একেবারে বারণ )। লাইনের ওদিক থেকে কাবুল রাজ্য আরম্তভ।

ফেরবার পথে আলি মস্জিদে পেশাওর কলেজে চা খাওয়া গেল। এই জায়গায় শিখ-পাঠানে অনেক যুদ্ধ হয়েছিল। একবার সমস্ত দিন যুদ্ধের পর শিখেরাই জেতে পাঠানদের যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাতে হয়। সেদিন তার্দের বোধহয় জয়লাতের বেশ আশা ছিল--বড় বড় ডেগে প্রচুর পরিমাণে পোলাও রাধা হয়েছিল। শিখ সৈন্যদের সেদিন আহার জোটেনি-_-আর এদিকে পাঠানদের রান্ন। পোলাও প্রস্তুত মহারাজ রণজিৎ সিং বুদ্ধিমান লোক-_-চট্‌ু করে সমস্তার সমাধান করলেন £ পপ্রত্যেক ডেগে দশ*ঘ! জুতো লাগাও-_সুসলমানী বেরিয়ে যাবে-_তারপর নির্ভয়ে খেতে শুরু কর।”

এর পরের বছর 01015978165 000 তক্ষশীলা গিয়েছিল। মহাভারতের তক্ষশীলার তখনও খোদাই কাজ আরম্ভ হয়নি কতকগুলি ছাত্রাবাসের ভিত্তি আমরা দেখেছিলাম, তবে তা বোধহয় বৌদ্ধযুগের | (৯০৪1: 091100-এর অনেক ধ্বংসাবশেষ দেখা গেল-_হুন্দর সুন্দর অনেক গান্ধার স্টাইলের মৃতি তক্ষশীলার মিউজিয়ামে জড় করা হয়েছে 4০110 বুদ্ধ প্রায় এক হয়ে গেছেন এই গান্ধার শিল্পে। পেশাওর মিউজিয়ামেও খুব ভাল গান্ধার ভাক্বর্ষের নমুনা] আছে। আর পেশাওরের পাশেই একটি গভীর গর্ত দেখা যায়। এখান থেকে অনেক খুঁড়ে সম্রাট কণিফ্কের ৪991 দেওয়া একটি ছোট সোনার কৌটোয় বুদ্ধের চিতাভম্ম 9119৪010410] 19166 কিছুদিন'আগে পেয়েছিলেন এখানেই কণিষ্ষের বিখ্যাত স্তস্ত ছিল, চীন! পরিব্রাজকের1 যার উচ্চ প্রশংসা করেছেন।

পেশাওর হল প্রাচীন পুরুষপুর-_এর কাছে আরেকটি প্রাচীন নগর ছিল-_ পু্কলাবতী এটি ছিল 7১9:1১180 সম্রাট, নৃপতিরা 0170010118:9এর রাজধানী | 7০6 মিড184 [দার মতে যে সব 198) নৃপতির। শিশু যীন্তকে দর্শন করতে যান (০7900)5195 তাদেরই মধ্যে একজন

আরও শোনা যায় যে এরই রাজ্যে যীন্তর নিজের দীক্ষিত শিষ্য 9৮, [02028 ভারতে এমেছিলেন | 58, 10091055 এদেশে 957180 01001802

১৪

সম্প্রদায় প্রবর্তন করেন। আর এই রাজ্যেই চিআ্রাল ষাবার পথে চারসদ্দার কাছে একটি টিলার ওপর বিরাট বুদ্ধমূতির ধ্বংসাবশেষ দেখ! গেল, কেবল পা দুটি আছে (ফুট চারেক লম্বা) আর টিলার নীচে একটি বৌদ্ধমঠের কয়েকটি ভাঙ দেওয়াল। চীন] পর্যটকের এই তীর্থের বর্ণনা করেছেন। এখন জায়গাটির নাম তখ.ত-এ-বাহি।

তক্ষশীলায় আমাদের মাধোস্বরূপ বৎসের সঙ্গে প্রথম দেখ! হয়। পরে ইনি 701790607 90679] 4.:9119909106% হয়েছিলেন আর হরাপপার বিষয়ে গুর বিখ্যাত বই লেখেন।

আবার খালস! কলেজে ফেরা যাক এই সময়েই বিশেষতঃ অমৃতসরে আর আমাদের খালসা কলেজে 'আকালি' আন্দোলনের চেউ উঠল। এই বিক্ষোভে পঞ্জাবের দৈনন্দিন জীবনটাই যেন বদলে গেল- আর আমাদের খালসা কলেজে তো! রীতিমত বিপ্লব ঘটল এতে আমার জীবনেও একট] বিশেষ পরিবর্তন হয়ে গেল।

এও একটি নতুন অধ্যায় আরম্ভ করবার মতই ব্যাপারে দীড়াল। এখানে বলে রাখি ষে এই কাহিনীতে এখন থেকে আমার নিজের বা নিজেদের লোকের কথা যথাসম্ভব কম করেই বলব নিজেদের কথা কেবল ষোগস্ত্রের মত ব্যবহার করব।

আকালি বিক্ষোভ শিখসমাজে বিশেষভাবে তোলপাড় এনেছিল। এর একটু আগেকার কথ! বলা দরকার | মহারাজ রণজিৎ সিং তো শেষাশেষি প্রায় গৌঁড়া হিন্দু হয়ে দাড়িয়েছিলেন। বড় বড় হিন্দু মন্দিরগুলিতে ( জালামুখী, পুরীর জগন্নাথ মন্দির প্রভৃতিতে ) হীরে, সোন। মুক্তহন্তে দান করেছিলেন » তাঁর মন্ত্রী, সেনাপতি অনেকে হিন্দু ছিলেন। তারপর অনেক পাঞ্জাবী গৃহস্থঘরে কেউ শিখ কেউ হিন্দু প্রায়ই দেখা যেত। গোঁড়া 'শিখের! ভয় পেল যে শিখেদের আলাদা অস্তিত্ব থাকবে না- বৌদ্ধদের মত হিন্দুসমাজে বিলীন হয়ে যাবে। হয়তে। এতে ব্রিটিশ গভর্মেন্টেরও কিছু হাত ছিল। তাদের রাজনীতির সূলমন্ত্র হল 1)15105 800 [২০16-_শিখেদের (বিশেষতঃ শিখ সৈন্যদ্দলকে ) হিন্দুদের থেকে আলাদা করে রাজভক্ত হয়ে যাতে থাকে তার জন্য বিশেষ চেষ্টা নিশ্চয়ই হয়েছিল। সেই মামুলি কাহিনী এখানেও শোনা গেল। সরকারী চাকরি, ভোটের ( 5০89৪ 1০0: 00020118, 4১857001198 9০, ) নংখ্য। নির্ধারণ, দ্কুল কলেজ প্রভৃতিতে সরকারী লাহাষ্য এমব নিয়ে তো হিন্ু-

বি--২ ১৭

মুনলমানে বিবাদ লেগেই ছিল- এখন শিখ হিন্দুতেও লেগে গেল।

তারপর আর একটি গুরুতর ব্যাপার হল- গুরুদোয়ার] ( শিখমন্দির ) নিয়ে। বড় বড় গুরুদোয়াব্রাগুলিতে, যেমন নানকানা সাহেবে ( গুরুনানকের জন্বস্থানের বড় মন্দিরে ) মহান্তরা প্রায়ই খাঁটি হিন্দু হয়ে পড়েছিলেন আর অনেক জায়গায় (এমন কি অমৃতসরের বিখ্যাত স্মব্ণমন্দিরে ) হিন্দু দেবদেবীর মৃতিও রাখা হয়েছিল। গোৌড়। শিখঘের পক্ষে তো এসব ব্যাপার অসহ বোধ হল। এর বিরুদ্ধে তাদের চ্যালেঞ্ত হল আকালি আন্দোলন

খালসা কলেজেও এই বিক্ষোভের প্রভাব এড়াতে পারিনি। আমাকেই কলেজের অবৈতনিক সেক্রেটারী (এক সন্তান্ত শিখ সর্দার) জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি আর্ধঘমাজী কিনা আর্ধসমাজীদের বরাবরই একটু 1111%2 11090. ছিল (আগে ছিল মুসলমানদের বিরুদ্ধেধ। সময় শিখেদের প্রতিও বিদ্বেধ ভাব দেখা দিয়েছিল )। আর একটি বিশেষ লক্ষণীয় মনোভাব ক্রমশ: স্পষ্ট হল__শিখেদের মধ্যে আবার নতৃন করে শিখ ইতিহাসের গৌরবের দিন- গুলির উপর একটি গভীর টান। ইংরেজরা যে কতকগুলো! ছুরাচার মন্ত্রী সেনাপতির বিশ্বাসঘাতকতার স্থযোগ পেকে লাহোরের শিখরাজ্য আত্মসাৎ করতে পেরেছিল, মেইসব স্মৃতি এখন তরুণ শিখদের মধ্যে ভালভাবেই জেগে উঠল।

১৯১৪ সালে যখন আমি খালসা কলেজে ঢুকেছিলাম তখন এক ইংরেজ প্রিন্সিপাল ছিলেন একটু রূট প্রকৃতির এক রাত্রে মিঃ রাইটকে খুন করতে এসে এক শিখ যুবক ভুল করে কেমিশ্ীর প্রফেসর 27. 700.01011116কেই ছোঁরার আঘাত করলে। তার কিছুদিন পরেই রাইট সাহেব কলেজ থেকে স্বানান্তরত হলেন_ শতুণ প্রিক্গিপাল হয়ে এলেন আমাদের ০০৮, ০০119৪-এর ]719601১ 7০0116105-এর 0১:০1993০ (9. &. ভ901021) . 05. বি. | আমরা দু-তিনজন তো তারই ছাত্র ছিলাম-__বলতে গেলে (০0:৩০ সাহেবই আমাকে খালসা কলেজে পাঠিয়েছিলেন। আর উনিও ছিলেন চতুর মিশুক লোক, দিনকতকের মধ্যেই সকলের প্রিয়পাত্র হয়ে উঠলেন-- আমরাও ইাফ ছেড়ে বাঁচলাম। সত্যি, তিন-চার বছর আনন্দেই কেটেছিল ৪89০ সাহেবের সময় আর কাশ্মীর] সিং, বাওয়া হরকিষণ সিং, 797৮5 সাহেবের মত বন্ধুদের সঙ্গে থেকে শনিবারের সন্ধ্যায় লাহোর যাওয়া আর সোমবার সকালে অম্ৃতসর ফিরে আসা, চ্ম99%095গুলি ছাত্রদের সঙ্গে পড়াশ্তনা বাঁশবাগানের জ্ঞানীদদের (9৯৪5 ০? ৮৮ 73827১০০ 97০৮9) ছোট্রি

১৮

সমিতিটিতে যোগদান করা__এইসব নিয়ে দিনগুলি বেশ ভালভাবেই কাটত

স্বস্তির হাঁপ ছেড়ে পৃথিবীতে কি বেশীদিন থাকা যায়! প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর থেকেই চারিদিকে গোলযোগ শুরু হল। কানাডা-ফেরত শিখেদের মধ্যে “দর” বিক্ষোত, গান্ধবীজির অহিংসা অসহযোগের জন্য দেশব্যাপী আহ্বান, আর এসবের উত্তরশ্বব্ূপ সরকার তরফের রাওপাট ম্যাক্ট। এবার অমৃতসরেই আপগ্তন জলে উঠল। কিচু (কাশ্মীরি মুসলমান অমৃতসরের একজন হিন্দু ডাক্তার, নামটি এখন মনে পড়ছে না-সম্ভবতঃ সত্যপাল ) রাওলাট আযাক্ট-এর ধার! অনুপারে কোন গ্ুদুব অনির্দিষ্ট কারাগারে বন্দী হলেন। শহরে ভীষণ উত্তেজনার হ্যাট হল। একটি ইংরেজদের ব্যাঙ্ক পুড়ে গেল, দু-একজন ইংরেজকে ক্রোধোন্মত্ত জনতা আক্রমণ করল।

তিনদিন অমুতসর “আজাদী” অর্জন করেছিল। ব্রিটিশ পুলিস বা গোরা সৈন্য শহরে ঢুকতে পায়নি আমরা! তিণ-চারজন সে সময় শহরে ঢুকেছিলাম ( কলেজ থেকে শহর আড়াই মাইল দূর )। তখন সত্যি সত্যি হিন্দু-মুলমানে কি অদ্ভূত সন্ভাব_-আমাদের সেদিন কত লোকের সঙ্গে (হিন্দুঃ শিখ, মুললমান ) কোলাকুলি করতে হয়েছিল- দু-তিন জায়গায় রাস্তায় চলতে চলতে সরবৎও খেতে হল। স্থবর্ণমন্দিরের কাছে যখন পৌছুলাম তখন শোন! গেল কাছেই জালিয়ণ- ওয়াল! বাগে (তখন বাগ ব! বাগানের চিহমাত্র ছিল না-_চারিদিকে দোতলা-তেতলা বাড়ির মধ্যে খানিকটা পোড়ে। জায়গামাত্র ছিল ) 'একটা মেল! বসেছে আমরা মেল! দেখবার জন্য ওদিকে এগুলাম- কিন্তু চার-পাচজন আমাদের বিশেষ করে বারণ করলে যে ওখানে যেও না, একেবারেই ঢোকবার জায়গা নেই। আমাদের আর জালিয়াওয়ালা বাগে সেদিন যাওয়া হল না, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই জানতে পারা গেল থে সেখানে ঢুকলে আর জ্যান্ত ফিরতে হত না। আমরা যখন শহর থেকে বেরিয়ে স্টেশনের কাছে রেলওয়ে ব্রিজের ধারে এসে পড়েছি তখন গোর! পাহারা পুলটা ঘিরে ফেলেছে আমাদের চ্যালেঞ্জ করল, আমরা তো “ফ্রেণ্ডস্” বলে পাশ কাটিয়ে চলে এলাম যখন কলেজের দিকে এগুচ্ছি, হেঁটেই যাচ্ছি, তখন দেখা গেল আমাদের কয়েকটি কলেজের ছাত্র রূক্তান্ত শরীরে কলেজে ফিরছে তাদের মুখে খানিকটা খবর শোনা গেল। কলেজে পৌছে ড/%.0,9এ সাহেবের কাছে পূর্ণ বৃত্তান্ত পাওয়া! গেল। তখন তাকে অন্য ছুটি সাহেব অধ্যাপক তাদের পরিবারবর্গকে শহরের কেল্লায়

১৪

গোবিন্দগড় নিয়ে যাবার জন্য গোরা অশ্বারোহী সৈন্ত এসেছে 11127 সাহেব তো৷ কলেজ ছেড়ে যেতে চাননি তবে সরকারী হুকুম জারী হয়েছিল যে কোনও ইয়োরোপীয়ান সেদিন কেল্লার বাইরে থাকবে না--কারণ তাদের মারা পড়বার ভয় আছে ৮:৪9 সাহেবের কাছে আমরা জানলাম যে আমরা ষে সময় শহরে ঢুকেছি সেই সময়েই 09097] 1061 গুর্থ সেপাহী নিষে জালিয়শওয়াল। বাগে যান, আর চঢোকবার বা বেরুবার (কারণ অন্য কোনও রাস্তা ছিল না) রাস্তা বন্ধ করে ফায়ার করবার আদেশ দেন। সেদিনকার রিপোর্ট ছিল ৫০০-৬০০ হতাহতের সংখ্যা--পরে দাড়িয়েছিল ১০০০-১২০০।

সাত-আটদিন অমুতদর থেকে সরকারী কর্মচারী ছাড়া কাউকে বাইরে ষেতে দেওয়! হয়নি। বাইরের কোনও খবরের কাগজে এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারটা একেবারে বেরুতে দেওয়া হয়নি প্রায় কুড়িদিন পরে যখন স্পেশাল পারমিট নিয়ে লাহোর যেতে পেরেছিলাম তখন আমি অনেককে খবরটা দ্রিই। আমার মনে হচ্ছে তার মধ্যে ছু-একজন খবকের কাগজের লোক ছিলেন ( অমল হোম ছিলেন তীরের সঙ্গে)। সবপ্রথম বোধ হয় এলাহাবাদের ইপ্ডিপেণ্ডেপ্টা কাগজে জালিয়ওয়াল। বাগের ভীষণ কাণ্ডের বর্ণন! প্রথম প্রকাশিত হয়।

এরই মধ্যে _-বোধ হয় এই হত্যাকাণ্ডের সাত-আটদিনের ভিতরেই--91- 878] 1991 খালসা কলেজে খবর পাঠান যে তিনি কলেজে আসবেন ছাত্রদের অধ্যাপকদের ধন্যবাদ দ্রিতে ষে তারা এই ব্যাপারে লিপ্ত ছিল না এই বলে। যাক, তখন আমর! একটি তাল কাজ করেছিলাম আমরা! 7১11001199] ড৮461790কে গিয়ে বললাম যে (19781 যদি সদর দরজা দিয়ে কলেজে ঢোকেন আমরা! খিড়ক্র দরজা দিয়ে সবাই-ছাত্র শিক্ষক বেরিয়ে যাবকলেজখালি করে বলা'- বাল্য, 9911679] 19567 কলেজে আসেননি আমাদের ওপর কিন্তু তখন থেকে সরকারের "ন্থনজর? পড়ল। «আর খালসা কলেজও ক্রমশঃ আকালি আন্দোলনের একটি বিশেষ কেন্দ্র হয়ে উঠল

১৯১৯ সালে আমার পক্ষে একটি স্মরণীয় বৎসর | আমার বড় ছেলের জন্ম এই বছরের ১ল! জান্ুয়ারীতে জালিয়াওয়াল! বাগে ষে আমরা বন্দুকের গুলিতে মরতে মরতে বেঁচে গেলাম সেও এই বছরের রামনবমীর দিনে 092- 818] ])5€ঃকে ষে আমরা নিরাশ করতে পেরেছিলাম (তিনি সত্যিই আশা করেছিলেন যে আমর! ভয়ে ভয়ে কলেজে তীর রীতিমত অভ্যর্থনা করব আৰ

২০.

তাতে লোকে বুঝবে যে তিনি দেশের উপকারই করেছিলেন গুলি চালিয়ে )__ সেও ১৯১৭-এর এপ্রিল মাসে এই বছরই গরমের ছুটিতে একল! একলাই বেরিয়ে রাজপুতানা, বোস্বাই, পূর্ববঙ্গের খুলনা প্রভৃতি জায়গা ঘুরে এসেছিলাম। আর এই বছরেই খুব ধূযধামে অমৃতসরে কংগ্রেসের অধিবেশন হল।

কংগ্রেসের নাম দেওয়া হয়েছিল ৬1০1০: (১908£7558 | বাওলাট আযাক্ট-এর দরুন ধরা বাজবন্দী হয়েছিলেন, তারা ছাড়া পেয়ে অমুতসর কংগ্রেসে এলেন। যখন তার দু-একদিন আগে কারামুক্ত মহম্মদ আপী, শোৌঁকত আলী, ছুটি ভীমকায় ভাই ( লোকের আন্দাজ ছিল, শৌকত আলীব শরীবটি মাপে সাত ফুট বাই ফুট) গান্ধীজিকে প্রায় কোলে কবে কংগ্রেস প্যাণ্ডেলে ঢুকলেন তখন মহাসভায় সেই দ্রশ্য ভোপবার নয় সে কী উত্তেজণা, কী হ্্ষধ্বনি! প্যাণ্ডেল যেন ভেঙে পড়বে মনে হচ্ছিপ !

সেবাব দেখপাম দেশের সব নেতাদের | গান্ধীজি তো ছিলেনই, উার পাশে জিনা সাহেবও ছিপেন-_ নিখুঁত বিলাতী পোশাকে তিলক এসেছিপেন, সি. আর. দাশ, বিপিন পাণ, মোতিলাল নেহক সপবিবারে, আর পাঞ্ঠাবের লাল লাজপত পায়, অজিত সিং, কানাভা-প্রত্যাগ “গদর” পার্টির কষেকটি শালপ্রাংস্ত মহাভুজ শিখসর্দার, মাদ্রাজ 9 আরও দক্ষিণেব খ্যাতনামা ব্ক্তি, রাও ছিলেন-__- এবকম ভারতের 'প্রতোকটি প্রদেশের প্রতিনিধিদের মহাসম্মেলন এর আগে কখনও হৃযনি ভারতবর্ষের ইতিহাসে স্বাধীনতা সংগ্রামের এটি ছিল প্রথম অধ্যায়

এইখানেই অভিংস অসহযোগ আন্দোলন শুক হয়। আমরা ০1 জালিয়1- ওয়ালা! বাগের ঘটনার পর থেকেই খদ্দর পরতে আরম্ভ করেছি /26092 সাহেব তো আমাদের নতুন পোশাক দেখে হেসেই অস্থির। যাক, আমর তো তুচ্ছ মানুষ_এদ্িকে সি. আর, দাশ, মোতিপাল নেহরু প্রমুখ বড় বড লোক সব ছেড়ে দিয়ে জাতীয় আন্দোলনে যোগ দিলেন__নিজেদের দৈনিক হাজার হাজার টাকা আয়, বিলাসের জীবন সব ত্যাগ করে। সত্যি, সময়ট। মনে রাখবার মত। বিশালকায় শিখেরা যখন সেই অহিংস সংগ্রামে পুলিনের লাঠির আঘাতে ভূপতিত হল--এর! একবারও প্রত্যুত্তরে হাত তুলল না, চুপচাপ সব সহ করে গেল-_-সেও একটা অপূর্ব ব্যাপার অহিংস যুদ্ধ বাস্তবিক ইতিহাসে একটি নতুন ধরনের যুদ্ধপ্রণালী |

১৯১৯ ১৯২০ সাল এইভাবেই চলল নতুন ডাক এল এবার ছাজদের প্রতি। স্থুল-কলেজ ছেড়ে এই নতুন রকম সংগ্রামে যোগ দাও। আলিগড়

২5

বিশ্ববিষ্ঠালয় বন্ধ হল। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্ালয় টলটলায়মান

যখন শিক্ষাকেন্্রগুলির এরকম যযোৌ তস্থৌ অবস্থা সেই সময় হঠাৎ গান্ধীজি আর মদনমোহন মালবীয়! মহাশয় খালস। কলেজে এলেন ড711101 সাহেব তো নিশ্চয়ই ঘাবড়ে গিয়েছিলেন-_-তবে বুদ্ধিমান লোক, তাদের কলেজের স্ন্দর মাঠ দেখ।লেন, খুব আপ্যাধিত করবার চেষ্টা করশেন। মামার বাড়িতে তখন মেঘ়েছেপে তো কেউই ছিলেন না__এখানেই অনেক সময় ছোটখাটো! আড্ডা হত। এবারও সবাই দুজন মাননীয় অতিথিকে আমার গ্রহে নিষে এলেন। গান্ধীজি মালবীয়াজি, 17810 011)] ৮৬7০) দুজন সাহেব (],. 19. 9, 1১ 018-০1), সর্দার যোগেক্দ্র সিং (উনি পরে পাঞ্জাবের মন্ত্রী হয়ে- ছিলেন ) আমর! দশ-বারৌজন খুব খেবার্থেষি করে আমার ছোট পভবার ঘরেতে বসে বা দাড়িয়ে ছিলাম ছাত্র শিক্ষকেরা 0011-0007067861011 700090091(-এ যোগ দেবে কিনা বিসুযে তো মালবীয়।জি গান্ধীজিরই যত বিরোধ, সাহেবণা অবশ্তাই মাঁলবীয়াজির সঙ্গে একমণড। আমরা শুনেই গেলাম অতিথিদের জল খাওয়াল(ম। ঘণ্টাখানেক পরে সভাভঙ্গ হপ। ছুজন নেতা শহরে ফিরে গেলেন। কারুর কারুর সন্দেহ রয়ে গেল যে তাদের কলেজে আগমন --আমাদেরই (বাওয়াজি, কাশ্ীরা সিং চাট্ুজ্যে এই তিনজনের ) কাজ সন্দেহট1 কিন্তু ভুলপই ছিল।

অতটা উত্তেজনার পর ১৯২০ সাল খানিকটা টিমে চালেই চলল আমা ছোট ভাই সুজনরাজ 10701179777 001%97516% ( টিশেম 08910) থেকে 1. 73. পাস করে ফেরবার জাহাজ পেতে অনেক দেরি হওয়ায় বিলেতেই আটকে রইলু। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কিছুদিন খাতায়াতে রকম গোলমাল চলেছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ায় ইউরোপ থেকে অনেক স্কলার, বিশেষতঃ আবার এদেশে আসতে লাগলেন একজনের কথা খুব ভাল করেই মনে হচ্ছে, 711. 001301)61 ফরাসী প্রত্বত্ববিৎ। ইনি কাবুলে অনেক পুরাতন স্তুপ প্রভৃতি দেখেশুনে বৌদ্ধযুগের নতুন মালমশলা যোগাড করছিলেন। তারপর তিনি লাহোরে আসেন ওখানকার সিনেট হলে তিনি কম্বুজের (0870০৭18 ) 41000: ৪6 ( নগর- বাটি) আলোকচিত্র দিয়ে অতিসুন্দরভাবে দেখিয়েছিলেন কন্বুজ অস্কোরের সঙ্গে সেই আমার প্রথম পরিচয় তার জের এখনও থামেনি কালই (২৮শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭০ সাল ) মীরাট কলেজে কন্বজ অস্কোরের বিষয়ে ঘণ্টাখানেক বলে এলাম। আর ১৯২৪ সাল থেকে তো কথ্ুজ, যবছীপ প্রভৃতি হদুর দেশে

নখ

ভারতীয় কৃষ্টির প্রভাব বিস্তার বর্ণনার কাজে হাত দিয়ে নিজের পড়া পড়ানোর আমূল পরিব্তন করে ফেললাম ছিলাম 779091;019108-এর লেকচারার, এর পর ইতিহাসের অধ্যাপক হলাম। আর এই বদলাবার পালার টাল সামলাতে দেশে-বিদেশে ঘুরতে হল। সত্যি কথা, ঘোরাটাকে পরম সৌভাগ্য ভেবেছিলাম তখনও, এখনও তাই ভাবি 1 7000116:-এর অঙস্কোর বর্ণনা বাস্তবিকই আমার পক্ষে একটি ম্মরণীয় ব্যাপার

১৯২০ সালের প্রথম দিকে স্থজন বিলেত থেকে ফিরণ। প্রথম দিকটা লাহোরেই ডাক্তারী প্র্যাকটিস শুরু করলে কয়েক মাস পরে কলকাতায় চলে গেল আর শেষ পর্যন্ত সেখানেই রইল বিলাত থেকে ফেরার ছু-চার মাসের মধো ওর বিয়ে হল। বছরেই শেষের দিকে আমার জ্যোষ্ঠা কন্যা অমিতা মৈনপুকীতে (শ্বশুরমশাই সেখানে ডিদ্্িকট জজ ছিলেন ) জন্মগ্রহণ করল। ওর ভাত, ( অন্নপ্রাশন ) হয়েছিল নতুন ধরনে। সে সময় আমরা পরমশালায় ছিলাম বাবা এক গন্দী (এ পাহাড় অঞ্চলের বামুন ক্ষত্রীদের গণ্দী উপাধি ) পুরুতের বন্দোবস্ত করলেন, যে ঘরের দেওয়ালে মায়ের চিতাভম্মের একটি ছোট কৌটো পৌতা৷ ছিল, সেই থরটিতে খুব ভাল করে হোম ইত্যাদি করা হল। তারপর কোনিয়মের (বাংলোর পুরাতন নাম) সামনের মাঠে গদ্দীদের নাচ হল। আমাদের ভাগ্ডারি চৌকিদার নাচ গান ৰাজনার সব বন্দোবস্ত ভালই করেছিল।

২৩

একটি স্মরণীয় ভ্রমণ

যদিও অমুতসরে আকালি আন্দোলন আস্তে আস্তে বেড়েই চলেছিল__সে সত্বেও খালসা কলেজ কোনও গুরুতর গোলমালে পড়েনি সুতরাং আমরা নিশ্চিন্ত মনে একটি বহুদিনের যা প্রায় স্বপ্নের মত দুরাশ! বলেই বোধ হত সেটি এবার সত্যি সত্যি বাস্তব জীবনে করে ফেলবার জন্যে প্রস্তত হলাম আর এর স্থযোগও এল অপ্রত্যাশিতভাবে। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানির প্রফেসর রায়বাহাদুবর শিবরাম কশ্যপ আই, ই, এস, কয়েক বছর থেকে হিমালয়ের বরফে ঢাকা কতকগুলি স্থউচ্চ স্থানে বোটানি ডিপার্টমেণ্টের জন্য লতাপাতা ফুল- ফলের খোজে যেতেন। এই বছর ( ৮৯২২ সালে) তিনি হিমালয়ের ওপিঠে থাস তিব্বতে মানস সরোবর কৈলাসের দিকটিতে ঘুরে আসবেন | ছু-তিনটি সঙ্গী তার দরকার ছিল। তীর ছাত্ররা খানিকট! পথ ( হিমালয়ের এদিকেই ) তার সঙ্গে যেতে ইচ্ছুক ছিল, হিমালয় টপকাতে মোটেই রাজী ছিল না বোটানি ডিপার্টমেণ্ট কর্মচারীর মধ্যেও কারুর এগুবার লক্ষণ দেখ! গেল না এই খবরটি আনলেন